New Ornament's HOUSE

New Ornament's HOUSE General Terms and Conditions of NEW ORNAMENTS HOUSE to maintain this page as a service to our customers. Please review the following Terms of Use carefully.

New ornaments house offer wholesale/retail Fashionable & design-able woman's jewelry & ornaments like kundon,joypuri,rajsthani, konthohar,tokar,ear-ring etc items with demand-able & qualitative fulfillment. By using our page, you are agreeing to comply with and be bound by the following Terms of Use. If you do not agree to these terms, you should not use the page or review information or subscribe

to Jewellery & Ornaments Items (“Transaction”), from this page. NEW ORNAMENTS HOUSE has been prepared in accordance with the Consumer Protection Act (2009) based on the recommendations Chamber of Commerce and international codes for e-commerce. Placing an Order:
Shop 24 hours a day, 7 days a week at NEW ORNAMENTS HOUSE. You’ll receive a notification/call immediately after the order is confirmed and when it ships. For changes after an order has been placed, please call Customer Care at +8801719272856.please make sure changes after an order you have to confirm the next 24 hours. We accept only cash on delivery, b-kash payment on the favor to New Ornaments House account. For the outside of Dhaka when you confirmed our product we accept courier payment. It is more informing you that before confirmed any order please read the product details very carefully. Delivery Methods & Payments

The size and weight of your online purchase are factors that help us determine the most efficient delivery method. We delivery all our product by courier (out the site of Dhaka) & home delivery (inside of Dhaka only) our charges for the insight of Dhaka is 80 BDT only & for outside of Dhaka 120/- BDT only. After placing an order, you must be checked your product that is it OK or not. After that, no claim/argument will be accepted. By confirming any product online, we deliver our product within 2-3 days (inside Dhaka) 4-5 days (outside of Dhaka). If there any product return then the customer has to pay the full delivery charge by the verbal confirmation.

আমি একটা জিনিস বুঝিনা। বাচ্চা  বড় হয়েছে বলে মাকে কেন বুড়ি লুক নিতে হবে। মাকে কেন রং হীন কাপড় পরতে হবে? মাকে কেন অনিচ্ছাস...
03/06/2026

আমি একটা জিনিস বুঝিনা। বাচ্চা বড় হয়েছে বলে মাকে কেন বুড়ি লুক নিতে হবে।

মাকে কেন রং হীন কাপড় পরতে হবে? মাকে কেন অনিচ্ছাসত্ত্বেও চেহারায় মুরুব্বীয়ানা ভাব আনতে হবে।

সন্তানদের সাথে যদি মায়েরাও রঙ্গিন থাকে তাহলে কি সমস্যা ?

একদল উত্তর দিবে মায়েদের একটা রেস্পেক্ট আছে না? মায়েদের সবকিছু মানায় না।

মহা মুসিবত, এই যে সন্তানদের জন্য সংসারের জন্য এত স্যাক্রিফাইস একজন মা করলো তাতেও পোষাচ্ছে না ? রেস্পেক্ট পাবার জন্য সাজা ছেঁড়ে দিতে হবে ? ফিকে কাপড় পরতে হবে। কিশোরীর মত উচ্ছাস দেখাতে ইচ্ছা হলে, যুবতীর মত সাজতে ইচ্ছা হলে, প্রান খুলে হাসতে ইচ্ছা হলেও, শুধু মা বলে চুপ থাকতে হবে?

তারও নিজেকে ভালোবাসার, নিজের পছন্দে সাজার অধিকার আছে।

Aging gracefully বলে একটা phrase আছে ইংরেজিতে যার অর্থ হল সুন্দর ভাবে বয়সকে বরণ করা।

যে কোন মানুষ চাইলেই বয়স হবার ব্যাপারটা এঞ্জয় করতে পারে।কারন বয়স হওয়াটা একটা ন্যাচারাল প্রসেস। এতে কারো হাত নেই। কিন্তু এই সময়টাকে সুন্দর বানানো সম্পূর্ণ আমাদের হাতে।

