17/09/2026
একটা বিষয় নিয়ে কথা না বলে আর পারলাম না। দুই তিন দিন ধরে যখন বিভিন্ন ধরনের জুয়েলারি দেখেন, চুজ করেন তারপর অর্ডার কনফার্ম করেন। তারপর যখন প্রোডাক্টটি ডিসপ্যাচ করা হয় আর ডিসপ্যাচ করার পর যখন কুরিয়ার থেকে কাস্টমারের কাছে পার্সেল এন্ট্রি মেসেজ যায় আর তখন ক্যানসেল করার যে ব্যাপারটা এই জিনিসগুলো আর নেয়া যাচ্ছে না।
দেখেন আমার পেজে না মডারেটর আছে, না আমার কোন হেলপিং হ্যান্ড আছে আমাকে হেল্প করার জন্য। যা করতে হয় সবকিছু আমার একারই করতে হয়। সেক্ষেত্রে একটা কাস্টমারকে ২-৩ দিন ধরে নানান রকম জুয়েলারির ছবি পাঠানো, প্রাইজ বলা, যথেষ্ট সময় এক এক করে তাদের দিতে গিয়ে আরো দশটা কাস্টমারকে আমার হোল্ডে রাখতে হয়। তাদেরকে মেসেজ এর রিপ্লাই আমার লেট করে দিতে হয়। সময়ের মূল্য তো সবারই আছে তাই না।
তাও আবার প্রোডাক্ট অর্ডার করার পর দিনই যারা ডেলিভারি চান তাদের প্রোডাক্ট কষ্ট করে হলেও সময়মতো দেওয়ার চেষ্টা আমি করি। আর যদি ঢাকার বাইরে হয় সে ক্ষেত্রে আমি যতোটুকু সময় না হলেই না ততটুকু সময় আমি চেয়ে নেই ইমারজেন্সি ডেলিভারির জন্য। যেহেতু কুরিয়ার এর ব্যাপার তাই সব সময় এক্স্যাক্ট টাইম বলা যায় না। তারপরেও যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে প্রোডাক্ট পাঠাই কুরিয়ারে তাই আমাদেরও একটা টাইমের অভিজ্ঞতা আছে যে কতটুকু সময় ঢাকার বাইরে লাগতে পারে সেই রকম সময় আপনাদের থেকে আমি নিয়ে থাকি। আর সেই নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরেই ইনশাল্লাহ ডেলিভারি হয়ে যায়।
সবকিছু ক্লিয়ার করে বলার পরেও আপনারা যারা প্রচুর পরিমাণের প্রেসার দিতে থাকেন যে আপনাদের দেয়া নির্দিষ্ট ডেটেই ডেলিভারি দিতে হবে সেভাবেও আমি চেষ্টা করি ডেলিভারি দেওয়ার জন্য। কিন্তু যখন ডিসপ্যাচ করা হয় তখন আপনারা কনফার্মেশন মেসেজ পেয়ে অনেকেই অর্ডার ক্যানসেল করে দেন এই কাজগুলো করে আপনারা কি ধরনের শান্তি পান আমাকে কি একটু বলবেন??
আপনারা কি বুঝেন একটা পার্সেল রেডি করা থেকে ডিসপ্যাচ করা পর্যন্ত একটা মানুষের কি পরিমাণ পরিশ্রম করতে হয় তার ওপর সেটা যদি হয় ঢাকার বাহিরে ইমারজেন্সি পার্সেল। সেই ইমারজেন্সি পারসেল এর কাষ্টমারেরা যখন পার্সেল ডিস্প্যাচ করার পর বলে ক্যান্সেল করে দেন আমি নিব না তখন কি পরিমাণ কষ্ট যে লাগে সেটা বোঝানোর ক্ষমতা হয়তো আমার হয়নি।
এখন থেকে ঢাকার বাহিরের ইমারজেন্সি অর্ডার আর নিবো না। যদি কারো খুব বেশি প্রয়োজন থেকে থাকে তাহলে ৫০% এডভান্স মাষ্ট করতে হবে ঢাকার বাহিরের ইমারজেন্সি পারসেল এর ক্ষেত্রে।