অপ্সরা

অপ্সরা
সময়ের প্রয়োজনে সবকিছু করতে প্রস্তুত
@প্রফেশনাল শেফ @প্রকৃতি আমার খুবই পছন্দের @ভ্রমণ করা আমার সখ @বই পড়া আমার নেশা।

27/04/2026

✴️যে শিশু বাচ্চাটিকে ফেলে সুর্বনাকে বিয়ে করেছিলেন  # সেই মেয়ের ঘরেই ফরিদীর মৃত্যু হয় - হুমায়ুন ফরিদীর সেই শিশু মেয়েটির দ...
28/11/2025

✴️যে শিশু বাচ্চাটিকে ফেলে সুর্বনাকে বিয়ে করেছিলেন # সেই মেয়ের ঘরেই ফরিদীর মৃত্যু হয় -
হুমায়ুন ফরিদীর সেই শিশু মেয়েটির দেবযানী # হুমায়ুন ফরিদী দেবযানীর মাকে বিয়ে করেছিলেন - ভালোবেসে। কিন্তু হুমায়ন ফরিদী ৪-৫ বছরের শিশু বাচ্চাটিকে এবং তার মাকে তালাক দিয়ে চলে যান সুবর্না মোস্তফার কাছে। তখন দেবযানীর মা অঝরে কেঁদেছিলেন। আর অবুঝ দেবযানী বাবার দিকে চাতক পাখির মতো ফ্যাল ফ্যান করে তাকিয়ে ছিলেন।
দেবযানী তার বাবা হুমায়ন ফরিদীর সেই চলে যাওয়াটা কিছুতেই মেনে নিতে পারেন নাই। সেই দিন অবুঝ দেবযানী ডুকরে ডুকরে কেঁদেছিলেন। প্রতিটি রাত ঘুম থেকে দেবযানী আব্বু বলে চিৎকার দিয়ে উঠতেন। সন্তানের এই ভালোবাসার মুল্য দিতে পারেননি - তৎকালিনীন শক্তিমান হুমায়ুন ফরিদী - একজন পাষান পিতার পরিচয় দিয়েছিলেন। সুর্বনা মোস্তফাকে নিয়ে স্বপ্নের রাজ্যে বসবাস করতেন, কোনও দিন তার শিশু বাচ্চাটি বা সাবেক স্ত্রীকে কোন দিন ঘুরেও তাকায়নি হুমায়ুন ফরিদী।
✴️একটি সময় যখন # সুর্বনা মোস্তফা হুমায়ন ফরিদীকে তালাক দিয়ে নাট্য অভিনেতা সৌউদকে ভালোবেসে বিয়ে করেন, তখন ফরিদী অসহায় ছাতক পাখির মতো সুবর্নার দিকে তাকিয়ে ছিলেন।
সুবর্না ফরিদীর দিকে ঘুরেও তাকায়নি, যেমনটি ফরিদী দেবযানীর মায়ের সঙ্গে করেছিলো - অসহায় অসুস্হ্য ফরিদীকে কেউ দেখার ছিলো না।
তখন রক্তের টানে পিতার সেই ছোট বেলার ৫ টি বছর আদরের কথা ভেবে ( ৫ বছর পর আর বাবাকে পাননি দেবযানী) দেবযানী স্হির থাকতে পারেননি, দেবযানী যখন শুনেছেন - তার ছোট মা সুবর্না তার বাবাকে তালাক দিয়ে ফেলে চলে গেছেন।
তখন দেবযানী তার বাবাকে বুকে টেনে নিয়েছেন, এবং মৃত্যু পর্যন্ত হুমায়ুন ফরিদী মেয়ে দেবযানীর কাছেই ছিলো -
✴️ভাগ্য কতো নির্মম - যে বাচ্চাটিকে ৫ বছর বয়সে ফেলে রেখে - চলে গেলেন প্রেমিকা স্ত্রী সুবর্নার কাছে। সেই সুবর্না অন্য একজন কে ভালোবেসে ফরিদীকে ফেলে চলে যায়।
তাহলে দেবযানীর মাও তো ফরিদীকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন ফরিদীকে - সেও তো ছোট দেবযানীকে ফেলে অন্য কারো হাত ধরে চলে যেতে পারতো -
কিন্তু দেবযানীর মা তা করেনি -
ফরিদীর পরিবারের সকলের প্রতি শ্রদ্ধা সালাম রইল।
স্টীল ছবিতে # হুমায়ুন ফরিদী - তার মেয়ে দেবযানী - দেবযানীর স্বামী এবং দেবযানীর বাচ্চা
🎇 রবিউল ইসলাম রাজ
🎇 চলচ্চিত্র পরিচালক