আমরা যদি আমাদের মায়েদের ভালোবাসি তাহলে তাকে জিমে যেতে বলব, নিজের চেহারার যত্ন নিতে বলব, হেলদি খেতে বলব। কখনওই মনে করিয়ে দিব না - তুমি শেষ হয়ে যাচ্ছ।

একজন ২০ বছর বয়সী পুত্রের মা হিসেবে আমি বুঝি, মা হলেই কেউ বড় হয়না, সংসারের সব দায়িত্ব নিলেও কেউ মানসিক ভাবে বৃদ্ধ হয়না।এমনকি শরীর পুরানো হলেও মানুষ বৃদ্ধ হয়না। মানুষের বয়স হয় তখনই যখন সবাই তাকে বয়স্ক হিসেবে ট্রিট করতে থাকে।

মা হলেও কারো সাজতে ভালো লাগে, মা হলেও হাসতে ভালো লাগে, মায়েরও আড্ডা দিতে ইচ্ছা করে, বন্ধুদের সাথে ঘুরতে ইচ্ছা করে।

মা হলেই কেউ বাঁচা বন্ধ করে দেয়না, মা বলেই কেউ মরে যায়না........

🖋Collected

অভিনেতা Parambrata Chattopadhyay-কে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তাঁর স্ত্রী তাঁকে কী কী রান্না করে খাওয়ান, তিনি উত্তরে বলেছিল...
02/06/2026

অভিনেতা Parambrata Chattopadhyay-কে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল তাঁর স্ত্রী তাঁকে কী কী রান্না করে খাওয়ান, তিনি উত্তরে বলেছিলেন, তাঁর স্ত্রী রান্না করতে পছন্দ করেন না এবং ভাল রান্না করতে পারেন না। কিন্তু এমন অসংখ্য বিষয় আছে, যেগুলো তিনি করতে ভালোবাসেন এবং খুব দক্ষতার সঙ্গে করেন। আর তারা ব্যক্তিগত জীবনে খুব happy।

একইভাবে অভিনেতা Anupam Kher এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, তাঁর স্ত্রী Kirron Kher তাদের ৪১ বছরের দাম্পত্য জীবনে কখনো তাঁকে এক কাপ চাও বানিয়ে খাওয়াননি। কিন্তু তিনি এটাকে কোনো সমস্যা হিসেবে দেখেন না। কারণ তাদের সংসারে রান্নার দায়িত্ব কোনো নির্দিষ্ট মানুষের নয়। তিনি বলেন, কিরণ একজন চমৎকার অভিনেত্রী, সোজাসাপ্টা এবং হৃদয়বান মানুষ, এসব গুণই তাদের সম্পর্ককে শক্তিশালী করেছে।

সুবর্ণা মুস্তাফাও একটা সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন যে তিনি রান্না করতে পছন্দ করেন না এবং তিনি কখনো রান্না করেন না। ফরিদী ভাল রান্না করতে পারে এবং মাঝে মাঝে রান্না করে। সেইসময় তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। তিনি এটাও পরে একদিন উল্লেখ করেছেন যে তাদের সম্পর্কটা ভেঙেছে কারণ বন্ধুত্বটা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল।

অনেকেই মনে করেন, সংসার মানেই রান্নাঘরের দায়িত্ব কেবলই নারীর, ঘরের কাজ যেন তার জন্মগত কর্তব্য। অথচ ভালো সম্পর্ক শুধু নির্দিষ্ট একজনের উপর নির্দিষ্ট দায়িত্বগুলো অর্পণ করে দেওয়ার উপর দাঁড়িয়ে থাকে না, বরং একে অপরকে সম্মান করা, বুঝতে পারা আর একসাথে মিলেমিশে দায়িত্বগুলো ভাগাভাগি করে চলার উপরই সম্পর্কটা টিকে থাকে।

একজন মানুষের মূল্য কি শুধুই রান্না জানা এবং রান্না করার মধ্যে সীমাবদ্ধ?

