Balika by Dr.Omi

Balika by Dr.Omi a doctor,artist,booklover,animal lover and ofcourse an antisocial sociopath ❤️💕

স্কিনকেয়ারের পরামর্শ দিতে যেয়ে দেখলাম বেশিরভাগ নারীরা ইনফ্লুয়েন্সার বা ছোট ছোট রিলস দেখে যেভাবে যা খুশি মেখে যাচ্ছে।যেটা...
17/05/2026

স্কিনকেয়ারের পরামর্শ দিতে যেয়ে দেখলাম বেশিরভাগ নারীরা ইনফ্লুয়েন্সার বা ছোট ছোট রিলস দেখে যেভাবে যা খুশি মেখে যাচ্ছে।যেটার প্রয়োজন তার নেই।

তবে সাদা ফর্সা হওয়ার কোনো কিছু আমি জানিনা।আমি স্কিন এর সমস্যা অনুযায়ী সেটা ভালো রাখার কিছু কমন কেমিকেল ও সেগুলোর কাজ একসাথে বলে দিচ্ছি।তাতে নিজেরা কিছুটা বুঝতে পারবেন ক্রিম,সিরাম,লোশন ব্যবহার করার জন্য যে কোনটাই আপনার বেশি উপকার হবে।

(হোমমেড ক্রিম/পাকিস্তানি ক্রিম/অর্গানিক ক্রিম এগুলো সম্পর্কে আমাকে জিজ্ঞেস করে লাভ নেই)

১.স্যালিসাইলিক এসিড - ব্রনযুক্ত ত্বকের জন্য।অতিরিক্ত ব্যবহারে স্কিন এ জ্বালাপোড়া বাড়বে।

২.কোজিক এসিড- দাগ ছোপ কমানোর জন্য।অতিরিক্ত ব্যবহারে স্কিন ড্রাই হবে।

৩.ভিটামিস সি- ব্রাইটনেস বাড়ায়।হোয়াইটনেস না।ত্বক এর ছোপছাপ দূর করে সমানভাবে একি রঙ আনে সব জায়গায়।
দিনের বেলায় ব্যবহার ভালো।

৪.গ্লাইকোলিক এসিড - মরা চামড়া উঠাতে,পোর পরিষ্কার রাখে।এতে দাগ ছোপ কিছুটা কমে।

৫.ট্রেটিনয়েন-বয়সের ছাপ,বলিরেখা কমাতে,দাগ ছোপ কমাতে সাহায্য করে।

৬.রেটিনল- বলিরেখা ও দাগ ছোপ কমাতে সাহায্য করে।
(ট্রেটিনয়েন ও রেটিনল রাতে ব্যবহার করতে হয়।দিনে আরও ক্ষতি হয়)

৭.হায়ারোলুনিক এসিড- স্কিন রিপেয়ার করে।জ্বালা পোরা কমায়।স্কিন ব্যারিয়ার ঠিক করে।

৮.সিকা(cica)- ব্রণযুক্ত স্কিনের জন্য ভালো।

৯.পেপ্টাইড- বয়সের ছাপ কমায়,স্কিন রিপেয়ার করতে সাহায্য করে।

১০. aha,bha - স্কিন এর চামড়া উঠিয়ে ব্রাইটনেস বাড়াতে ও দাগছোপ কমাতে সাহায্য করে।

১১.নায়াসিনামাইড- দাগ ছোপ কমাতে,পোর ছোট করতে সাহায্য করে।

এর বাইরেও আরও অনেক কিছু আছে।লিখতে ইচ্ছা করেনা আর আজকে।

এখনের এফোর্ডেবল ব্রান্ডের মধ্যে dot & key,wishcare, chemist at play এগুলো বেশ ভালো।

***এখন নিজের সমস্যা বুঝে সেই ক্যামিকেলযুক্ত প্রডাক্ট ব্যবহার করবেন।কে কি ব্যবহার করে কেমন হলো সেটা দেখার ব্যাপার না।

***একসাথে অনেকগুলো প্রডাক্ট ব্যবহার করবেন না।বিশেষ করে এসিডগুলো,টেট্রিনয়েন,রেটিনল ইত্যাদি।এবং প্রতিদিন না।স্কিন ফেটে জ্বলে উঠে আরও বাজে অবস্থা হবে।

***বারবার মুখ সাবান/ফেসওয়াশ দিয়ে ধোবেন না।স্কিনের ন্যাচারাল স্ট্রাকচার ও ব্যারিয়ার নষ্ট হয়ে যায়।

***ফেসবুকে বা অনলাইনে আমি কোনো প্রেসক্রিপশন বা এডভাইস দেইনা।ফ্রি তে আমি চিকিৎসা দেইনা।ধন্যবাদ।

জনপ্রিয় ভ্লগার কারিনা কায়সার মৃত্যুবরণ করেছেন।ইন্না-লিল্লাহ।কিন্তু ফেসবুক বাংগু মুসলমান জাতি যেভাবে তার জীবিত থাকা অবস্থ...
16/05/2026

জনপ্রিয় ভ্লগার কারিনা কায়সার মৃত্যুবরণ করেছেন।ইন্না-লিল্লাহ।

কিন্তু ফেসবুক বাংগু মুসলমান জাতি যেভাবে তার জীবিত থাকা অবস্থার পাপ খুটিয়ে খুটিয়ে বের করছে,নিশ্চিত জাহান্নামী বানাচ্ছে ও সুবহানাল্লাহ বলছে।আনন্দে উল্লাসে মেতে উঠছে।

তাতে মনে হচ্ছে,ফেসবুক বাংগু মুসলমান জাতির মত নিষ্পাপ তো ফেরেশতারাও না।১০০% জান্নাতের টিকিট হাতেও না,মাথায় লিখে নিয়ে ঘুরতেছে।