❤️পুরুষকে পোষা কুকুর ভেবেছেন? 🐕জেনে নিন—সিংহকে শিকল পরানো যায় না! 🦁আপনার রূপ আর অহংকারই আপনাকে ডোবাবে!❤️আপনি কি আয়নার সা...
25/11/2025

❤️পুরুষকে পোষা কুকুর ভেবেছেন? 🐕
জেনে নিন—সিংহকে শিকল পরানো যায় না! 🦁
আপনার রূপ আর অহংকারই আপনাকে ডোবাবে!

❤️আপনি কি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের রূপ দেখে ভাবেন—
যেকোনো পুরুষকে আগুনে পুড়িয়ে ছাই করে দেবেন? 🔥
আপনি কি মনে করেন আপনার স্বামী আপনার কেনা গোলাম?
যাকে ইচ্ছেমতো ধমক দিয়ে, শাসন করে নিজের মুঠোয় রাখবেন?

❤️আপনি কি সেই নারী,
যিনি সারাদিন স্বামীর পরিবারকে নিয়ে ছোবল মারেন
আর ভাবেন—পুরুষ সারাজীবন আঁচলের তলায় বাঁধা থাকবে?

👉 যদি উত্তর হ্যাঁ হয়—তবে এই লেখা আপনার জন্য সতর্কবার্তা।
কারণ আপনি নিজের অজান্তেই নিজের সংসারে আগুন লাগাচ্ছেন।

❤️আপনি যে বশীভূত করার খেলা খেলছেন—
তার শেষে আপনিই হেরে যাবেন।
রূপ, তেজ, অহংকার—সব ভেঙে যাবে একদিন।
আর তখন পাশে দাঁড়িয়ে কাঁদার মতো কাউকে পাবেন না। 😔

✦ বশ করতে গেলে যা হয়

কিছু নারী ভাবে—স্বামীকে শাসন করা মানেই স্মার্টনেস।
• কথায় কথায় অপমান করা
• তার পরিবারকে ছোট করা
• ব্ল্যাকমেইল করা
• সম্পর্ককে অস্ত্র করে রাখা

ওরা ভাবে—এভাবেই নাকি পুরুষকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।
এটাই সবচেয়ে বড় ভুল।

পুরুষ কোনো জড়বস্তু নয়, আর পোষা প্রাণীও নয়।
তাকে শিকল দিয়ে বাঁধা যায় না।
পুরুষ বাঁধা পড়ে শুধু—
মায়ায়, ভালোবাসায়, যত্নে, সম্মানে। ❤️

রাগ, জেদ আর অহংকারের শিকল ছিঁড়তে পুরুষের এক মুহূর্ত লাগে না।

✦ রূপের অহংকার—সবচেয়ে বড় ধ্বংস

আপনি ভাবছেন রূপ আছে?
হাজার পুরুষ পাগল?
স্বামী যাবে কোথায়?

এই অহংকারই একদিন আপনাকে ধ্বংস করবে।

রূপ দিয়ে শুধু বিছানা পর্যন্ত যাওয়া যায়,
কিন্তু পুরুষের মন পর্যন্ত নয়।

✦ বিশ্বের সুন্দরীরাও পারেনি—কেন পারবেন আপনি? 🌎

মেরিলিন মনরো — কোটি পুরুষের স্বপ্ন, তবুও স্থায়ী সম্পর্ক পাননি।
কারণ পুরুষ শান্তির আশ্রয় খোঁজে।

ম্যাডোনা — ক্ষমতাধর, তার বিয়েও টেকেনি।

এলিজাবেথ টেইলর — ৮টি বিয়ে! তবুও স্থায়ী বাঁধন না।

কিম কার্দাশিয়ান — ধনী ও সুন্দরী, কিন্তু সম্পর্ক ধরে রাখতে ব্যর্থ।

ঐশ্বরিয়া রাই — বিশ্বসুন্দরী, তবুও সম্পর্ক ভেঙেছে।

ওরা পারেনি—কারণ রূপ, অর্থ, খ্যাতি যথেষ্ট নয়।
পুরুষকে ধরে রাখে মায়া + সম্মান + শান্তি।

✦ পুরুষের চাওয়া বয়স অনুযায়ী বদলায়

২০–৩০ বছর:
চায় একজন বিশ্বস্ত বন্ধু, স্বপ্নের সাথী, যে সম্মান দেবে।
আপনি কি তাকে সম্মান দেন?