স্ত্রী কোনো গৃহকর্মী নন, কোনো বেতনহীন রাঁধুনি নন, কোনো ২৪ ঘণ্টার পরিচারিকাও নন। তিনি একজন জীবনসঙ্গী। বিয়ে করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভালোবাসা, সঙ্গ, বন্ধুত্ব এবং একসঙ্গে জীবন গড়ার জন্য। সংসারের কাজ অবশ্যই করতে হবে, কিন্তু সেই কাজ শুধু একজন মানুষের কাঁধে চাপিয়ে দিলে সেটি দায়িত্ব নয়, বোঝা হয়ে যায়।

ঘরের কাজ, সন্তান লালন-পালন, বয়োজ্যেষ্ঠদের দেখাশোনা, এসবই পরিবারের যৌথ দায়িত্ব। যার যখন সুযোগ, সামর্থ্য ও সময় আছে, সে এগিয়ে আসবে, এটাই স্বাভাবিক।

আমাদের দেশের অনেক ছেলে-মেয়ে বা দম্পতি যখন বাইরের দেশে যায় তখন সেখানে কিন্তু স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই ঘরের কাজে সমানভাবে অংশ নেয়। রান্না করা, ঘর গোছানো, এমনকি সন্তান লালন-পালন, সবকিছুতেই তারা একে অপরকে সহযোগিতা করে। কেউ কাউকে “এটা শুধু তোমার দায়িত্ব” বলে আলাদা করে না, বরং দু’জনেই মিলেমিশে জীবনটাকে সহজ করার চেষ্টা করে। এ কারণেই অনেক সময় তাদের দাম্পত্য সম্পর্কটা বেশি স্বস্তিদায়ক, সম্মানজনক এবং কম stressful মনে হয়।

নারীদেরও শরীর আছে, মন আছে, ক্লান্তি আছে, ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ আছে, স্বপ্ন আছে। তারা শুধু অন্যদের জন্য বেঁচে থাকার যন্ত্র নয়। স্বামী এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা যখন এই সত্যটা বুঝতে শেখে, তখনই একটি সংসার সত্যিকার অর্থে সুখী ও শান্তিপূর্ণ হয়ে ওঠে। একজন ভালো স্ত্রী হওয়া মানেই ভালো রাঁধুনি হওয়া নয়। যেমন একজন ভালো স্বামী হওয়া মানেই শুধু অর্থ উপার্জন করা নয়।

সম্পর্ক টিকে থাকে সম্মান, সহমর্মিতা, বন্ধুত্ব এবং একে অপরকে মানুষ হিসেবে দেখার ক্ষমতার উপর।
সংসার তখনই সুন্দর হয়, যখন সেখানে কে কি রান্না করল তার চেয়ে কে কাকে সম্মান করল, এই প্রশ্নটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ভালোবাসা মানে শুধু আবেগ নয়, বরং একসাথে পথ চলা, একসাথে সিদ্ধান্ত নেওয়া, এবং একই লক্ষ্যকে সামনে রেখে জীবন গড়া। ❤️

“Love does not consist in gazing at each other, but in looking outward together in the same direction.”

— Antoine de Saint-Exupéry

সন্তান আমাদের সম্পত্তি নয়, আমাদের মাধ্যমে পৃথিবীতে আসা এক স্বতন্ত্র মানুষ। সৃষ্টিকর্তা তাকে আমাদের কাছে পাঠান কেবল বড় কর...
31/05/2026

সন্তান আমাদের সম্পত্তি নয়, আমাদের মাধ্যমে পৃথিবীতে আসা এক স্বতন্ত্র মানুষ। সৃষ্টিকর্তা তাকে আমাদের কাছে পাঠান কেবল বড় করার জন্য নয়, বরং মানুষ করার জন্য।

