Elegance and Exclusive

Elegance and Exclusive Bling that defines elegance, quality that lasts.
(1)

Gorgeous necklace set available 😍
24/04/2026

Gorgeous necklace set available 😍

Gorgeous jewellery set 😍✨️ জীবন টা শেখ হাসিনার মতো হয়ে গেছে মানুষের জন্য যত কিছুই করি না কেন কারওমন পাইনা 🐸🙂 For order a...
23/04/2026

Gorgeous jewellery set 😍✨️

জীবন টা শেখ হাসিনার মতো হয়ে গেছে মানুষের জন্য যত কিছুই করি না কেন কারওমন পাইনা 🐸🙂

For order and details kindly inbox us

23/04/2026

এই গরমে মাইগ্রেন,অয়েলি স্কিন,বড় চুল এইসব যাদের আছে,,, তাদের আলাদা ভাবে ভালোবাসা 🙂

23/04/2026

অর্ডার কনফার্ম করতে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ ইনবক্স করুন আমাদের পেজে 🛍

পর্ব ৫ভার্সিটির মধ্যে কাইয়ানা আর দাড়াতে পারেনি। তার মনে হচ্ছে কেউ হৃৎপিণ্ড ফালা ফালা করছে। নিশ্বাস আটকে আসছে।ভালোবাসার ক...
22/04/2026

পর্ব ৫

ভার্সিটির মধ্যে কাইয়ানা আর দাড়াতে পারেনি। তার মনে হচ্ছে কেউ হৃৎপিণ্ড ফালা ফালা করছে। নিশ্বাস আটকে আসছে।ভালোবাসার কষ্ট বুঝি দমবন্ধময়। যে কষ্ট কাউকে বলা যায় না। কাইয়ানার কান্না থামছেই না । কাইয়ানা ছুটছে অবাধ্য চোখের পানি মুছে। কাইয়ানা কোথায় যাচ্ছে জানে না শুধু তার মনে হচ্ছে এ কষ্ট থেকে পালাতে।কাইয়ানা দৌড়ে যাচ্ছে তার পিছু পিছু অলি। অলি বার বার করে বলছে ।
--"দোহাই লাগে কাইয়ানা থাম প্লিজ বোন আমার। এভাবে যাস না পড়ে যাবি।

অলির একটা কথাও কাইয়ানা শুনছে না। কেমন পাগলের মতো ছুটছে। কাইয়ানা দৌড়াতে দৌড়াতে একটা ফাঁকা নদীর তিরে আসে। জায়গাটা নীরবতা এখন দুপুর টাইম এ কারনে মানুষের ভীর নেই। কাইয়ানা দৌড়ে এসে দুই হাটু ভেঙে বসে দুই হাত দিয়ে মুখ ঢেকে শব্দ করে কান্না করে দেয়। কাইয়ানা কান্না জড়িত কন্ঠে বলে।

--"ভাগ্য বড় আজব জিনিস যারা পায় তারা সব দিক দিয়েই পায়,, আর যারা পায় না তারা কোনোদিক দিয়েই পায় না। ভাগ্য কেন আমার বেলায় নিষ্ঠুর।

কাইয়ানার কথা শুনে অলিও ডুকরে কেঁদে ফেলে প্রিয় বান্ধবীর জন্য। অলি জানে এই সময় কাইয়ানার মধ্যে কি চলছে। অলি আস্তে আস্তে করে কাইয়ানার কাছে এসে নিজেও বসে পড়ে। কাইয়ানা কাঁধে হাত দেয়। কাইয়ানা অলির অস্তিত্ব টের পেয়ে ঘুরে উঠে অলিকে জড়িয়ে ধরে। আকস্মিক জড়িয়ে ধরায় অলি একদম মাটিতে বসে পড়ে। অলি কাইয়ানার মাথায় হাত দিয়ে ঢোক গিলে ভাঙ্গা গলায় বলে।