৩০–৪০ বছর:
চাপ, পরিবার, দায়িত্ব—এই সময়ে পুরুষ শুধু শান্তি চায়।
আপনি কি তাকে আশ্রয় দেন, নাকি নতুন যুদ্ধ শুরু করেন?

৪০–৫০ বছর:
সে চায় একটু মায়া, একটু স্নেহ, একটু নিরাপত্তা।
একটি হাত মাথায়—“চিন্তা কোরো না, আমি আছি।”

✦ পুরুষের গোপন আকাঙ্ক্ষা: মা + প্রেমিকা

এটাই এমন সত্য, যা ৯৯% নারী বোঝে না।

দিনে: “মা”
• যত্ন
• খোঁজ-খবর
• ভালোবাসা
• তার পরিবারকে সম্মান
এসব পুরুষের গভীরে লাগে।

রাতে: “প্রেমিকা”
• আকর্ষণ
• উত্তেজনা
• নারীসুলভ আবেদন
এটাই সম্পর্ককে জীবিত রাখে।

যে নারী এই দুই রূপের ভারসাম্য রাখতে পারে,
সে পুরুষকে কোনো শক্তি দিয়েই আলাদা করা যায় না। 💞

✦ এবার নিজেকে প্রশ্ন করুন

আপনি কি করছেন?
স্বামীকে শাসন করছেন? ছোট করছেন?
রূপের দেমাকে সম্পর্ক নষ্ট করছেন?

রূপ ৫–১০ বছর থাকে, চরিত্র থাকে সারাজীবন।
যেদিন রূপ ফিকে হবে—
সেদিন কি অহংকার পাশে থাকবে?

যদি পুরুষ শান্তির খোঁজে বাইরে চলে যায়—
তখন দোষ দিবেন কাকে?

মনে রাখবেন—
পুরুষ যদি মায়ার বাঁধন ছিঁড়ে বেরিয়ে যায়,
তাকে আর ফেরানো যায় না।

আপনার জায়গায় এসে বসে অন্য কোনো
মমতাময়ী, বুদ্ধিমতী নারী।
আর আপনি পড়ে থাকবেন—
রূপ আর অহংকার নিয়ে একা, অন্ধকারে।

✦ শেষ কথা

আজ রাতে আয়নার সামনে দাঁড়ান…
প্রশ্ন করুন—
আপনি কি আপনার স্বামীর রানী, নাকি তার জীবনের বোঝা?

যদি উত্তর ভয় দেখায়—
এখনো সময় আছে বদলানোর। 🌿

নইলে সামনে অপেক্ষা করছে
একটি করুণ পরিণতি… 💔

✴️পুরুষ কেন নারীর শরী,রে,র পাগল—সমাজের এক তিক্ত বাস্তবতাকথাটা শুনতে নেগেটিভ লাগে, প্রায়ই অস্বস্তি তৈরি করে।কিন্তু সমাজে...
24/11/2025

✴️পুরুষ কেন নারীর শরী,রে,র পাগল—সমাজের এক তিক্ত বাস্তবতা

কথাটা শুনতে নেগেটিভ লাগে, প্রায়ই অস্বস্তি তৈরি করে।
কিন্তু সমাজের অন্দরমহলে তাকালে আমরা দেখব—এ প্রশ্নের উত্তর কোনো এক লাইনে মেলে না।
এর ভিতরে আছে মনোবিজ্ঞান, সমাজের কাঠামো, লালন-পালন, দৃষ্টিভঙ্গি, অশিক্ষা, মিডিয়ার প্রভাব—সব মিলে এক জটিল বাস্তবতা।

১. পুরুষকে ছোটবেলা থেকেই “শরীরকেন্দ্রিক” করে তোলা হয়
ছোটবেলা থেকে আমাদের ছেলেদের শেখানো হয় না নারীর সম্মান কী, তার অনুভূতি কী, তার ইচ্ছা-অনিচ্ছা কী।