আমরা অনেকেই ভাবি, “আমার সন্তান”, “আমার রক্ত”, “আমার জন্যই বাঁচবে”। অথচ সত্যিটা হলো, সন্তান কোনোদিনই কেবল আমাদের জন্য জন্মায় না। সে জন্মায় নিজের একটা আলাদা সত্তা নিয়ে, আলাদা স্বপ্ন নিয়ে, আলাদা সম্ভাবনা নিয়ে। বাবা-মা হিসেবে আমাদের ভূমিকা হলো সেই সম্ভাবনাকে নিরাপদ ভালোবাসা, মূল্যবোধ আর সঠিক দিকনির্দেশনা দিয়ে বিকশিত হতে সাহায্য করা।

কিন্তু বাস্তবে আমরা কী করি? আমরা সন্তানকে ভালোবাসার নামে এতটাই আগলে রাখি যে অনেক সময় তার নিজের অস্তিত্বটাই চাপা পড়ে যায়।ছোটবেলা থেকে শুনতে শুনতে বড় হয়, “তোমার জন্য কত কিছু করেছি…”, “আমরা না থাকলে তুমি কিছুই হতে না…”, “নিজের ক্যারিয়ার, সখ, আহ্লাদ বিসর্জন দিয়ে বড় করলাম…”।এই কথাগুলো হয়তো রাগ থেকে, অভিমান থেকে, বা প্রত্যাশা থেকে বলা হয়। কিন্তু সন্তানের মনে এগুলো ধীরে ধীরে দায়, অপরাধবোধ আর মানসিক শিকল হয়ে জমে যায়। সে তখন নিজের ইচ্ছামতো বাঁচতে গেলেও মনে করে, “আমি কি স্বার্থপর হয়ে যাচ্ছি?”

অনেক বাবা-মা বুঝতেই পারেন না, সন্তানকে মানুষ করার আর সন্তানকে নিজের জীবনের কেন্দ্র বানিয়ে ফেলার মধ্যে বিশাল পার্থক্য আছে।যখন একজন মা-বাবার পুরো পৃথিবী কেবল সন্তানকে ঘিরে হয়ে যায়, তখন অজান্তেই তারা সন্তানের উপর নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন, একাকীত্ব,নিরাপত্তাহীনতা আর ভবিষ্যতের ভরসা চাপিয়ে দিতে শুরু করেন।

ফলাফল কি জানেন? সন্তান বড় হয়, কিন্তু মানসিকভাবে স্বাধীন হতে পারে না। সে সিদ্ধান্ত নিতে ভয় পায়। নিজের জীবন বেছে নিতে ভয় পায়।
কারণ তার মনে হয়, “আমি যদি নিজের মতো বাঁচি, তাহলে হয়তো বাবা-মায়ের প্রতি অবিচার হবে।” অথচ প্রকৃত ভালোবাসা কখনো শিকল পরায় না।
প্রকৃত ভালোবাসা মানুষকে উড়তে শেখায়।

একটা আমগাছকে দেখুন। সে বছরের পর বছর যত্নে বড় হয়। ঝড়-বাদল সহ্য করে। শিকড় গভীরে ছড়ায়। তারপর একসময় ফল দেয়। কিন্তু সেই ফল কি গাছ নিজের জন্য ধরে রাখে? না। সে মাথা নত করে তার ফল বিলিয়ে দেয় চারপাশে। মানুষ খায়, উপকার পায়, আনন্দ পায়।

সন্তান পালনের সৌন্দর্যও ঠিক এখানেই। আমরা সন্তানকে এমনভাবে গড়ে তুলবো, যেন সে নিজের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভা খুঁজে পায়। যেন সে জানে সে কেবল কারো ছেলে বা মেয়ে নয়, সে নিজেও একজন পূর্ণ মানুষ। তারও স্বপ্ন আছে, ইচ্ছা আছে, পৃথিবীকে দেওয়ার মতো কিছু আছে। একজন ভালো বাবা-মা সেই মানুষ, যিনি সন্তানের ডানা কেটে তাকে পাশে আটকে রাখেন না; বরং এমন শক্ত ডানা তৈরি করে দেন, যাতে সে পৃথিবীর অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে পারে।