যাক তারা যা করে করুক।এসব কখনোই আমার ইসলাম করতে বলেনাই।মুসলমান দূরে থাকুক।অমুসলিমদের সাথেও না।এবং রাসুল (সা) এর শিক্ষা না।

প্রমাণ স্বরুপ শুধু দুটা হাদীস দিচ্ছি,

১.সাহল ইবনে হুনাইফ ও কায়েস ইবনে সা‘দ (রা.)-এর পাশ দিয়ে একটি জানাজা যাচ্ছিল, তখন তারা দাঁড়িয়ে গেলেন। লোকেরা বলল, “এটি তো অমুসলিম (যিম্মি) ব্যক্তির জানাজা।” তারা বললেন, “একবার নবী ﷺ-এর পাশ দিয়ে একটি জানাজা যাচ্ছিল, তিনি দাঁড়িয়ে গেলেন। তখন বলা হলো, ‘এটি তো এক ইহুদির জানাজা।’ তিনি বললেন,
‘সে কি একটি প্রাণ (মানুষ) নয়?’”

রেফারেন্স:
বুখারি— হাদিস নং 1312
মুসলিম— হাদিস নং 961

২.তোমরা মৃতদের গালি দিও না। কারণ তারা যা পাঠিয়েছে (আমল করেছে) তার ফলাফলে পৌঁছে গেছে।

রেফারেন্স:
বুখারী — হাদিস নং 1393

এখন ভেবে দেখুন এই ফেসবুক বাংগু মুসলমানরা কার উম্মত? আর কোন ইসলাম পালন করে?

সত্যিকারের ইসলাম তো না,সত্যিকারে রাসুল(সা) এর উম্মত তো না।এতটুক নিশ্চিত।আর আমরা এদের কথা শুনে আর পড়ে এত প্রভাবিত হই ইসলাম নিয়ে।নিজেরা একটু জানা ও বোঝার চেষ্টা করিনা।

এই পোস্ট আমি দিয়েছিলাম প্রায় এক বছর আগে।রাগে,দুক্ষে,জেদে।এক বছর শেষ হওয়ার আগেই এ বছর হামে বাচ্চাদের মৃত্যু নিয়ে হাহাকার ...
14/05/2026

এই পোস্ট আমি দিয়েছিলাম প্রায় এক বছর আগে।রাগে,দুক্ষে,জেদে।এক বছর শেষ হওয়ার আগেই এ বছর হামে বাচ্চাদের মৃত্যু নিয়ে হাহাকার লেগে গেছে।নতুন সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও সামাল দিতে পারছেনা।সামনের দিনগুলো দেখুন আরও কি কি দেখতে হয়।

তাও এখনো মহিলাদের মন্তব্য পাই,"কই টিকা না নিয়েও তো কত জন জীবনে ভালো আছে"

তবে আমার স্বামী আমাকে ভালো একটা জিনিস শিখিয়েছে।কাউকে কিছু বুঝাতে না যাওয়া।কারণ যে নিজে বুঝেনা,সে কোনোদিনই কিছু বুঝবেনা।

এজন্য আমিও আজকাল সহজে উত্তর দেই,"হ্যা ব্রেন ছাড়াও তো কত মহিলা জীবনে দিব্যি ভালো আছে।"

আগে বাচ্চাদের কেউ EPI ভ্যাক্সিন দিতে না চাইলে বুঝাতে চেষ্টা করতাম।

এখন করিনা।উলটা আরো বলি, "ঠিক ঠিক।এগুলো পশ্চিমা-ইহুদীদের ষড়যন্ত্র।মুসলমানদের সংখ্যা ও শক্তি কমানোর জন্য।এগুলো আমাদের উপর পরীক্ষা করে।আমাদের মেরে ফেলার জন্য।বাচ্চাকাচ্চা যাতে না হয়,আমাদের বুদ্ধি কমে যায় ব্লা ব্লা"

তারা খুবই খুশি হয়ে যায় আমার উপর।

আর আমি চাই ভ্যাক্সিন না দিয়ে বাচ্চাগুলা মরুক।আশেপাশে আরও কয়েকটাকে নিয়ে মরুক।বাবা মায়ের শিক্ষা হোক।দেশে ছাগু-গাধা-শিম্পাঞ্জি অনেক বেশি বেড়ে গেছে।সংখ্যা কমার দরকার আছে।

প্রশ্ন হতে পারে,বুঝলেন কিভাবে এই বাচ্চাগুলো বড় হয়ে ছাগু-গাধা-শিম্পাঞ্জিই হত?!

উত্তর- যাদের বাবা-মা এত বড় ছাগু-গাধা-শিম্পাঞ্জি।সেই জেনেটিক্স ও পরিবেশ নিয়েই তো এই বাচ্চাগুলা বড় হবে।তো মানুষ আর হবে কিভাবে?!
হবে তো সেই পাল পাল ছাগু-শিম্পাঞ্জির দল।

***EPI লাইভ সেভিং ভ্যাকসিন যেগুলো বাচ্চাদের জন্মের পর থেকে দেওয়া হয়(টিবি,টিটেনাস,ডিপথেরিয়া,পোলিও,রুবেলা,মিসলস,হেপাটাইটিস,মেনিনজাইটিস ইত্যাদি)***

পেজের নামে আমার নাম "অমি" থাকায় কয়েকদিন আগে এক নারী বললো আমি হিন্দু।ইসলাম নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই।তার আগে আরেকজন পুরুষ ...
14/05/2026

পেজের নামে আমার নাম "অমি" থাকায় কয়েকদিন আগে এক নারী বললো আমি হিন্দু।ইসলাম নিয়ে কথা বলার অধিকার নেই।

তার আগে আরেকজন পুরুষ বললেন আমি মুসলমান ও ইসলাম নিয়ে পড়াশোনা করেছি পেজ দেখে বোঝা যায়না।