“নারীর শরীর লুকানোর জিনিস।”
“মেয়েদের শরীর মানেই লজ্জার, গোপনের।”
“না তাকালে নাকি ছেলে কম পুরুষ মনে হয়।”

এই থেকেই পুরুষের মনে নারীকে মানুষ হিসেবে নয়—শরীর হিসেবে দেখার বীজ রোপণ হয়ে যায়।

২. সমাজ নারীর শরীরকে এক রহস্য বানিয়ে রেখেছে
নারীর শরীর নিয়ে শত নিষেধ:

এটা ঢাকো
ওটা পেঁচিয়ে রাখো
এভাবে হাঁটো না
ওভাবে কথা বলো না

যে জিনিস সমাজ যত লুকায়, মানুষ ততই কৌতূহলী হয়।
ফলে বহু পুরুষ নারীর শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে নয়—রহস্য, উত্তেজনা ও নিষিদ্ধ আকর্ষণ তৈরি হয় —ফলে পুরুষের মধ্যে নারীর শরী,র দেখার আকর্ষণ যাগে।

৩. মিডিয়া, সিনেমা, বিজ্ঞাপন পুরুষকে ভুল বার্তা দেয়
আজকের মিডিয়াতে নারী মানেই—
গ্ল্যামার
সৌন্দর্য
শরীরের প্রদর্শন
পুরুষের বিনোদনের উপাদান

সিনেমাতে নায়কের শক্তি দেখাতে নায়িকার শরী--র ব্যবহার করা হয়।
বিজ্ঞাপনে সাবান দেখাতে নারীর শরী"""র, শ্যাম্পু দেখাতে চুল—সবকিছুতেই নারীকে পণ্য বানানো হয়।

ফলে বহু পুরুষের মাথায় বসে যায়—
“নারীর মূল্য = শরী"""""র”

৪. জৈবিক আকর্ষণ থাকলেও সেটাকে নিয়ন্ত্রণের শিক্ষা নেই
পুরুষ নারীর প্রতি জৈবিকভাবে আকৃষ্ট হবে—এটি প্রকৃতি।
কিন্তু সমস্যা তখনই হয় যখন—

আকর্ষণকে সম্মান করা হয় না,
ইচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখানো হয় না,
নারীর ‘না’ এর মূল্য বোঝানো হয় না,
ফলে স্বাভাবিক আকর্ষণ অসভ্য আকর্ষণে রূপ নেয়।

৫. চরিত্রবান পুরুষ কম নয়—কিন্তু সমস্যার উৎস সংখ্যায় নয়, চিন্তায়

সব পুরুষ খারাপ—এ কথা সত্য নয়।
কিন্তু সমাজে এমন একটি মানসিকতা তৈরি হয়েছে যেখানে— নারীর গুণকে নয়, আগে দেখা হয় তার গঠন

চরিত্রের আগে মূল্যায়ন হয় সৌন্দর্যের
সম্মান নয়, প্রাধান্য দেয় কামনাকে
এই চিন্তাভাবনাই আমাদের সমস্যার মূল।

শেষ কথা
পুরুষ নারীর শরীরে"""র পাগল হয়—এটা কেবল প্রকৃতির কারণে নয়, সমাজের তৈরি এক বিকৃত সংস্কৃতি।
যে সমাজে—

সম্মান শেখানো হয় না
নারীকে মানুষ হিসেবে দেখা হয় না
শরী"র"কে রহস্য বানিয়ে রাখা হয়
মিডিয়া নারীকে প""ণ্য হিসেবে উপস্থাপন করে

সেখানে নারীর শরী""র নিয়ে পাগলামি নয়—সম্মানহীনতা, কৌতূহল, কামনা, আধিপত্য—সব মিলিয়ে এক অস্বস্তিকর বাস্তবতা জন্ম নেয়।

মানুষ পরিবর্তন হবে তখনই—
যখন নারীকে শরী"""র নয়, একজন সম্পূর্ণ মানুষ হিসেবে দেখার শিক্ষা ঘর থেকেই শুরু হবে।

#সংগৃহীত ゚ #পরিণতভালবাসা #নারীরজীবন

✴️মহিলাদের কোমরের ব্যথার আসল কারণ: এনেস্থেশিয়া না কি অন্য কিছু? ✴️কম-বেশি সব মহিলাই জীবনে কোনো না কোনো সময় কোমরের ব্যথ...
24/11/2025

✴️মহিলাদের কোমরের ব্যথার আসল কারণ: এনেস্থেশিয়া না কি অন্য কিছু?