হ্যাঁ, সন্তান অবশ্যই মায়ামমতা পূর্ণ হবে। সে বাবা-মাকে ভালোবাসবে, খোঁজ নেবে, পাশে থাকবে এগুলো মানবিকতা। কিন্তু তাকে “বৃদ্ধ বয়সের ইনভেস্টমেন্ট” ভেবে বড় করা, কিংবা নিজের সব সুখ-শান্তির একমাত্র ভরসা বানিয়ে ফেলা, এটা সন্তানের প্রতি অন্যায় চাপ তৈরি করে।

কারণ সত্যিটা হলো, একজন সন্তান পৃথিবীতে কেবল বাবা-মায়ের অপূর্ণতা পূরণ করতে আসে না।
সে আসে নিজের জীবনটা বাঁচতে।

আর সুন্দর প্যারেন্টিং হলো, সন্তানকে এমন মানসিক শক্তি, মূল্যবোধ আর স্বাধীনতা দেওয়া, যাতে সে একদিন নিজের জীবন নিজের মতো গড়তে পারে, অথচ তার ভেতরের মানবিকতা, ভালোবাসা আর শেকড় কখনো হারিয়ে যায় না।

যে প্যারেন্টিং সন্তানের আত্মাকে ছোট করে দেয়, সেটা ভালোবাসা নয়, সেটা ভয়। আর যে প্যারেন্টিং সন্তানকে নিজের চেয়েও বড় মানুষ হতে শেখায়, সেটাই সত্যিকারের ভালোবাসা।❤️

ShebikAmit

আমাদের কয়জনের মনে আছে তাদের কথা 😔২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি বিকেলে ঢাকার ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সীমানার কোনাপাড়া শাহজালাল রোডের এস...
27/05/2026

আমাদের কয়জনের মনে আছে তাদের কথা 😔
২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি বিকেলে ঢাকার ডেমরা-যাত্রাবাড়ী সীমানার কোনাপাড়া শাহজালাল রোডের এসি গলিতে এই রোম/হর্ষক ঘটনাটি ঘটে। মাত্র সাড়ে ৪ বছর বয়সী নুসরাত জাহান এবং ৫ বছর বয়সী ফারিয়া আক্তার দোলা প্রতিদিনের মতোই বিকেলে বাসার সামনে খেলছিল। সেই সময় ওই ভবনেরই নিচতলার ভাড়াটিয়া সিরামিক মিস্ত্রি গোলাম মোস্তফা এবং তার ফুফাতো ভাই আজিজুল বাওয়ানী ঘরের ভেতর বসে ইয়াবা সেবন করছিল। মাদকাসক্ত অবস্থায় তারা এই নিষ্পাপ শিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের এক নীল নকশা তৈরি করে। মোস্তফা মেয়ে দুটিকে অত্যন্ত সুকৌশলে "লিপস্টিক দিয়ে নতুন করে সাজিয়ে দেওয়ার" লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরের ভেতর ডেকে নিয়ে যায়। শিশুরা ঘরে ঢোকা মাত্রই তারা ভেতর থেকে দরজা আটকে দেয় এবং তাদের চিৎকার যেন বাইরে না যায়, সেজন্য ঘরের ভেতর উচ্চশব্দে ক্যাসেট প্লেয়ারে গান ছেড়ে দেয়। এরপর মোস্তফা ও আজিজুল মিলে শিশু দুটির ওপর চরম পাশবিক নির্যাতন ও ধর্ষ/ণের চেষ্টা চালায়। অবুঝ শিশুরা যখন যন্ত্রণায় প্রচণ্ড চিৎকার শুরু করে এবং দোলা আকুতি জানিয়ে বলে, "দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমাকে ছেড়ে দিন," তখনো পাষণ্ডদের মন গলেনি। নিজেদের অপরাধ ধামাচাপা দিতে তারা দুই শিশুর মুখ ও গলা চেপে ধরে খাটের ওপর শুইয়ে শ্বাস/রোধ করে অত্যন্ত নির্মমভাবে হ//ত্যা করে। এরপর অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় লা//শ দুটিকে প্লাস্টিকের বস্তায় ভরে খাটের নিচে লুকিয়ে রেখে তারা স্বাভাবিকভাবে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।
​আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রিতা এবং খুনিদের বর্তমান অবস্থা
ঘটনার পরদিন মোস্তফার স্ত্রী ঘরে শিশুদের জুতো দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের জানালে পুলিশ এসে খাটের নিচ থেকে বস্তাবন্দী লা//শ দুটি উদ্ধার করে এবং পালিয়ে যাওয়ার সময় মোস্তফা ও আজিজুলকে গ্রেপ্তার করে। দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের মুখে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হয় এবং ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে মাত্র এক বছরের মাথায় নিম্ন আদালত মূল আসামি গোলাম মোস্তফা ও আজিজুল বাওয়ানী উভয়কেই মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন। তবে নিম্ন আদালতের এই যুগান্তকারী রায়ের পর দীর্ঘ সাত বছর পেরিয়ে গেলেও আজ ২০২৬ সালে এসেও খুনিদের ফাঁসি চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী, নিম্ন আদালতের ফাঁসির রায় কার্যকরের জন্য উচ্চ আদালতের (হাইকোর্ট) ডেথ রেফারেন্স অনুমোদন এবং আসামিপক্ষের আপিল শুনানি বাধ্যতামূলক। বর্তমানে খুনিরা কারাগারের অন্ধকার কনডেমড সেলেই বন্দি জীবন কাটাচ্ছে, কিন্তু উচ্চ আদালতে লাখ লাখ মামলার জট এবং তীব্র বিচারক সংকটের কারণে এই মামলার চূড়ান্ত শুনানি বছরের পর বছর ধরে ঝুলে রয়েছে। এই বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও আইনি দীর্ঘসূত্রিতার কারণে একদিকে অপরাধীরা বছরের পর বছর বেঁচে থাকার সুযোগ পাচ্ছে, অন্যদিকে নিহত দোলা ও নুসরাতের পরিবার সন্তান হারানোর আজীবন ক্ষত বুকে নিয়ে এখনো প্রকৃত সুবিচারের আশায় আদালতের বারান্দায় চোখের জল ফেলছে।
এই বিচার ব্যবস্থা নিয়ে আপনার মতামত কমেন্টে শেয়ার করবেন