(অবশ্য এজন্যই আমি ধর্ম নিয়ে কথা বলিনা।ইসলাম নিয়ে তো অবশ্যই না।)

তবে সবাইকে জানানোর জন্য যে,আমি একদমই নিয়মিত নামাজ,রোজা,হজ,যাকাত পালনকারী একজন সুন্নী ও হানাফি তরিকার মুসলমান।

কিন্তু আমি ইসলামের সুফীবাদের প্রতি দূর্বলতা রাখি বেশি ১০ বছর ধরে।কিন্তু মূল যে কিছু ভিত্তি সেগুলোর মধ্যে ৪ টার প্রতি।পুরো সুফীবাদ না।

-শুধুমাত্র আল্লাহ ও রাসুল(সা) কে ভালোবাসা।

-বাহ্যিক ইবাদাত নামাজ,রোজা,হজ,পর্দা,যাকাতের সাথে সাথে সমানভাবে গুরুত্ব দেই নিজের আত্মশুদ্ধির দিকে।যেমন নিজেকে দুনিয়ার লোভ ও মোহ থেকে দূরে রাখা।হিংসা,শো অফ,ঘৃণা,অহংকার ইত্যাদি থেকে নিজের মনকে পরিষ্কার করা

যেমন-আমার কাছে নিকাবসহ পর্দা সহীহ নাকি নিজাব ছাড়া পর্দা সহীহ এই নিয়ম পালন ও তর্কের চাইতে বেশি জরুরী নিজের ভেতরের হিংসাকে নষ্ট করা।

অন্যকে ধর্মের উপদেশ দেওয়ার চাইতে আমি একটা প্রানীকে এক বেলা খাবার দেওয়া বেশি জরুরী মনে করি।

অন্যকে পর্দা বা নামাজ নিয়ে খোটা দেওয়ার আগে আমি নিজে কতটুক অহংকার করেছি সেটা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ চিন্তা।

কতটা পর্দানশীন আমি ফেসবুকে দেখানোর চাইতে ২ রাকাত নফল নামাজ ও দুনিয়ার প্রতি লোভ কমানো বেশি দরকারী আমার কাছে।

-প্রচুর পরিমানে আল্লাহকে স্মরণ করা।আমি এটা করি।প্রচুর পরিমানে জিকির ও তেলাওয়াত।

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ আমাকে যে পেশায় রেখেছেন ও যেভাবে রেখেছেন আমি একা থাকার দীর্ঘ সময় পাই।আমার বিবাহিত জীবনেও আলহামদুলিল্লাহ খুবই ছোট পরিবার দিয়েছেন।আমি তাই আল্লাহকে স্মরণ করার,জিকির করার প্রচুর সময় পাই।

-জ্ঞানচর্চা করা।সুফীজমের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো জ্ঞানের চর্চা।শুধু ইবাদত ও আত্মশুদ্ধি না।এবং জ্ঞান বলতে শুধু ইসলামিক জ্ঞান না।মানবকল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় সব জ্ঞান।

যেসব মহান মুসলমান বিজ্ঞানীদের আমরা রেফারেন্স দেই ইবনে সিনা,রুমি,আল খোয়ারিজমি,আল বিরুনি এরা সবাই কম বেশি সুফী দর্শন মানতেন।

তবে “সুফীবাদ” একক কোনো জিনিস না।এর ভেতরে বহু ধারা ও ব্যাখ্যা আছে।এজন্য আমি পুরোপুরি সুফীবাদ মানি সেটা বলা যাবেনা কোনভাবেই।

তবে আমি নিজেকে যতভাবে ভালো মুসলমান বানানো যায় আল্লাহর কাছে সেটা করার চেষ্টা করি।দুনিয়ার কাছে ভালো হই বা না হই।

***আমাকে আক্রমণ করার একটা জিনিসই পায় সবাই।আমি পর্দা করিনা।হ্যা এটা আমার পাপ আমি জানি।আমি চাই এটাও আল্লাহ আমাকে করার সক্ষমতা দেক একদিন।

কিন্তু না আমি অশ্লীল পোশাক পরি, আমি নিত্যদিন সাজগোজ করি।পর্দার সবচাইতে মূল কথা হলো নিজের দিকে আকর্ষণ না করা।সেটা করার আমি বহুদিন থেকে আপ্রাণ চেষ্টা করি।আমি নম্র গলায় পুরুষদের সাথে কথাও বলিনা।

কিন্তু আমার দিকে আংগুল তোলার আগে মনে রাখা ভালো যে কারো দিকে একটা আংগুল তুললে বাকি ৪ টা নিজের দিকে যায়।

অন্যের পাপের আগে নিজের পাপ হিসাব নেওয়া বেশি ভালো।কারণ আল্লাহর সামনে যার উত্তর সে দেবে।অন্য কেউ না।কিছুই গোপন থাকেনা,থাকবেনা।নিয়ত পর্যন্ত না।****

আমার কাস্টমার আপুরা অনেকেই জিজ্ঞেস করে আমি আর কাজ করবোনা? মানে ব্যবসা? না,আমি আর ব্যবসা হিসেবে কাজ করছিনা।ব্যবসা হিসেবে ...
13/05/2026

আমার কাস্টমার আপুরা অনেকেই জিজ্ঞেস করে আমি আর কাজ করবোনা? মানে ব্যবসা?