-"কাঁদে না সোনা। ভাগ্যে যা আছে তাই হবে। ভাগ্যের উপর তো আমাদের কারোর হাত নেই। আমার কাইয়ানা সোনার জন্য রাজকুমার আসবে আর সেই রাজকুমারের মায়াবিনী হবে।

কাইয়ানা অলির কথা শুনে মাথাটা তুলে অলির দিকে তাকিয়ে বলে।
--"আমার তো রাজকুমার চাই না। আমি তো তাইব ভাই কে ভালোবাসি ভীষণ ভালোবাসি। আমাকে কি ভালোবাসা যায় না কেন তাইব ভাই আমায় কেন ভালোবাসলো নাহ তাহলে সারাক্ষণ কেন পিচ্চি বলে সম্মোধন করে।

কাইয়ানা আর বলতে পারলো না ঠোঁট ভেঙে কান্না করে দিল। অলি যত্ন সহকারে কাইয়ানার চোখের পানি মুছে দিল।অলি কাইয়ানার হাত ধরে বললো।
-- " কে বলেছে আমার কাইয়ানা কে ভালোবাসা যায় না। যে আমার কাইয়ানা কে ভালোবাসতে যানে না সে হলো একটা বোকা।

তাদের দুজনের কথা সায়ন সবই শুনলো। কাইয়ানার কান্না ভেজা মুখ
দেখে সায়রের অনেক কষ্ট হচ্ছে। মেয়েটার তো কোন দোষ নেই সে মনে করে সব দোষ তাইবের । একটা সময় তাইব ই সবসময়ই কাইয়ানার পাশে পাশে থাকতো আদর করে পিচ্চি বলে ডাকতো।এমন করলে যে কোন কিশোরী মেয়েই অপর জনের প্রেমে পরবেই কাইয়ানার ক্ষেত্রে তাই। কাইয়ানা দেখতে মাশাআল্লাহ শ্যামবর্নের হলেও দেখে চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মতো চেহারা। ডাগর ডাগর আঁখি জোড়ায় যে কেউ ডুবে যাবে। সায়র আর ভাবতে পারলো না। তার তাইবের প্রতি অনেক রাগ হচ্ছে। সায়র কাইয়ানা দের দিকে আগালো না যেমন চুপিসারে এসেছিল ঠিক তেমনি ভাবে চলে যাচ্ছে তবে অদ্ভুত কাইয়ানার জন্য আজ সায়রও নিঃশব্দে কাদলো।
~~
তাইব নুহা কে মনের কথা বলতে পেরে। আজ তারা দুজনে বিশাল বড় পাচ তারকা হোটেল লাঞ্চ করে। খুশি খুশি মনে লাঞ্চ সেরে নুহা কে বাড়ি পৌঁছে দিয়ে ফিরছে।

অলি কাইয়ানা কে বুঝিয়ে নিয়ে আসে।আজ কাইয়ানা সবার সাথে লাঞ্চ করতে চেয়েছিল কিন্তু ভাগ্য তাকে অনাহারে রাখলো এখনে পর্যন্ত কাইয়ানা খায়নি।অলি অনেক জোর করেছে খাওয়ার জন্য কাইয়ানা শুধু আধো গালায় বলেছে।
--" বাড়ি যাবো।

অলি আর দেরি না করে। কাইয়ানা কে নিয়ে হাটতে শুরু করে মেইন রাস্তা পর্যন্ত। অলি কাইয়ানার হাত শক্ত করে ধরে আছে রিক্সার অপেক্ষায়। কাইয়ানা কেমন প্রান শূন্য হয়ে দাড়িয়ে আছে। অলি একটা রিক্সা পেয়ে যায়। কাইয়ানা কে রিক্সায় বসিয়ে নিজেও বসতে যায় তখনই শুনতে পায় কেউ পিচ্চি পিচ্চি করে ডাকছে।অলি বুঝতে পারে এটা তাইব তাই অলি পিছু না ফিরে তাড়াতাড়ি করে রিকশা উঠে পরে রিকশা ওয়ালা মামা কে বলে
--" মামা তাড়াতাড়ি চলেন।