26/05/2026

আরাফার সময় চলছে,দোয়া কবুলের সময়।"আমিন" লিখে শরিক হন ইনশাআল্লাহ! 💌

We believe in you, Rasool🖤
26/05/2026

We believe in you, Rasool🖤

ভুক্তভোগী শিশু সুমাইয়ার পরিবার বলেন, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া তাকে চিপস কিনে ...
26/05/2026

ভুক্তভোগী শিশু সুমাইয়ার পরিবার বলেন, শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলাধুলা করছিল। এ সময় প্রতিবেশী সহিদ মিয়া তাকে চিপস কিনে দেওয়ার কথা বলে দূরবর্তী নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে ধ/র্ষ/ণ করেন। এ সময় ঘটনাটি কাউকে জানালে শিশুটিকে মেরে ফেলার হু'ম'কি দেন তিনি। পরে সহিদ নিজেই ওই শিশুকে নদীতে গোসল করিয়ে বাড়ির সামনে রেখে যায়। এক পর্যায়ে শিশুটি অসুস্থতা বোধ করলে সে পরিবারকে বিষয়টি জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা সুমাইয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করেন।

শনিবার (২৩ মে) রাতে ভুক্তভোগী সুমাইয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে দুপুরে ধ/র্ষ/ণের ঘটনা ঘটে।

এদিকে ঘটনার পর থেকে একই এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত সহিদ মিয়া পলাতক রয়েছেন। ভুক্তভোগী শিশুটি সরাইল উপজেলার তেলিকান্দা উত্তর পাড়া গ্রামের এক সৌদী প্রবাসীর মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার মক্তব বিভাগের ছাত্রী।