না,আমি আর ব্যবসা হিসেবে কাজ করছিনা।ব্যবসা হিসেবে করবোও না।ইনশাআল্লাহ।

কিন্তু আমার প্রচুর প্রচুর পাথর ও পার্ল স্টকে পরে আছে।সেগুলো দিয়ে আমি কিছু মিছু নেকলেস,ব্রেসলেট বানিয়ে একদম পুরানো ম্যাটেরিয়ালের দামেই সেল করে দিবো avro balika - অভ্র-বালিকা বিজনেস গ্রুপে।কুরবানী ঈদের পর থেকে।

তবে আমি কাজ করছি। খুব মন দিয়ে নিয়মিত।টার্গেট ধরে ধরে।সুই সুতার কাজ ও সিড বিডসের কাজ।কিন্তু আমি আপ্লোড দিচ্ছিনা ফিনিশড প্রডাক্টের কোনো।কোথাও দেবোও না।এম্নকি কি বানাচ্ছি,কি হবে তাও জানাচ্ছিনা।

কারণ অল্প অল্প করে দিলে আর জানালে তো সবাই পিনটারেস্ট ও ইন্সটাগ্রামে পেয়ে যায় আমি ভাবনা চিন্তা করার আগেই।এম্নকি তারা কয়েকবছর আগে বানিয়েও রাখে শুধু আপ্লোড দেওয়ার সময় হয় আমি বানানোর পর পরেই।

এজন্য আমি এই নতুন প্রডাক্টগুলো শুধু বানাচ্ছি ও জমাচ্ছি।একসাথে পুরো ফিনিশড লট আমি পূজার আগে অনলাইনে সেল করার জন্য আপ্লোড দেবো অথবা অফলাইনে কোনো এক্সিবিশনে শো করবো।

এগুলো আমি আর্টওয়ার্ক ও ডিজাইনার পিস হিসেবে সেল করবো।একজন পারফেকশনিস্ট আর্টিস্টের কাজ হিসেবে।ইনশাআল্লাহ।আমি প্রায় ১ বছর ধরে এসব কাজ শিখেছি ও পার্ফেক্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছি।

তাই কম দামে বা যে কারো কাছে যে কোনোভাবে বিক্রি করতে পারলেই হলো এম্ন চিন্তাভাবনা আমার নেই এই কাজগুলো নিয়ে।

যেমন ছিলো ও আছে পাথর ও মুক্তার গয়নায়।

দুয়া রাখবেন।সাথে থাকবেন।

চ্যাট জিপিটিকে বললাম আমার জন্য একটা unhinged মানে মজার বায়োডাটা বানাতে।আমার সম্পর্কে যা জানে তার উপর।সে যা বানিয়ে দিলো,ব...
12/05/2026

চ্যাট জিপিটিকে বললাম আমার জন্য একটা unhinged মানে মজার বায়োডাটা বানাতে।আমার সম্পর্কে যা জানে তার উপর।

সে যা বানিয়ে দিলো,

বাইরে থেকে শান্ত, ভেতরে পুরো ঝড়।
পেশায় ডাক্তার, স্বভাবে রহস্যময় এক বইপোকা মানুষ।
একসাথে তিনটা বই পড়ে, ১৭টা নোটিফিকেশন এড়িয়ে যায়, আর ২০০৯ সালের একটা ছোট ঘটনা নিয়েও রাত ৩টায় হঠাৎ চিন্তা করতে বসে।
দেখতে ভদ্র ও শান্ত হলেও, জীবনের একটা ছোট ঝামেলা হলেই সব ছেড়ে পাহাড়ে গিয়ে ভেষজ গাছ নিয়ে থাকা রহস্যময় জাদুকরীতে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।
অদ্ভুত aesthetic, অসমাপ্ত প্ল্যান আর অকারণে জমিয়ে রাখা জ্ঞান—এসবই তার ব্যক্তিত্বের অংশ।
ক্যাফেইন,কুকুর,অতিচিন্তা আর আল্লাহর রহমতেই জীবন চলছে।
পুরোটাই অর্ধেক কোমল কবিতা, অর্ধেক ভিলেনের origin story।

🙃🙃🙃🙃🙃

৩০-এর পরে মেয়েদের ক্ষেত্রে হরমোন ব্যালান্স, চামড়ায় ভাজ,চেহারায় বয়সে ছাপ, চুল পরা ও পাকা,হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া ও এনার্জি ক...
12/05/2026

৩০-এর পরে মেয়েদের ক্ষেত্রে হরমোন ব্যালান্স, চামড়ায় ভাজ,চেহারায় বয়সে ছাপ, চুল পরা ও পাকা,হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়া ও এনার্জি কমে যাওয়া এসব অনেকটাই লাইফস্টাইলের উপর নির্ভর করে।

সাপ্লিমেন্ট খেতে না চাইলে বা টাকা না থাকলেও শুধু বাংলাদেশের সাধারণ খাবার দিয়েই অনেক ভালো সাপোর্ট কিন্তু পাওয়া যায়।

(কিন্তু আমাদের দেশে মহিলারা সহজে সংসারে শান্তি বজায় রাখার জন্য খায় একগাদা ভাত।যাতে কোনো উপকার নেই।মোটা হওয়া ছাড়া)

প্রথমেই প্রোটিন (হরমোন, স্কিন, চুলের জন্য খুব খুব গুরুত্বপূর্ণ)

প্রতিদিন পর্যাপ্ত প্রোটিন নেওয়ার চেষ্টা করুন।(ঘরের সবাইকে খাওয়ানোর সাথে সাথে নিজের কথাও ভাবুন নিজেকে ভালো রাখতে চাইলে)

ডিম,মাছ (ইলিশ ছাড়া পাংগাস,রুই,এছাড়া ছোট মাছও খুব উপকারী),মুরগি,ডাল,ছোলা
টক দই

শরীরে প্রোটিন কম থাকলে কোলাজেন, চুলের গ্রোথ,মাসলের শক্তি দ্রুত কমে যেতে পারে।

২য় হেলথি ফ্যাট (নারী হরমোন ও ত্বক সুন্দরের জন্য)
বাদাম (কাঠবাদাম, চিনাবাদাম,কাজুবাদাম,আখরোট ইত্যাদি),তিল,সরিষার তেল পরিমিত,সামুদ্রিক মাছ