তাইব এসেও যেন তাদেরকে ধরতে পারলো না। সে ইচ্ছে করলে দেখা করতে পারতো। হয়তো সে ইচ্ছে টুকুও ছিল না। বাইক নিয়ে নিজের বাড়ির উদ্দেশ্যে চলে যায়।

————
সময় কি কারোর জন্য থেমে থাকে নাহ কখনো থাকে নাহ। সেদিনের পর আজ পাঁচ দিন চলে গেছে। কাইয়ানা এই পাঁচ দিন কোথাও যায়নি বরং অলি এসে সঙ্গ দিছে যেন কাইয়ানা স্বাভাবিক ভাবে চলাচল করে। কাইয়ানার এমন চুপচাপ অলি মানতে পারছে না। আজও অলি কাইয়ানার বাসায় আসে। কাইয়ানা জানালার সাথে মাথা ঠেকিয়ে বসে আছে তার দৃষ্টি বাইরে। অলি কাইয়ানার কাঁধে হাত দিয়ে বলে।

--" আমাদের তো ভার্সিটির জন্য অ্যাডমিশন নিতে হবে। এভাবে থাকলে হবে। লয়ার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে হবে তো।

--(...)

-- " কি হলো সামান্য কারনে কি তুই তোর স্বপ্ন থেকে পিছিয়ে যাবি।

--"না।

কাইয়ানা চোখের পানি মুছে উঠে দারায়।তাদের কথার মাঝে কাইয়ানার আপা কলি চলে আসে। কলি স্বাভাবিক ভাবে বলে।

--" আচ্ছা অলি কাইয়ানার কি হয়েছে রে এই কদিন হলো কেমন মন মরা হয়েছে। পরীক্ষা কি খারাপ হয়েছে।

কলির কথা শুনে কাইয়ানা নিচ দিকে তাকিয়ে আছে। অলি কি বলবে বুঝতে পারছে না। কাইয়ানা কখনো কোনো কথা নিজের আপার কাছে লুকায় না এবারও পারলো না। কাইয়ানা শব্দ করে কান্না করে দিয়ে আপা কে জড়িয়ে ধরে। কলি বিচলিত হয়ে বলে।

--" কি হয়েছে সোনা। কেউ কিছু বলেছে। আপা কে বল।

কাইয়ানা মাথা নাড়িয়ে বুঝালো কেউ কিছু বলে নাই। কাইয়ানা কান্না জড়িত কন্ঠে বলে।

--" আপা আমরা গরিব বলে আমাদের ভালোবাসা যায় না। গরিব বলে সবসময় ভাগ্য কেন নিষ্ঠুর হয়।

--" সত্যি করে বল কাইয়ানা কি হয়েছে। আর কি ভালোবাসা যায় না।

--" আ' ' 'পা আমি তাইব ভাইকে ভালোবাসি কিন্তু উনি আমাকে না অন্য কাউকে ভালোবাসে।

কলি যেন কাইয়ানার কথা শুনে স্তব্ধ হয়ে যায়। কলি হয়তো আন্দাজ করতে পেরেছিল এমন কিছু হবে।কলি শান্তনার সরে বলে।

--" ওরা বড় লোক আমরা গরিব। তুই ওকে ভালোবাসিস কিন্তু ও তোকে বাসে না এই ভালোবাসার মূল্য নেই। একতরফা ভালোবাসা কখনো জেতে না বোন। তুই ওকে ভুলে যা।

--" ধনি গরিব দেখে কি ভালোবাসা হয় বলো। জাত কুল ধর্ম বংশ কিছু দেখেই ভালোবাসা হয় না। হঠাৎ করে হয়ে যায়। কখন কি ভাবে ভালোবেসেছি জানি না।

