03/08/2026
অনেকদিন ধরে মানুষের কথা, আচরণ কিংবা অযাচিত judgment সহ্য করি। কখনো চুপ করে থাকি, কখনো শান্তভাবে নিজের আপত্তিটা জানাই। বাইরে থেকে হয়তো মনে হয়, কিছুই হয়নি। অথচ ভেতরে ভেতরে সেই কথাগুলো, সেই আচরণগুলো আমাকে অনেকটা সময় ধরে ভাবায়, কষ্ট দেয়, নিজের সঙ্গে নিজের একটা নীরব যুদ্ধ চলতে থাকে।
এই নীরব লড়াইটার সাক্ষী সাধারণত কেউ থাকে না। তাই অনেক সময় মানুষ শুধু আমার শেষের reaction-টুকুই দেখে—কেন আমি রেগে গেলাম, কেন গলার স্বর বদলে গেল, কেন আর চুপ থাকলাম না। কিন্তু তার আগে কতগুলো ছোট ছোট ঘটনা জমে আমাকে সেই অবস্থায় নিয়ে এসেছে, সেটা হয়তো চোখে পড়ে না।
আমি এটাও বুঝি, অন্যের আচরণ আমাকে trigger করলেও আমার reaction-এর দায়িত্ব আমারই। তাই নিজের reaction নিয়েও আমি কাজ করতে চাই। কিন্তু একইসঙ্গে এটাও চাই—আমার reaction নিয়ে কথা বলার পাশাপাশি, যে আচরণগুলো আমাকে সেখানে পৌঁছে দিয়েছে, সেগুলো নিয়েও যেন কথা হয়।
চুপ করে থাকা সবসময় শান্ত থাকার প্রমাণ নয়, আর প্রতিবাদ করা মানেই বদরাগী হওয়া নয়। নিজের অনুভূতিকে গুরুত্ব দেওয়া, সময়মতো boundary তৈরি করা এবং প্রয়োজন হলে নিজের জন্য কথা বলা—এসবও self-respect-এর অংশ।
আমি আর এমন একটা জায়গায় থাকতে চাই না যেখানে অন্যের আচরণ আমাকে বারবার আহত করবে, আমি দীর্ঘদিন চুপ করে থাকব, তারপর একদিন ভেঙে পড়লে পুরো গল্পটার দায় শুধু আমার ওপর এসে পড়বে।
আমি চাই, সম্পর্কগুলোতে দু’পক্ষই নিজের আচরণের দায়িত্ব নিক। আমি আমার reaction-এর দায় নেব, অন্যরাও তাদের action-এর দায় নিক। কারণ সুস্থ সম্পর্কের জন্য শুধু “কে কীভাবে react করল” সেটা নয়—কী ঘটেছিল, কেন ঘটেছিল, এবং দু’জনেই কীভাবে আরও ভালোভাবে handle করতে পারত—সেটাও গুরুত্বপূর্ণ।