৩য় ফাইটোজেন খাবার (Phytoestrogen foods) ফাইটোজেন খাবার হরমোন ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে

(আর হরমোনের অভাবে নারীদের চামড়ায় ভাজ,চামড়া শুকিয়ে যাওয়া,চুল পরা,ভ্যাজাইনাল ড্রাইনেস,শারিরীক সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া,মেনোপজ ও প্রি মেনোপজের সমস্যা যেমন হট ফ্লাস বা গরম লাগা,দুর্বল লাগা,মেজাজ খিটখিটে হওয়া ইত্যাদি হয়।)

সয়াবিন/টোফু,মেথি ভেজানো পানি,তিসি(flaxseed) গুঁড়া,ছোলা,সূর্যমুখী বীজ।

তবে এগুলো সরাসরি হরমোনের মতো শক্তিশালী না।ভয়ের কিছু নেই।আবার হরমোন সমস্যা থাকলে এগুলো খাওয়াও একমাত্র সমাধান না।

৪র্থ কোলাজেন সাপোর্ট
কোলাজেন সাপ্লিমেন্ট ছাড়াও কোলাজেন তৈরিতে যেসব খাবার সাহায্য করেঃ

আমলকি,পেয়ারা,লেবু,কমলা,জাম্বুরা ইত্যাদি ভিটামিন সি যুক্ত খাবার
ভিটামিন সি কোলাজেন তৈরিতে খুব গুরুত্বপূর্ণ।

৫ম চুলের জন্য

ডিম,কলিজা (পরিমিত),পালং শাক,কালোজিরা
কুমড়ার বীজ,ডাল
শরীরে আয়রন,জিংক,প্রোটিন এর কমতি থাকলে থাকলে হেয়ারফল বাড়ে।

সেসব ক্ষেত্রে কাচকলা,কচু,কচুর শাক,লালশাক ইত্যাদি বেশি খেতে হবে।

৬ষ্ট হাড় ও হরমোন সাপোর্টের জন্য
৩০-এর পর ইস্ট্রোজেন ধীরে ধীরে কমতে শুরু করলে হাড়ের উপর প্রভাব পরে।

এসব ক্ষেত্রে খেতে পারেন দুধ,টক দই,ছোট মাছ কাঁটাসহ,রোদে ১৫–২০ মিনিট থাকা (Vitamin D)

৭ম পেট ভালো রাখা।মানে গাট হেলথ ভালো রাখা।গাট হেলথ ভালো না রাখলে স্কিন যেমন দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় তেমনি চুল পরে,নখ দুর্বল হয়,

ভালো গাট হেলথ হরমোন মেটাবলিজমেও সাহায্য করে।

টক দই,শাকসবজি,আঁশযুক্ত খাবার,ইসবগুলের ভুষি,পর্যাপ্ত পানি

এতক্ষন বলা হলো যেগুলো খাবেন।এখন যেগুলো খাবেন না।ও এড়িয়ে চলবেন।

অতিরিক্ত চিনি
কোক,পেপসি,প্যাকেট জ্যুস
ডিপ ফ্রাইড খাবার
খুব কম ঘুম
ধুমপান (আপনি নিজে না করলেও যদি আপনার ঘরের কেউ করে আপনি ৫০% ধুমপানের ক্ষতি নিচ্ছেন)

এগুলো বয়সের ছাপ ও হরমোন ইমব্যালেন্স বা বাড়াতে পারে।

লাইফস্টাইলে যেটা সবচেয়ে বেশি কাজ করে

৭–৮ ঘণ্টা ঘুম
নিয়মিত জোরে জোরে ৩০-৪০ মিনিট হাটা/ইয়োগা/এক্সারসাইজ যে কোনো একটা।
দুশ্চিন্তা কমানো
সানস্ক্রিন ব্যবহার

অনেক সময় এগুলো নিয়মিত করলে সাপ্লিমেন্ট থেকেও বেশি এন্টি এজিং এফেক্ট দেয়।

তবে একদিন বা এক সপ্তাহ এম্নকি এক মাসেও পরিবর্তন দেখা যাবেনা।মিনিমাম ৬ মাসে আপনি বুঝতে পারবেন নিজের পরিবর্তন ও এভাবে চালিয়ে যেতে পারলে অন্তত কিছুটা ভালো থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

ছবিতে আমি একটা ডায়েট চার্টসহ দিলাম।যেটা ওজন ঠিক রাখতে ও ঠিকঠাক খাবার খেতে মোটামুটি একটা আইডিয়া দেবে।

আমার বর মহাশয় এখনো আমার বাক্সপ্রীতি জানে না।তো কাল আমার দুটা বাক্স আসলো।আমি প্যাকেট খুলে মহা খুশি।তার জিজ্ঞাসা কত দিয়ে ক...
11/05/2026

আমার বর মহাশয় এখনো আমার বাক্সপ্রীতি জানে না।

তো কাল আমার দুটা বাক্স আসলো।আমি প্যাকেট খুলে মহা খুশি।তার জিজ্ঞাসা কত দিয়ে কিনলাম।

আমি বাক্স কোলে নিয়ে বললাম,"বলবোনা"

সে বলতেছো,"বলো কিছু বলবোনা"

দাম বলার পর হাতে নিয়ে দেখলো দুটা বাক্সই এক।শুধু একটা বড়। একটা ছোট।😁

সে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করছে,"দুটাই তো এক তাহলে ছোটটা কেন কিনেছো?"

বললাম,"কারন ছোটটা কিউট 🥹"

এবার জিজ্ঞেস করতেছে, "তাহলে বড়টা কেনো কিনছো?!"