কাইয়ানার কথা শুনে কলি চুপ করে যায়। অলি তো মাথা নিচু করে নিঃশব্দে কাঁদছে। কলি বুঝতে পারছে বোনের কষ্ট তাই কথা না বাড়িয়ে চলে যায়। অলিও চোখের পানি আড়ালে মুছে কাইয়ানা কে নিয়ে দেখায় অ্যাডমিশনের জন্য কি কি বই কিনেছে।
~ ~ ~
সামনেই তাইবের ফাইনাল এক্সাম আর মাত্র দুই দিন পর থেকে এক্সাম শুরু। আজ সায়র তাইব ভার্সিটির আসছে। তাইব খেয়াল করছে সায়র তার সাথে তেমন কথা বলছে নাহ সে কিছু জিজ্ঞেস করলে হু হা উত্তর দিচ্ছে। এতোক্ষণ তাইব নুহার সাথে ছিল। সায়র কে দেখা মাত্র তার কাছে আসে। তাইব সায়র কে পেটে গুতা মেরে হাসি মুখে বলে।

--" কিরে শালা কেনো খোজ খবর নাই। ওই দিন একসাথে লাঞ্চ করার কথা ছিল তারপর তোকে দেখলামি না। আবার ভার্সিটি আসার পর থেকে ইগনোর করছোস। বদলে যাচ্ছিস।

সায়র মুচকি হাসলো। তাচ্ছিল্য করে বললো।
--" পুরাতন জিনিস হোক বা বন্ধু বা কাছের কেউ কাউকে ভুলি না ইগনোর ও করি নাহ। তবে চারপাশে দেখছি সবাই বদলে যাচ্ছে আবার তারাই বলছে বদলে গেলি।

সায়র এক মূহুর্তে দাড়ালো না। হনহন করে চলে গেল ভার্সিটির গেটের বাইরে। তাইব এখনো সায়র কে দেখছে। ভার্সিটিতে আর কোন কাজ নেই। তাইব নুহাকে নিয়ে নিজেও চলে যায়। তবে সায়রের কথা বুঝলো না আর না ইগনোর করার কারন। আপাতত পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি প্রয়োজন। তাইব পরীক্ষা শেষ করে নুহা কে বিয়ে করবে।

চলবে...

ভুল গুলো ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।

Churi set available
For order kindly inbox us


❗️Sale 🎉 Sale 🎊 Sale ❗️Inside Dhaka delivery charge 80tk and outside Dhaka 120tk. For order inbox please
22/04/2026

❗️Sale 🎉 Sale 🎊 Sale ❗️

Inside Dhaka delivery charge 80tk and outside Dhaka 120tk.

For order inbox please

22/04/2026

জীবন টা শেখ হাসিনার মতো হয়ে গেছে মানুষের জন্য যত কিছুই করি না কেন কারো মন পাইনা 🐸🙂

For order and details kindly inbox us
21/04/2026

For order and details kindly inbox us

পর্ব ৪যত দিন যাচ্ছে তত কাইয়ানার পরীক্ষা এগিয়ে আসছে। কাইয়ানা যতই পড়াশোনায় মনোযোগী হতে চাই হতে পারে না বার বার শুধু বাবার ...
21/04/2026

পর্ব ৪

যত দিন যাচ্ছে তত কাইয়ানার পরীক্ষা এগিয়ে আসছে। কাইয়ানা যতই পড়াশোনায় মনোযোগী হতে চাই হতে পারে না বার বার শুধু বাবার কথা মনে পড়ে। কাইয়ানা তার বাবাকে অনেক মিস করে তাই তো দিনে একবার হলেও কবরস্থান ওখানে যায় দূর থেকে বাবার কবরটা এক নজর দেখতে। এখন তাইবের সাথে কাইয়ানার প্রতিদিন দেখা হয় না। কাইয়ানা খেয়াল করেছে তাইব আর আগের মতো পিচ্চি পিচ্চি করে না। কাইয়ানা ভাবে হয়তো পড়াশোনার চাপ এই জন্য হয়তো দূরত্ব। কাইয়ানা আর অলি কলেজ শেষ করে কোচিং করে বাড়ি আসছে। অলি এটা ওটা জিজ্ঞেস করছে কাইয়ানা হা হুম বলছে। হঠাৎ তাদের কথার মাঝে কেউ ডেকে উঠে। তারা দুজনে পিছনে তাকিয়ে দেখে সায়র। সায়র তাদের দিকে তাকিয়ে হাত নাড়ায়। সায়রের ডাকে তারা দুজনে দাড়িয়ে পড়ে। সায়র এসে বলে।

