15/01/2026
প্রেগনেন্সি টাইমে একটা দম্পতি তাদের অনাগত বাচ্চাকে নিয়ে নরমালি খুবই ইমোশনাল থাকে। তারা এই সময়টাতে নানারকম স্বপ্নের মধ্যে দিয়ে যায়, ফ্যান্টাসির মধ্যে দিয়ে যায়, আরও অনেক কিছু ইত্যাদি। আর তার মধ্যে যদি তারা হয় লাভ ম্যারেজ করা হেলদি কাপল তাহলে তো কথাই নেই। প্রেগনেন্সির সময়ের একটা অনেক বড় ভুল কি জানেন? যখন কোন দম্পতি তাদের অনাগত বাচ্চার জেন্ডার পরিবারের মধ্যে প্রকাশ করে দেয়। ম্যাক্সিমাম দম্পতি ইমোশন কে কন্ট্রোল করতে না পেরে খুশিতে আত্নহারা হয়েই এই ভুল কাজটা করে ফেলে। কিন্তু ঠিক এই জায়গাটাতেই দম্পতিকে নিজেদের হেলদি প্রেগ্ন্যাসি টাইম এবং অনাগত বাচ্চার কথা ভেবে তাদের ইমোশন এবং খুশিটাকে কন্ট্রোল করে সাইলেন্ট ভুমিকা পালন করা উচিত। কেননা আমরা চোখে যাদেরকে আপন দেখি, তারা আড়ালে সত্যিই আপন কিনা সেটা কিন্তু একটি বিশাল বড় বিষয়। বাংলাদেশের সামাজিক কুসংস্কার প্রেক্ষাপটে, যে ব্যক্তির মেয়ে হয়েছে সেও চাইবে আপনার মেয়ে হোক, আবার যার ছেলে হয়েছে সেও চাইবে আপনার মেয়ে হোক, এটা হচ্ছে তাদের সাইকো সমস্যা, তাছাড়া এই সাইকো সমস্যার আড়ালে তাদের অনেক ধরনের আর্থিক, সামাজিক, মেন্টালি ইনসিকিউরিটি ফিল এবং একক সুবিধাভোগের স্বার্থ ও উদ্দেশ্য জড়িত থাকে। আর যদি কোনভাবে তাদের মন মতন জেন্ডার না মিলে, তখন ভয়ংকর পৈশাচিক রাজনীতির মধ্যে আপনারা দম্পতি পড়ে যাবেন। যে পৈশাচিক পারিবারিক রাজনীতি, দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির তুলনায় অনেক বেশিই ভয়ংকর। খুব শক্তপোক্ত স্ট্রং পারসোনালিটি এবং তুখর বুদ্ধিসম্পন্ন দম্পতি ছাড়া এই নোংরা রাজনীতিকে কিক আউট করা অন্যসকল দম্পতির জন্য অবশ্যই কঠিন হয়ে যায়। কেননা অনাগত বাচ্চার জেন্ডার নিয়ে যেই রাজনীতি পরিবারগতভাবে হয়, সেখানে এমনও পিশাচ থাকে যারা মহাভারতের শকুনির মতন এমনও ছক আঁকে, যেনো বাচ্চাটা পেটে থাকতেই মারা যায়, আবার প্লান যদি কোনটা ভেস্তে যায়, পরবর্তীতে তারা এমনও ছক আঁকে যেনো বাচ্চা এবং মা উভয়েই মারা যায়। তাই নিজেদের হেলদি প্রেগনেন্সি টাইমে এসব উক্টো ঝামেলা থেকে মুক্ত থাকতে এবং অনাগত বাচ্চার নিরাপত্তার কথা ভেবে হলেও জেন্ডার প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।
বি:দ্র: সব পরিবারেই এই যে এই ধরনের নোংরা রাজনীতি হয় বিষয়টা এরকম না। তবে হ্যাঁ বাংলাদেশের ১০০% এর মধ্যে ৯০% পরিবারগুলোতেই অনাগত বাচ্চার জেন্ডার নিয়ে এই ধরনের নোংরা রাজনীতি হয়ে থাকে।