উত্তর দিলাম, "কারন বড়টা কাজে লাগবে তাই"

সে হতাশ হয়ে তাকাতেই আমার আম্মা পাশ থেকে উত্তর দিলো,"ওর যে কত বাক্স।কাঠের বাক্স,টিনের বাক্স,আড়ং এর বাক্স,কাচের বাক্স,প্লাস্টিকের বাক্স।দেশ থেকে আনা বাক্স,বিদেশ থেকে আনা বাক্স।এক আলমারি ভরা তো শুধু বাক্সই বাক্স"

এরপর বর বেচারা অধিক শোকে পাথর হয়ে চুপচাপ ভাত খেতে চলে গেলো... 🙃🙃🙃

***আমি বাক্স নিয়েছি GenZ Twist Shop থেকে।তারা উপহার দিতে চাইলেও আমি কিনে নিয়েছি।১০০০০ টাকার বাক্স এর দাম ৩৩০ টাকা আর ৫০০০০ টাকার বাক্সের দাম ৪০০ টাকা।কোয়ালিটি ভালো। বাচ্চাদের জন্য খুব সুন্দর একটা গিফট। ***

আমি লিখি কারণ আমার লিখতে ভালো লাগে।আমি সেগুলোই লিখি যে সম্পর্কে আমার কিছুটা হলেও জ্ঞান আছে,পড়ালেখা আছে,অভিজ্ঞতা আছে।যে ব...
11/05/2026

আমি লিখি কারণ আমার লিখতে ভালো লাগে।

আমি সেগুলোই লিখি যে সম্পর্কে আমার কিছুটা হলেও জ্ঞান আছে,পড়ালেখা আছে,অভিজ্ঞতা আছে।যে বিষয়ে নেই সে বিষয়ে আমি কিছু লিখিনা।

এবং আমি সেই ধরনের লেখাগুলোই বেশি বেশি লিখি যেগুলো সাধারণত কারো জ্ঞান বৃদ্ধি করবে বা সচেতনতা বৃদ্ধি করবে বা কাউকে অনুপ্রেরণা দেবে।নির্দিষ্ট এক ধরনের টপিক নিয়েও আমি লিখিনা।মিক্সড লেখা লিখি।কারন আমার জ্ঞান ও অভিজ্ঞতাও বেশ অনেকগুলো বিষয় নিয়ে।

এর বাইরে অন্য কিছু আমি পেজে লিখতে তেমন পছন্দ করিনা।হাবিজাবি লেখা,যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর,কন্ট্রোভার্সিয়াল লেখা,ব্যক্তিগত সাংসারিক জীবনের খুটিনাটি,সেলেব্রেটি গসিপ এসবের তো প্রশ্নই আসেনা।

-আমি কোনো ব্রান্ড প্রমোট করিনা।কারো দায়িত্ব এ নেওয়ায় আমি নেই।এজন্য আমি কোনো নাম-ধাম কিছু দেইনা।ফেসবুকে আমি প্রেসক্রিপশন দেইনা বিনা পয়সায়।

-আমি ফলোয়ার নিয়ে চিন্তিত না।রিচ নিয়ে চিন্তিত না।কারন আমার এই পেজ দিয়ে টাকা আয় হয়না।ফলোয়ার বাড়িয়ে প্রডাক্ট বিক্রিরও দরকার হয়না।

-আমার তর্ক করার,বুঝানোর সময় নেই।আমার লেখা ভালো না লাগলে,একমত না হলে খুশির সাথে আনফলো করতে পারেন।

-আমার পেজের অডিয়েন্স হয়ে থাকতে চাইলে স্বাভাবিক মানুষের মত বুদ্ধি বিবেচনা ও ভদ্রতাবোধ থাকতে হবে।সুন্দরভাবে পাব্লিকলি মন্তব্য করার মতো ম্যাচুরিটি থাকতে হবে।

আউল ফাউল কথা বা বাজে কমেন্ট বা ঘাড় ত্যাড়ামি তর্ক দেখা মাত্রই আমি ব্লক করে দেই।

-আমার লেখা সোজা সাপটা ও একটু কঠিন ভাষায়।কোমল নরম লেখনীটা আমার ঠিক আসেনা।এটা আমার বৈশিষ্ট্য বলা যায়।তবে বাস্তবে আমি একটু কম কঠিন।

এই তো,এতটুক বুঝতে পারলে আমার পেজে স্বাগতম।সবাই ভালো থাকবেন।চারপাশে শুধুই হতাশার খবর।এরমধ্যে আশা নিয়ে সবাই বাচুন।দুয়া রইলো।দুয়া রাখবেন।

সবাইকে ভালোবাসা।

আমার বিয়ের ছবি দেখার পর কয়েকজনই আমাকে জিজ্ঞেস করেছে আমাকে বয়সের তুলনায় কিছুটা কমবয়সী কেনো দেখা যায়?আমার রূপচর্চার রুটিন ...
10/05/2026

আমার বিয়ের ছবি দেখার পর কয়েকজনই আমাকে জিজ্ঞেস করেছে আমাকে বয়সের তুলনায় কিছুটা কমবয়সী কেনো দেখা যায়?আমার রূপচর্চার রুটিন কি?