 #বনশ্রীতে_আব্দুল্লাহ্ নামের যে শিশুটি "কোরআনের আলো" মাদ্রাসায় আত্মহত্যা করলো - ফরেন্সিক রিপোর্ট অনুযায়ী তার পায়ুপথের...
25/05/2026

#বনশ্রীতে_আব্দুল্লাহ্ নামের যে শিশুটি "কোরআনের আলো" মাদ্রাসায় আত্মহত্যা করলো - ফরেন্সিক রিপোর্ট অনুযায়ী তার পায়ুপথের অবস্থা অস্বাভাবিক বড়।

ঘটনার ভয়াবহতা বোঝাতে একটু বাংলায় বলি :
ছেলেটিকে বলাৎকার করতে করতে তার পায়ুর ছিদ্র অস্বাভাবিক বড় করে ফেলা হয়েছে। তারমানে ঘটনাটি ১/২ দিনের নয়,

একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন
অসহায় শিশুটি কিন্তু বেঁচে যেতে পারত - যদি সে আত্মহত্যার পথ বেছে না নিয়ে তার কোন সহপাঠীকে বা কোন শিক্ষককে বিষয়টি জানাতো।
পারেনি কেন? কার ভয়ে ? কিসের এত ভয় এদের ?
আপনার কি মনে হয় সে ইচ্ছা করে জানায়নি?

না তা নয়, আসলে আব্দুল্লাদের কাছে জানানোর মতো নির্ভরযোগ্য কোন ভরসার জায়গাই থাকে না .
সে দেখেছে, তার মতো আরো অনেক শিশু বলাৎকারের শিকার হচ্ছে এবং বিষয়টিকে তেমন গুরুত্বের সাথে নেওয়া হচ্ছে না বা হয়নি।
বিষয়টি নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে সে আরো জটিল পরিস্থিতির শিকার হবে ,

পরবর্তীতে আমরা জানতে পারি, ধর্ষক / হত্যাকারী এর আগে আরো ছয় সাত জন শিক্ষার্থীর সাথে একই কাজ করেছে, (ভুক্তভোগী শিশুদের সাক্ষাৎকার অনুযায়ী).
তারপরেও এই ধর্ষক বহাল তবিয়তে মাদ্রাসায় কেমন করে অবস্থান করছিল, আপনার কাছে প্রশ্ন ?
উত্তর একটাই, " সাধারণ ক্ষমা যোগ্য অপরাধ ".
আবাসিক মাদ্রাসাগুলোতে এটা তেমন কোন অপরাধ নয়।

বরং "এ বিষয়ে আওয়াজ তুললে / কথা বললে মাদ্রাসার বদনাম হয়, শিক্ষকদের বদনাম হয় তথা ধর্মের বদনাম হয় ". তাই পুরো বিষয়টিকে হজম করে নিজের ভেতর চাপিয়ে রাখাটাই সাওয়াবের কাজ।
কিন্তু একটা শিশু কতবার সহ্য করবে বলেন.......?

তার উপরে, এরা বেশিরভাগ হয়ে থাকে এতিম /অনাথ /অসহায়.

খেয়াল করেছেন কি....?
আব্দুল্লাহ্ ’র লাশ কাভার করতে কোনো সংবাদমাধ্যম যায়নাই,

তার বাবা মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে প্রধানমন্ত্রী /
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যায়নাই -

তার জন্য বিরোধীদল সাধারণ জনগনের ব্যানারে রাস্তা আটকায় নাই, আওয়াজ টুকুও তুলে নাই -

তার বেলায় কেউ শরিয়াহ মোতাবেক বিচার চায়না - এটাই আমাদের হিপোক্রেসি.

শিশু আব্দুল্লাহ্ মরে গিয়ে প্রমাণ করে গেলো - এমন পরিস্থিতির চাইতে মৃত্যুই ভালো.