✴️কম-বেশি সব মহিলাই জীবনে কোনো না কোনো সময় কোমরের ব্যথায় ভোগেন। বিশেষ করে সিজারিয়ান সেকশন (C-Section)-এর পর এই ব্যথা অনেকের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

✴️অনেকের ধারণা, সিজারের সময় দেওয়া এনেস্থেশিয়া (ইনজেকশন) এর কারণেই মূলত এই কোমর ব্যথা হয়। ছবিটিও এই ধারণার দিকে ইঙ্গিত করছে, কিন্তু বাস্তব সত্যটা কী? 🤫
আসল কারণগুলো জানুন: এনেস্থেশিয়া নাকি ঘাটতি?

✴️আধুনিক গবেষণা ও চিকিৎসকদের মতে, সিজারের সময় Spinal/Epidural এনেস্থেশিয়া-র কারণে কোমরের যে সামান্য ব্যথা হয়, তা সাধারণত অস্থায়ী এবং কয়েক দিন বা সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। দীর্ঘস্থায়ী কোমর ব্যথার জন্য নিচের কারণগুলো অনেক বেশি দায়ী:

✴️ ক্যালসিয়াম (Calcium) এবং ভিটামিন ডি (Vitamin D) এর ঘাটতি: এটিই হলো মূল কারণ! গর্ভাবস্থায় এবং প্রসবের পর শিশুর জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগান দিতে গিয়ে মায়ের শরীরে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি-এর বিশাল ঘাটতি হতে পারে। এই ঘাটতি হাড় ও পেশিকে দুর্বল করে দেয়, যার ফলস্বরূপ কোমর ব্যথা আরও বাড়ে।

✴️হরমোনের পরিবর্তন: গর্ভাবস্থায় Relaxin নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয়, যা প্রসবের সুবিধার জন্য জয়েন্ট ও লিগামেন্টগুলোকে শিথিল করে দেয়। প্রসবের পরেও এই প্রভাব কিছুকাল থেকে যায়, যা কোমর ব্যথার সৃষ্টি করে।

✴️ দুর্বল পেটের (Core) পেশি: গর্ভাবস্থায় পেটের পেশিগুলো প্রসারিত ও দুর্বল হয়ে যায়। এই দুর্বল পেশি মেরুদণ্ডকে সঠিকভাবে সমর্থন দিতে পারে না, ফলে কোমরের উপর চাপ বাড়ে।
✴️ সন্তানের যত্ন ও ভঙ্গি (Posture): শিশুকে কোলে নেওয়া, স্তন্যপান করানো বা ডায়াপার পরিবর্তনের সময় ভুল ভঙ্গিতে থাকার কারণেও কোমর ব্যথা বাড়ে।

আপনার জন্য করণীয় কী?

১. ☀️ পর্যাপ্ত ভিটামিন ডি: নিয়মিত সকালে হালকা রোদে থাকুন।

২.🥛 সঠিক খাবার: ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার (দুধ, ডিম, মাছ, পনির) খাদ্য তালিকায় রাখুন।

৩. 💪 হালকা ব্যায়াম: ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে হালকা স্ট্রেচিং এবং কোর মাসলের শক্তি বৃদ্ধির ব্যায়াম করুন।

৪.🤱 সঠিক ভঙ্গি: শিশুকে খাওয়ানো বা কোলে নেওয়ার সময় সঠিক ভঙ্গি বজায় রাখুন এবং পিঠের নিচে সাপোর্ট (বালিশ) ব্যবহার করুন।

কোমর ব্যথা একটি গুরুতর সমস্যা হতে পারে। তাই যদি ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা দৈনন্দিন কাজে অসুবিধা সৃষ্টি করে, তাহলে অবশ্যই একজন চিকিৎসক বা ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।
এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি সকলের জানা প্রয়োজন।

আপনার একটি শেয়ার হয়তো অনেক মায়ের উপকার করতে পারে! 🙏

✴️স্বাস্থ্য পরামর্শদাতামোঃ হানজালা হোসেন মাইক্রোবায়োলজি বিশেষজ্ঞ ওনার ফেইসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত

 #বিরিয়ানি_মশলা_রেসিপিউপকরনঃ কাশ্মিরী লাল মরিচ- ৫টিগোটা ধনে- ৩ টেবিল চামচ তেজপাতা- ৫টিজিরা- ১ টেবিল চামচশাহি জিরা- ১ টেব...
14/11/2025

#বিরিয়ানি_মশলা_রেসিপি

উপকরনঃ
কাশ্মিরী লাল মরিচ- ৫টি
গোটা ধনে- ৩ টেবিল চামচ
তেজপাতা- ৫টি
জিরা- ১ টেবিল চামচ
শাহি জিরা- ১ টেবিল চামচ
জয়ত্রী- ১ টেবিল চামচ
দারুচিনি- ২ স্টিক
লবঙ্গ- ১ চা চামচ
বড় এলাচ- ৩টি
স্টার আনিস- ২টি
গোটা গোলমরিচ- ১ টেবিল চামচ
ছোট এলাচ- ১০টি
জয়ফল গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ।

প্রনালিঃ
শুকনো কড়াইতে গোটা মশলাগুলো ড্রাইরোস্ট করে নিতে হবে। প্রথমে কড়াইতে তেজ পাতা ও শুকনো লঙ্কা কেটে কেটে ফেলে দিন। কম আঁচে রেখে নাড়াচাড়া করতে থাকুন। রঙ বদলাতে শুরু করলে এই দুটো উপাদান নামিয়ে নিন। এবার ওই কড়াইতে এবার দিন দারুচিনি, জয়ত্রী ,লবঙ্গ , ছোট এলাচ, স্টার অ্যানিস, গোটা গোলমরিচ ও বড় এলাচ। এগুলোও কম আঁচে রেখে নাড়াচাড়া করুন। মশলা ভাজা হয়ে গেলে নামিয়ে নিন।

আবার ওই কড়াইতে গোটা জিরে, গোটা ধনে, শাহি জিরে ও মৌরি দিয়ে ভেজে নিন। এই মশলাগুলো ভাজা হয়ে গেলে সব মশলা গুলোকে ঠান্ডা করে এক সঙ্গে মিশিয়ে দিন। এবার এই মশলাগুলো ব্লেন্ডারে দিয়ে গুঁড়ো করে নিন। মশলা গুঁড়ো হয়ে গেলে এতে জায়ফল গুঁড়ো মিশিয়ে দিন। এবার একটি কাঁচের জারে বা কৌটোতে মশলাটা রেখে দিন। যে পাত্রে রাখবেন সেটা যেন শুষ্ক হয়। আর সূর্যালোকে যেন না আসে মশলাটা, সেই দিকে খেয়াল রাখুন।

 #তবুও_যদি_শিক্ষা_হয়!💠 ঘটনা - ১ইন্টারভিউ টেবিলের স্যার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর, ভারী গলায় বললেন - বাহ! তোমার সার্ট...
08/10/2025

#তবুও_যদি_শিক্ষা_হয়!

💠 ঘটনা - ১
ইন্টারভিউ টেবিলের স্যার কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর, ভারী গলায় বললেন - বাহ! তোমার সার্টিফিকেট তো বেশ ভালো! তোমাকে আর প্রশ্ন করতে চাচ্ছি না। ধরে নাও তুমি চাকরিটি পেয়ে গেছো। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বড় স্যারকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে টাকাটা জমা করে দাও। তারপর তোমার নিয়োগ হবে। ছেলেটি ইন্টারভিউ রুম থেকে বের হয়ে বাড়িতে এসে তার বাবাকে জানালো, ৫ লাখ টাকা না হলে তার চাকরিটা হবে না। গ্রামের সহজ সরল বাবা নিজের ছেলের চাকরির জন্য ভিটা বাড়ি বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা জোগাড় করলেন। তারপর বড় স্যারকে উপহার হিসেবে ৫ লাখ টাকা দিয়ে ছেলেটি চাকরি পেয়ে গেলো।