---- হেই পিচ্চিরা কেমন আছো?

অলি সায়রের দিকে তাকিয়ে বলে।
--- ভালো আছি ভাইয়া আপনি....?

সায়র কাইয়ানার দিকে তাকিয়ে বলে।
--- কি হলো কাইয়ানা তুমি চুপচাপ কেন..?

কাইয়ানা ততক্ষণে মাথা ঝাকিয়ে বলে।
---- কই নাতো।

সায়র কিছু একটা ভেবে বলে।
--- আজকে তোমাদের আমার পক্ষে থেকে আইসক্রিম ট্রিট দিবো চলো।

প্রথমে তারা রাজি হয়নি। কিন্তু সায়র ইমোশনাল ব্যাকমেইল করে রাজি করায়।অবশেষে কাইয়ানা অলি আসে সায়রের সাথে। কাইয়ানা অলি আইসক্রিম খাচ্ছে। খাওয়ার মাঝে হঠাৎ করে কাইয়ানা সায়র কে বলে।

--- সায়র ভাই আজকাল তো তাইব ভাই কে খুব একটা দেখি না। তেমন কথাও বলে না। এখন কি পড়াশোনার অনেক চাপ।

কাইয়ানার কন্ঠ কেমন ভাঙা ভাঙা লাগলো সায়রের কাছে। সায়র পলকহীন দুমিনিট কাইয়ানা কে দেখলো। কি বলবে সায়র বুঝতে পারছে না। আসলে তাইব এখন তার সাথে তেমন আড্ডা দেয় না। সায়র মিহি হেসে বললো।

--- হ্যা তো পড়াশোনার চাপ তো কিছু দিন পর ফাইনাল এক্সাম শুরু হবে।

কাইয়ানা কিছু বললো না ওহ ছাড়া। সায়র দেখলো কাইয়ানার মনটা ছোট হয়ে গেল।কথার মাঝে সায়র দেখলো তাইব নুহা কে নিয়ে কিছু একটা কিনে বাইকে করে চলে যাচ্ছে। শুধু সায়র না অলিও ব্যাপার টা লক্ষ করেছে। কাইয়ানা অন্য দিকে মুখ করে দাড়ানো তাই দেখতে পেল না। এই দৃশ্য দেখে অলি কাইয়ানা কে নিয়ে সায়রের থেকে বিদায় নিয়ে সেখান থেকে চলে আসলো।

~ ~ ~
দেখতে দেখতে কাইয়ানার এইচ এস সি পরীক্ষা শুরু হয়ে গেছে। প্রথম পরীক্ষার দিনে তাইব আর তার মা কাইয়ানার সাথে দেখা করে যায়।এতে কাইয়ানা অনেক খুশি হয়ে যায় তাইব কে একনজর দেখে। কাইয়ানার স্বপ্ন ল নিয়ে পড়াশোনা করা। তাই তো কাইয়ানা জান প্রান দিয়ে পড়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। যেমন করে পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ঠিক তেমন করে শেষ হলো।আজকে কাইয়ানার পরীক্ষা শেষ হয়। এই পরীক্ষার এতো দিন কাইয়ানা তাইবকে প্রথম দিন দেখছে আর দেখেনি তবে মাঝে মাঝে সায়র কে দেখছে। সায়র এসে পরীক্ষা কেমন হয়েছে জিজ্ঞেস করতো। আজ শেষ পরীক্ষা দিয়ে কাইয়ানা অলি হাটছে। অলি তাইব কে বলে।

