01/05/2022
২০ বছর পিছনে ফিরে যাই
-------সেই সময় যেই ধরনের কাপড় চোপড় পরে যৌন-কর্মীদেরকে রাতের বেলায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যেত (যেমন: বাংলাদেশে ওড়না ছাড়া কামিজ; দেশের বাহিরে: শুধুই টাইট্স টিশার্ট), যেন তারা খদ্দের ধরতে পারে, আজকে সেই একই পোশাক পড়ে ভদ্রঘরের মেয়েরা দিনে-রাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।
আজকাল মেয়েদের কাপড় দেখে বোঝা মুশকিল সে কোনো যৌন কর্মী, নাকি কোনো ভদ্র ঘরের মেয়ে — (dont mind) সবারই পোশাক এক রকম। মিডিয়া আর সংস্কৃতির টালমাটালে পড়ে বেসামাল পাবলিকরাও তা দেখে প্রতিক্রিয়াহীন, অনুভূতিহীন, বিকলাংগ হয়ে যাচ্ছে মন মগজে। আজকাল মেয়েদেরকে এই সব পোশাক পড়তে দেখলে আমরা আস্তাগফিরুল্লাহ! ছি! ছি! এইটা কী পড়ে আছো? বলে আঁতকে উঠি না।
যার ফলাফল: মেয়েদের কাপড় আস্তে আস্তে আরও টাইট ও আরও ছোট হতেই চলছে এভাবে আমাদের(পুরুষ) অন্তর কঠিন হতে হতে, একসময় পাথর হয়ে যায়, লজ্জা শরম তো বিলুপ্তই
একটা সময় ছিলো মানুষ খারাপ জিনিস প্রথম বার দেখতো --আঁতকে উঠেতো আর বলতো “আস্তাগফিরুল্লাহ! একি দেখলাম! ছি ছি!” এরপর সে যখন আবার সেটা দেখে, সে ভাবে, “নাহ! এরকম করা উচিত না।” তারপর আবার যখন দেখে, “কী আর করা যায়। সবসময় কি ভালো হয়ে চলা যায়? এই জীবনে চলতে গেলে একটু-আকটু পাপ সহ্য করতে হবেই।”
তারপর একদিন সে সেই খারাপ কাজ নিজে করার জন্য উসখুস করতে থাকে। একসময় সে সেটা করে ফেলে এবং সাথে সাথে অত্যন্ত অনুতপ্ত হয়। কিন্তু কয়েকদিন পর সে আবার করে। এবার তার অনুতাপ কমে যায়। তারপর আবার, এবং আবার। একসময় সেই খারাপ কাজ করাটা তার জন্য স্বাভাবিক হয়ে যায়। কেউ তখন তাকে বার বার বোঝালেও সে শোনে না। বরং উল্টো রেগে গিয়ে বলে এই সব মান্ধাতা আমলের চিন্তা ভাবনা আজকের যুগে চলে না। আমি একা না করলে কী হবে, এটা আজকে সবাই করছে।” ব্যাস এভাবেই নস্ট হয় সমাজ সমাজের মানুষ
পরিশেষে বলবো সকল ফিতনার মুলই হলো এ নারীরা
বেপর্দা বেদ্বীন নারী থেকে পুরুষদের বেঁচে চলা ইমানি দায়িত্ব
(আল্লাহ হেদায়েত দিন)
ফিরে দেখা
কালেক্টেড.