💠 ঘটনা - ২
আজ বড় স্যারের ছেলের জন্মদিন। বাড়িতে বিশাল পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বাড়িতে ঢুকেই তার ছেলের নাম ধরে ডাকতে শুরু করলেন। ছেলে কাছে আসতেই বড় স্যার “হ্যাপি বার্থডে মাই সান” বলতে বলতে ছেলের হাতে ৫ লাখ টাকার বাইকের চাবি তুলে দিলেন। বাইক পেয়ে ছেলেটি খুশিতে আত্মহারা হয়ে বাবাকে জড়িয়ে ধরে চিৎকার দিয়ে বললো - আমার বাবা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বাবা।

💠 ঘটনা - ৩
বড় স্যারের ছেলে আজ বাইক নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছে ঘন্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগে রাজপথে ছুটে চলেছে বাইক। হঠাৎ ট্রাকের সাথে ধাক্কা সবকিছু থেমে গেলো। বড় স্যারের ছেলেকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হলো হাসপাতালের বড় ডাক্তার সাহেব জানালেন আপনার ছেলের অবস্থা ভালো না, খুব জটিল একটা অপারেশন করাতে হবে, কাউন্টারে ১০ লাখ টাকা জমা করে দিন। বড় স্যার কোনও উপায় না দেখে মেয়ের বিয়ের জন্যে ব্যাংকে জমিয়ে রাখা টাকাটা কাউন্টারে জমা করে দিলেন।

💠 ঘটনা - ৪
বড় ডাক্তার সাহেব আজ খুব খুশি। ৩-৪ লাখ টাকার অপারেশনের জন্য ১০ লাখ টাকা নিয়েছেন, পুরোটাই লাভ। খুশিতে তিনি তার একমাত্র মেয়ের জন্য স্বর্ণের নেকলেস কিনে বাসায় ফিরলেন। বাসায় ঢুকেই তিনি তার কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে মামুনি মামুনি বলে ডাকতে শুরু করলেন। ডাক্তার সাহেবের বউ কাঁদতে কাঁদতে বললেন, তাদের মেয়ে এখনও বাসায় ফেরেনি। বড় ডাক্তার সাহেব তার মেয়েকে অনেক খোঁজাখুঁজি করলেন, কোথাও কোনও খোঁজ না পেয়ে তিনি যখন দিশেহারা হয়ে পড়লেন, ঠিক তখনই অপরিচিত এক নাম্বার থেকে ফোন এলো। ফোনেও ঐ প্রান্ত থেকে জানালো, আপনার মেয়ে আমাদের কাছে, মেয়েকে ফেরত পেতে হলে মুক্তিপণ হিসেবে ২০ লক্ষ টাকা দিতে হবে। কথাটা শুনে বড় ডাক্তার সাহেবের স্ত্রী স্ট্রোক করলেন।

⚫🔴 শিক্ষাঃ আপনি অতীতে যা করেছেন, বর্তমানে যা করছেন, ভবিষ্যৎ তার চেয়েও ভয়ঙ্কর রূপে আপনার কাছে ফিরে আসবেই।।

প্রত্যেক ক্রিয়ার-ই একটা সমান ও বিপরীতমূখী প্রতিক্রিয়া আছে।
(নিউটনের গতিবিষয়ক তৃতীয় সূত্র)
সুতরাং সময় থাকতেই সাবধান হোন।
সৎ পথে চলার অভ্যাস করুন।(Collected)

তোমাকে সুপার মা, সুপার স্ত্রী, সুপার মেয়ে, সুপার গৃহিণী, সুপার পেশাজীবী, সুপার নারী হতে হবে না।কারণ যখন তোমার শরীর ভেঙে...
06/10/2025

তোমাকে সুপার মা, সুপার স্ত্রী, সুপার মেয়ে, সুপার গৃহিণী, সুপার পেশাজীবী, সুপার নারী হতে হবে না।
কারণ যখন তোমার শরীর ভেঙে পড়বে, তখন খুব অল্প মানুষই মনে রাখবে যে তুমি একসাথে সবকিছু হতে চেয়েছিলে।

তাই ঘরটাকে পরে গুছিয়ে নাও, হাঁটতে বের হও, পার্কে যাও, জিম শুরু করো, নিজের জন্য আইসক্রিম কিনে খাও, বিউটি স্যালুনে যাও, যেসব পোশাক তোমার ভালো লাগে তা পরো, নিজের হও, নিজের যত্ন নাও, নিজেকে ভালোবাসো—আর এসব করো কেবল নিজের জন্য।