--- কাইয়ানা তুই সত্যি তাইব ভাই কে ভালোবাসিস।

--- নতুন করে আর কি বলবো তুই তো জানিস আমি তাইব ভাই কে কতো ভালোবাসি।

অলি কাইয়ানার দিকে তাকিয়ে আছে। অলি মুচকি হেসে কাইয়ানার হাত ধরে হাটতে হাটতে বললো।
--- কাইয়ানা তুই তাইব ভাই কে বলে দে তুই তাকে ভালোবাসিস।

--- বলতে তো চাই এই পরীক্ষার জন্য এতো দিন বলিনি তবে যখন বলছি তবে আমি বলবো।

অলি হেসে হেসে বললো।
--- তাহলে চল কাল তার ভার্সিটি গিয়ে বল।

কাইয়ানা একটু অবাক হয়ে বললো।
--- ভার্সিটি "
--- হ্যা ভার্সিটি তো কি হয়েছে আর আমরা তাকে একমাত্র সেখানে পাবো।

অলি কথা ঠিক বলেছে তাই কাইয়ানা সম্মতি দেয় কাল ভার্সিটি গিয়ে তার মনের কথা বলবে। কাইয়ানা আদোও জানে না তার কপালে ভালোবাসা আছে কি নাই।

কাইয়ানার আজকে খুশি খুশি লাগছে আবার একটু নার্ভাস কারণ কাইয়ানা আজকে তাইবকে প্রপোজ করবে। কাইয়ানার মনের সকল ভালোবাসা প্রকাশ করবে। এখন সকাল আটটার মতো বাজে অলি আসলে তাইবের ভার্সিটির উদ্দেশ্যে রওনা হবে।কাইয়ানার ভাবনার মাঝে অলি এসে উপস্থিত হয়। অলি দেখলো কাইয়ানার চোখ মুখ চকচক করছে। কাইয়ানা দেখলো অলি আসছে। কাইয়ানা অলির হাত ধরে খাটে বসে বললো।

--- এই অলি আমার অনেক ভয় করছে যদি তাইব ভাই রেগে যায়।

---" রাগ করবে কেন তাইব ভাই তো তোকে কতো কেয়ার করে এমন কেয়ার কারা করে যারা ভালোবাসে। আর তাইব ভাইয়ের মা তোকে কতো ভালোবাসে। এতো ভয় পেলে চলবে কাইয়ানা ভালোবাসা জিতে নিতে হয়।

অলি কথা গুলো বলে কাইয়ানা কে জড়িয়ে ধরলো। কিছু সময় কথা বলে তাদের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তাদের কথার মধ্যে বেশি ছিল কিভাবে কি করে তাইব কে বলবে তারপর সবাই একসাথে বাইরে লাঞ্চ সেরে বাসায় আসবে।যাওয়ার সময় কাইয়ানা একবার বাবার কবরটা দেখে নিল। দেখতে দেখতে তার বাবার মৃত্যুর ছয়মাস হয়ে গেছে।

কাইয়ানা অলি ফুলের দোকানে ফুল দেখছে। প্রপোজ করতে নিশ্চয়ই ফুল প্রয়োজন। কাইয়ানা গোলাপ ফুল দিয়ে সুন্দর করে তোরা বানিয়ে নিল লাল গোলাপ অসম্ভব সুন্দর লাগছে।

কাইয়ানা অলি রিক্সা করে ভার্সিটির উদ্দেশ্যে যাচ্ছে যেখানে তাইব আছে। অলি বুঝতে পারছে কাইয়ানা অনেক নার্ভাস তাই অলি সারা রিক্সার মধ্যে কাইয়ানা কে সাহস দিয়েছে। অলি কাইয়ানা কে দেখে বললো।