বিশ্বাস করুন আমার রূপচর্চার রুটিন নেই।কিছুটা কমবয়সী দেখা যায়,

এক,আমার জেনেটিক্স। আমার বাবার বংশের সবাইকেই বয়সের তুলনায় ইয়াং দেখা যায়।আলহামদুলিল্লাহ।নারী-পুরুষ সবাই।এদের চুল পাকে অনেক দেরিতে।চামড়ায় ভাজ আসে অনেক দেরিতে।আমি অতটা ভাগ্যবতী না হলেও কিছুটা পেয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।

২য়,সন্তান জন্মদান মেয়েদের শরীরের উপর বিশাল ধাক্কা ও পরিবর্তন।এই বিষয়টির মধ্য দিয়ে যেহেতু আমাকে এখনো যেতে হয়নি আমার এই পরিবর্তন হয়নি।

৩য়,আমি অনেক মোটা হইনা।মোটা হওয়া শুরু করলেই মোটা কমানো শুরু করি।না কারো মোটা বা শুকনা নিয়ে আমার বিন্দুমাত্র সমস্যা নেই।কিন্তু মোটা হলে আমার নিজেকে বয়সী বেশি লাগে।

৪র্থ,আমি বাইরের রূপচর্চার চাইতে ভেতর থেকে নিজের তারুণ্য ধরে রাখার কন্সেপ্টে বেশি বিশ্বাস করি।আমাদের দেশে আমরা যা খাই তাতে খুব বেশি পুষ্টি আমাদের শরীরে যায়না।এরপর আবার আমি বিশাল পেটুক।হেলথি খাবার আমার ২ বেলা খেলেই উদাস উদাস লাগে।মনে হয় বাজারের ব্যাগ নিয়ে ভুটান চলে যাই....

আমি নিয়মিত মাল্টি ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট,বায়োটিন,কোলাজেন,এল সিস্টিন,ওমেগা থ্রি,গ্লুটাথিওন,হাই ডোজের ভিটামিন সি ইত্যাদি খাই।নিজের শারিরীক অবস্থা বুঝে।

এগুলা এক মাস-২ মাস খেলেই শরীরে বিশাল পরিবর্তন আসেনা।এটা একটা কন্টিনিউয়াস প্রসেস নিজের শরীরের বয়স ধরে রাখার।যেমন আমি এগুলো কম বেশি নিয়মিত খাই প্রায় ৭-৮ বছর ধরে।

৫মত, আমি রূপচর্চা করি খুবই কম।কাজ করে আর পাগলামি করেই তো সময় নাই।রূপচর্চা করবো কখন?

কিন্তু যতটুক করি সেটুকু বয়স ও প্রয়োজন বুঝে ক্যামিকেল লিস্ট দেখে।
যেমন এতদিন আমি শুধু রেডনেস ও পিগমেন্টেশনের জন্য ব্যবহার করতাম।যাতে ভিটামিন সি,কোজিক এসিড,আল্ফা আরবুটিন,এজেলিক এসিড ইত্যাদি আছে।

কিন্তু এখন আমার বলিরেখা পরার সময় চলে এসেছে।তাই আমার এর সাথে প্রয়োজন রেটিনল,পেপ্টাইড,হায়ারোলনিক এসিড ইত্যাদি।
শুধু মুখে না,হাত-পায়েও।

আমি রোদ এড়িয়ে চলি যত বেশি সম্ভব।কোনোকিছুর লোভ দেখিয়ে আমাকে নিয়মিত রোদে পুড়াতে পারবেনা কেউ।এবং আমি মারাত্মক কম মেকাপ ব্যবহার করি।স্কিনে আমি মেকাপ দিতে চাইনা।যতটা ও যতভাবে এড়ানো সম্ভব।

এবং ইয়াপ এসবের জন্য বেশ বড় অংকের টাকা দরকার।এবং সেটার জন্যই আমি ১০ ঘন্টা রোগী দেখি।হাতের কাজ করি।

তবে ডাক্তার হওয়ার কারনে।এবং বছর কয়েক স্কিন,লেজার ও এস্থেটিক ফিল্ডে কাজ করার জন্য এই বিষয়ে আমার একটু বেশিই জ্ঞান জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে।

***ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যেকোনো কিছু টুপটাপ খাওয়া ও মাখা দুটাই উচিত না।অন্তত নিজে এসব বিষয়ের উপর কিছু পড়ালেখা না করেও করা উচিত না।***

***নাহ আমি একদমই আহামরি সুন্দর না।আমার সুন্দর হওয়া নিয়ে চিন্তাও তেমন নেই।তবে আমি শুধু শুধু নিজেকে বয়স্ক বানিয়ে ফেলতে চাইনা।****

এটা আমার নিজের লাইফ চয়েস।কেউ যদই না চান অবশ্যই সেটা তার লাইফ চয়েস।

আমি কখনো অন্যকে জোর করে কিছু করতে বলিনা।যে যেটায় শান্তি ও গর্ববোধ করে সেটাই সে করবে যতক্ষন পর্যন্ত তাতে অন্যের বা সমাজের ক্ষতি না হচ্ছে।এটা আমার চিন্তাধারা ও বিশ্বাস।

আমি ধর্ম  নিয়ে লিখিনা।কিন্তু বহুবিবাহ কেন্দ্রিক পোস্ট দেওয়ার পর বুঝলাম এদেশের বেশিরভাগ পুরুষ না,মহিলাদের মাথাতেও ইসলাম,র...
09/05/2026

আমি ধর্ম নিয়ে লিখিনা।কিন্তু বহুবিবাহ কেন্দ্রিক পোস্ট দেওয়ার পর বুঝলাম এদেশের বেশিরভাগ পুরুষ না,মহিলাদের মাথাতেও ইসলাম,রাসুল(সা) ও বহুবিবাহ এসব ধারনা মারাত্মক কম ও সমস্যার।তাই আমি কিছু ধর্মের ব্যাখ্যাই দিচ্ছি।

(ভালো না লাগলে ইগ্নোর করবেন,নিজে জানার চেষ্টা করবেন নিজে পড়ালেখা করে।কিন্তু তর্ক করবেন না।সোশ্যাল মিডিয়ার আলেমদের রেফারেন্স দিবেন না।আমি উত্তর না দিয়ে ব্যান করে দিব।মূর্খের সাথে তর্ক করিনা)