ছেলে/মেয়ে বড় হবে, স্বামী অনেক সময় ছেড়ে চলে যায়, চাকরিতে দ্রুত বদলি এসে যায়, ঘর আবার নোংরা হয়ে যায়—কিন্তু তুমি, তুমি হয়তো দ্বিতীয় সুযোগ পাবে না ❤️

©️

টিভির শব্দে কেটে গেল ৩ বছর, কিন্তু কেউ জানলো না তিনি মৃত! 💔 আধুনিক নিঃসঙ্গতার এক ভয়ঙ্কর গল্প।উত্তর লন্ডনের একটি ফ্ল্যাট...
06/10/2025

টিভির শব্দে কেটে গেল ৩ বছর, কিন্তু কেউ জানলো না তিনি মৃত! 💔 আধুনিক নিঃসঙ্গতার এক ভয়ঙ্কর গল্প।

উত্তর লন্ডনের একটি ফ্ল্যাটে, জয়েস ক্যারল ভিনসেন্ট নামে এক নারী ২০০৩ সালের ডিসেম্বরে স্বাভাবিকভাবেই মারা যান বলে ধারণা করা হয়। তার চারপাশে জীবন ছিল প্রায় স্বাভাবিক—টেলিভিশন চলছিল, আর ক্রিসমাসের খোলা না হওয়া উপহারগুলো পড়ে ছিল।

কিন্তু সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো, প্রায় তিন বছর ধরে কেউ তার মৃত্যুর খবর জানতে পারেনি! স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক থেকে ভাড়া পরিশোধ হওয়ায় এবং পরিবার ও বন্ধুদের সাথে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায়, কেউ তাকে খুঁজতেও আসেনি।

অবশেষে, ২০০৬ সালের ২৫শে জানুয়ারি, ভাড়া বকেয়া থাকার কারণে কর্মকর্তারা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং তার কঙ্কাল আবিষ্কার করেন। তখনও ফ্ল্যাটের টেলিভিশনটি চলছিল!

লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়ে ভরা এক শহরে জয়েসের এই নিঃশব্দ মৃত্যু আধুনিক সামাজিক বিচ্ছিন্নতার এক মর্মান্তিক প্রতীকে পরিণত হয়েছে। এই ঘটনাটি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়, মানুষের পারস্পরিক সংযোগ কতটা ভঙ্গুর হতে পারে, এবং কীভাবে একজন মানুষ সবার অলক্ষ্যে পুরোপুরি হারিয়ে যেতে পারে। 😔



ময়লা নেয়ার জন্য কলিংবেল দিলো। আমি দরজাটা খুলতেই ছেলেটিকে দেখে বিস্মিত হয়ে  যাই। গতকাল ময়লার ঝুড়িতে আমার এই টি শার্টটি ফে...
06/10/2025

ময়লা নেয়ার জন্য কলিংবেল দিলো। আমি দরজাটা খুলতেই ছেলেটিকে দেখে বিস্মিত হয়ে যাই। গতকাল ময়লার ঝুড়িতে আমার এই টি শার্টটি ফেলে দেই। বেশ পুরোনো হয়ে গেছে। কিন্ত এটা ওর গায়ে দেখে আমার আর বুঝতে বাকি রইলো না। আমি

জিজ্ঞেস করলাম তুমি এটা কোথায় পেয়েছো? ও জানালো ভাই ময়লার ভ্যানে। সে নাকি এটা বাসায় নিয়ে ধুয়ে আজ পরেছে। আমি জাস্ট ওর সামনেই কেঁদে দিলাম নির্লজ্জের মত। আমার

নিজের কাছে নিজেকে লজ্জিত মনে হচ্ছিলো। ভাল একটা বাইক নাই আমার তাই কদিন ধরে আমার মন খারাপ। যাইহোক আমি ওকে বললাম তুমি এখানে দাড়াও। আমি রুমে গিয়ে আমার অনেকগুলো ভাল শার্ট প্যান্ট ওকে দিয়ে দিলাম। আমার ইচ্ছা করতেছিলো আলমারির সব ওরে দিয়ে দেই।🥺
Collected

Address

House/32/2, Road/10, Garision, Dhaka Cantonment, Dhaka-
Cantonment
1206

Telephone

+8801911788479

Website

https://www.instagram.com/nihansmrity/profilecard/?igsh=dmxxdWM5aTdtOWRj, https://youtub

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অপ্সরা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share