--- কাইয়ানা বেবি এতো নার্ভাস হওয়ার কিচ্ছু নেই তোকে আজ অনেক সুন্দর লাগছে। তাইব ভাই তোকে দেখে এমনিতেই রাজি হয়ে যাবে। (হেসে হেসে)

কাইয়ানা লজ্জা পেয়ে মাথা নিচু করে। অলি দেখে মুচকি হাসলো। অলি দুষ্টমি করে বলে।
--- এমা কাইয়ানা বেবি দেখি লজ্জাও পায়।

অলি কাইয়ানা এক বাহু জড়িয়ে ধরে বলে।
--- তুই সত্যি মায়াবিনী। তোকে ভালো না বেসে থাকাই যায় না। দেখিস তুই তাইব ভাইয়ের মায়াবিনী হবি।

তাদের কথা মধ্যে হঠাৎ রিক্সা থেমে যায়। চারপাশে তাকিয়ে দেখে তারা ভার্সিটির গেটের কাছে। রিক্সা থেকে মেনে ভাড়া মিটিয়ে সামনে যাওয়ার জন্য পা বাড়ায়। একটু সামনে যেতেই দেখে ভার্সিটির মাঠে সব ছাত্র ছাত্রীর ভীর। কাইয়ানা ভয় পেয়ে অলির হাত ধরে বলে।

--- এই অলি এতো ভীর কেন কি হয়েছে।

--- তুই যেখানে আমিও তো সেখানে কি হয়েছে দেখার জন্য ভেতরে যেতে হবে চল যাওয়া যাক।

কাইয়ানা অলি ভীর ঠেলে ভেতর যায়। ভেতরে গিয়ে কাইয়ানা স্তব্ধ হয়ে যায়। কাইয়ানা দেখতে পায়। তাইব মাটিতে এক হাটু মুড়ে হাতে একটা রিং নিয়ে নুহা কে প্রপোজ করে। কাইয়ানার কানে তাইবের বলা কথাটা কানে আসলো।

--""তোমাকে প্রথম দেখার পর থেকে, অজান্তেই তুমি আমার প্রতিটি ভাবনায়, প্রতিটি স্বপ্নে জায়গা করে নিয়েছো। আমি জানি না ভবিষ্যৎ কেমন হবে, কিন্তু আমি এটুকু জানি, তোমার হাত ধরে চলতে পারলে, সবকিছুই সহজ মনে হবে। তুমি কি আমার জীবনের সঙ্গী হতে চাও?৷ Will you marry me

নুহা যেন খুশি হয়ে তার হাতটা এগিয়ে দিল সঙ্গে সঙ্গে তাইব নুহার হাতে রিং টা পড়িয়ে দিল। সাথে সাথে সকলের চিৎকার করে উঠলো। কাইয়ানা আর কিছু দেখতে পারলো না তার চোখ বেয়ে নোনাজল গড়িয়ে পড়ছে। কাইয়ানা দাড়াতে পারছে না পা দুটো কেমন ভেঙে আসছে। কাইয়ানা কোন রকম ছুটে চলে যায়। কাইয়ানার হাতের ফুল গুলো মাটিতে পড়ে আছে দূর থেকে কাইয়ানা কে সায়র খেয়াল করছে। কাইয়ানার চলে যাওয়া দেখে অলিও যায় এসময় কাইয়ানার পাশে থাকা অলির প্রয়োজন। তাদের পিছু সায়রও নেয়।

কাইয়ানা চোখের পানি মুছতে মুছতে দৌড়ে যাচ্ছে।

চলবে......

(ভুল গুলো ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন)
For order and price kindly inbox us 📥

অর্ডার কনফার্ম করতে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ ইনবক্স করুন আমাদের পেজে
21/04/2026

অর্ডার কনফার্ম করতে নাম, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ ইনবক্স করুন আমাদের পেজে

For order and details kindly inbox us
21/04/2026

For order and details kindly inbox us


Address

Dhaka

Telephone

+8801679254840

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Elegance and Exclusive posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Elegance and Exclusive:

Share