ডাকসু ভিপির মতো এত আড়ম্বরপূর্ণ, এত আলোচিত বিয়ে আমি আমার যাপিত জীবনে আর দ্বিতীয়টা দেখেছি বলে মনে পড়ে না। একটি বিয়েকে ঘিরে...
25/05/2026

ডাকসু ভিপির মতো এত আড়ম্বরপূর্ণ, এত আলোচিত বিয়ে আমি আমার যাপিত জীবনে আর দ্বিতীয়টা দেখেছি বলে মনে পড়ে না।

একটি বিয়েকে ঘিরে এত মানুষের আবেগ-উন্মাদনা, একটি বিয়ের এমন টক অব দ্য কান্ট্রি হয়ে ওঠা, একটি বিয়েতে জাতীয় এত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতি; বোধকরি এই সব দৃশ্য বিরল। 🌻

আমার কেবল মনে পড়ছিল সূরা মারইয়ামের সেই আয়াতটি– 'নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ও সৎ কাজ করেছে, শীঘ্রই করুণাময় তাদের জন্য মানুষের হৃদয়ে ভালোবাসা সৃষ্টি করে দেবেন।'

ভিপি সাহেবের নবপরিণীতা একজন এমবিবিএস। শ্বশুর ঢাকার বিশিষ্ট শিল্পপতি, একাধিক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। মসজিদে বিয়ে হলেও বিবাহোত্তর আয়োজন শাহবাগের আলিসান আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে হয়েছে।

আমার মতো প্রায় ফুটপাতের লোককে যেখানে ডাকসু ভিপি ইনডিভিজুয়ালি দাওয়াত করেছেন; সেখানে ঠিক কত মানুষকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছে, অনুমান করা মুশকিল। শুনেছি– সুপরিচিত জামাতার বিপুল পরিচিতজনকে অত্যন্ত আগ্রহের সঙ্গে আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেছেন শিল্পপতি শ্বশুর।

জীবন সবাইকে দুহাত ভরে দেয় না, কাউকে কাউকে দেয়। যে মানুষটি পৃথিবীতে এত গুরুত্বপূর্ণ কেউ নন, যার জীবনের মঞ্চে এত আলো নেই, যিনি অগণনের এতটা আরাধ্যের নন, যার জীবন কাটছে আড়ম্বরহীন; দুহাত ভরে পাওয়া মানুষদের তুলনায় তিনি কি কম সফল বলে বিবেচিত হবেন? তার প্রাপ্তির খাতা কি শূন্য? কিছুতেই নয়!

এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ ছিলেন রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী সাদ সালামি রাদিআল্লাহু আনহু। পৃথিবী থেকে যাঁরা প্রায় শূন্য হাতে বিদায় নিয়েছেন, তিনি তাঁদের একজন।

সাদ রাদিআল্লাহু আনহু কোনো তরুণীর আরাধ্যের ছিলেন না। আফ্রিকান এই মানুষটির গায়ের রঙ ছিল ঘোর কৃষ্ণবর্ণ। অর্থনৈতিক অবস্থা শুধু বেহালই নয়, বেহাল টু দি পাওয়ার টেন! নবীজি মদিনার একজন ধনাঢ্য নেতার রূপসী কন্যার সঙ্গে বিয়ের জন্য পাঠালেন।
পিতা শুরুতে আপত্তি করলেও কন্যার আগ্রহে বিয়ে হলো। কিন্তু স্ত্রীর কাছে যাবার পূর্বেই ময়দানে গিয়ে শহীদ হয়ে গেলেন তিনি।

আল্লাহ কাউকে দুনিয়ায় দুহাত ভরে দেন। কাউকে কিছুই দেন না, পরকালে অনেক বেশি দেবেন বলে। এই দুই শ্রেণির মানুষ একইসঙ্গে 'সফল' বলে বিবেচিত হতে পারেন। বিশ্বাস রাখুন– আপনার গানহীন অন্ধকার দিনগুলো নিয়ে একদিন গান হবে।
(লাবিব আহসান

#সংগৃহীত


Address

East Monipur, Mirpur 2. Dhaka
Dhaka
1216

Telephone

+8801677321654

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when New Ornament's HOUSE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to New Ornament's HOUSE:

Share