14/11/2025
প্রচলিত পর্দা vs প্রকৃত পর্দা
প্রচলিত পর্দা:
১।শুরুতে আমরা পাই পর্দা করে সব করা যায়
(ইসলাম বলে ঘর থেকে বের হবার সময়ও সাথে মাহরাম লাগবে মাইল নিয়ে মতপার্থক্যের আছে থাকতে পারে)।
২।পর্দা বলতে বোরকা আর হিজাব করলে হবে,কিছু জন তো বলে মুখ না ডাকলেও হবে।
(ইসলামের দিক থেকে আমরা যদি তাকায় একজন মুমিনা নারী তার আর্দশ হবে আয়েশা রাঃ আনহার মতো, যেমন আপনি এমন ভাবে জরুরতই বাহিরে যাবেন পরপুরুষ যেন আপনাকে ভুড়ো মহিলা মনে করে)
৩।পর্দা করে দেবর ভাসুর, মামাতো খালাতো ভাই দের সামনে, দুলাভাই, চাচাতো ভাই সবার সামনে যাবা যাবে সমস্যা নেই যাওয়া যায় বলা হয়। দুলাভাইতো আমার মামাতো ভাইতো আমার সমস্যা কি..!
(ইসলামের দিকে তাকাতে হবে অবশ্য ইসলামে মাহরাম নন মাহরাম যে বাইন্ডিং দিয়েছে সেটা মানতেই হবে সে যে হোক যতই মনে কষ্ট যাক না কেন এটাই নির্ধারিত তিতা সত্য, আমরা আমাদের আম্মাজান আয়েশা রাঃ আনহার জীবন থেকে পাই ওনার কাছে যখন সাহাবায়ে কেরাম কোন বিষয় জানতে চাইতেন তিনি আড়ালে থাকতেন আর উনার বোনের ছেলের মাধ্যমে সাহাবায়ে কেরাম যে বিষয় জানতে চাইতেন তার মাধ্যমে জানাতেন, কেন তার পর্দা দেহের নয় শুধু জবানের ক্ষেত্রেও পর্দা পালন করতে হবে তাই)
৪।পর্দা সব জায়গায় করা যায় না কিছু ছাড় দিতে হয়।
(না পর্দা সব জায়গায় মানতেই হবে ঘর থেকে বাহির সকল ক্ষেত্রেই,আমরা আলহামদুলিল্লাহ নামাজ পড়ি রোজা রাখি কিন্তু ইসলামের আরও অনেক সিডি আমরা মানতে রাজি হই না তথাকথিত পাশ্চাত্যে সমাজ ব্যবস্থা থেকে নেয় কিন্তু ইসলাম থেকে নি না)
আমাদের পরিবার ও সমাজে পর্দার খেলাফ হয় বেশির ভাগ যে যায়গা গুলো :
১,পারিবারিক বন্ধনের নামে দুলাভাই খালাতো মামাতো ফুফাতো চাচাতো ভাইদের সাথে মেলামেশার মাধ্যমে।
২।আমাদের পারিবারিক দাওয়াতের মাধ্যমে।