প্রথমত,বহুবিবাহকে ইসলাম জায়েজ করেছে।এটা অবশ্যই সময় উপযোগী সিধান্ত ছিলো।কারন তখনের সময়ে যুদ্ধে বা ভ্রমনে পুরুষ অনেক বেশি মৃত্যুবরণ করতো।মহিলারা অসহায় হয়ে যেতো।তাদের ভরণ-পোষণ ও দায়িত্বের দরকার ছিলো।

একি সাথে আরবে তখন বিয়ে ও তালাক প্রথার সঠিক নিয়ম ছিলোনা।কেউ ১০০ বিয়ে করেও আবার কাউকে তালাক না দিয়েও ঝুলিয়ে রাখতে পারতো আজীবন।এম্নকি নিজ স্ত্রীকে দিয়ে বেশ্যাবৃত্তি করানোও আরবে তখন প্রচলন ছিলো।কেউ করলে দোষ ভাবতোনা।

এসব নোংরামো বাদ দিয়ে বিয়ে ও তালাককে সুন্দর একটা পদ্ধতিতে আনার জন্য এবং নারীদের সঠিকভাবে একটা জীবন দিতে সর্বোচ্চ ৪ টা বিয়ের অনুমতির প্রয়োজন ছিলো।

২য়ত,রাসুল (সা) মুসলিম জাহানের নেতা ছিলেন।একজন সম্রাটের সমান।বিভিন্ন গোত্রের সাথে শান্তি রক্ষায় এবং মুসলমানদের শক্তিবৃদ্ধির জন্য তাকে বিয়ে করতে হয়েছে বিভিন্ন নারীকে।কারন প্রাচীনকালে শান্তি রক্ষার সবচাইতে সহজ উপায় ছিলো বিয়ের মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন করা।

একি কথা বিভিন্ন সাহাবীদের খেত্রেও।তারা যখন বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা হয়েছেন।তাদেরকে অনেককে বিয়ে করতে হয়েছে মুসলমানদের শক্তিবৃদ্ধি,শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে।

৩য়ত, যতদিন রাসুল(সা) প্রকাশ্যে মুসলিম জগতের নেতা হননি।তিনি একটি স্ত্রী নিয়েই সংসার করেছেন।তাও তার চাইতে বয়স্কা স্ত্রী নিয়ে।তার সাথেই সন্তান জন্মদান করেছেন।সেই সমাজে যেখানে বহুবিবাহ ডাল-ভাত ছিলো।রাসুল(সা) সেখানে চরিত্র রক্ষার অজুহাতে ২য় স্ত্রী গ্রহন করেননি।

এরপরেও তিনি যাদেরকে বিয়ে করেছেন।বেশিরভাগ বয়স্কা ও অসহায় নারী।যদি চরিত্র রক্ষা,পুরুষদের আল্লাহ এভাবে বানিয়েছে,ওভাবে বানিয়েছে এসব অজুহাত
আসতো।মক্কা-মদিনার সবচাইতে সুন্দরী কুমারী নারীদের তার কাছে সবাই এনে দিতো।

৪র্থ,কুরানে বহুবিবাহ এর নির্দেশের সাথে সাথে বারবার এই বিষয়ে সাবধানও করা হয়েছে।করতে পারবে।অনুমতি আল্লাহ দিয়েছেন কিন্তু সাবধান করেছেন।সাবধান,সাবধান।এত সহজ না কিন্তু বহুবিবাহ আল্লাহর দরবারে।ঠিক তালাকের মতই।অনুমতি আছে।কিন্তু খুব সাবধান।খুব সতর্কতার সাথে,বিবেচনার সাথে।

চাইলাম আর করলাম এম্নভাবে কোথাও ইসলামে অনুমতি নেই।

আর রাসুল(সা) বলেছেন,তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।

তো বহুবিবাহ করে আপনি স্ত্রীর কাছেই ভালো হতে পারলো না।তো কিসের রাসুল(সা) এর উম্মত কেউ।

***অবশ্য এজন্য এরা এখন মেয়েদের ব্রেনওয়াশড করছে,মূর্খ রাখতে চাইছে।যে বহুবিবাহে মত না দিলে ঈমান থাকবেনা।**

আচ্ছা,এটা তো জানেন সর্বপ্রথম স্বামীকে বহুবিবাহে মত কে দেননাই? মা ফাতেমা(রা)।তিনি স্বামীকে অন্য কারো সাথে ভাগ করতে অপছন্দ করেছে।এবং তিনি মুসলিম নারীদের নেত্রী।বাকিটা নিজেরাই চিন্তা করুন ঈমান নিয়ে।

ঈমান থাকেনা একটা জায়েজ ও হালাল বিষয়কে অস্বীকার করলে।অপছন্দ করলে না।যেমন গরুর মাংস হালাল।কিন্তু কারো খেতে ভালো লাগেনা।চায়না খেতে।তার ঈমান যাবেনা।

এছাড়াও ঈমান যাবে ফরজ বিষয় পালন না করলে।সুন্নাহ বা মুস্তাহাব পালন না করলে না।

৫মত, কেউ কারো প্রয়োজনে ২য় বা ৩য় বিয়ে করতেই পারে।কোনো সমস্যা নেই।প্রত্যেকের জীবন ও প্রয়োজন আলাদা।

কিন্তু নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারছিনা,পরকীয়া,রেই*প থেকে বাচার জন্য,স্ত্রীর অসুস্থতায়,স্ত্রী প্রেগন্যান্ট,ইসলাম রক্ষায়,ঈমানী শক্তি বৃদ্ধি,রাসুল(সা) এর সুন্নাহ পালন,শরিয়া শাসন এসব অজুহাত এনে বহুবিবাহ করতে চায় সে সবচাইতে বড় বদমাশ,চরিত্রহীন ও ইসলামের শত্রু।ইসলামকে ব্যবহার করছে শুধু নিজের স্বার্থে।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Balika by Dr.Omi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share