ST Collection's

ST Collection's Facebook online shop for Women's Clothing. Here you'll find the quality and faith coz we care about y

16/04/2026
“হর্টন মিলের শেষ শিকার”১৯২৪ সালের নভেম্বর।উত্তর হর্টন মিল—একটি পুরনো কাঠের মিল, যেখানে শীতের সময় ছাড়া খুব কম মানুষই যেত।...
29/11/2025

“হর্টন মিলের শেষ শিকার”

১৯২৪ সালের নভেম্বর।
উত্তর হর্টন মিল—একটি পুরনো কাঠের মিল, যেখানে শীতের সময় ছাড়া খুব কম মানুষই যেত।
বরফঝরা সকালে মিলের পাঁচজন কর্মী মিলের পিছনের খোলা মাঠে কিছু অদ্ভুত জিনিস দেখতে পায়।

তাদের বুটের নিচে বরফ ভেঙে কড়মড় শব্দ তুলছিল, কিন্তু হঠাৎ চারজনই থমকে দাঁড়ায়। জমে থাকা কুয়াশার নিচে যেন কোনো বিশাল ছায়া নড়ছিল। প্রথমে তারা ভেবেছিল কোনো বড় হরিণ হয়তো মরেছে।
কিন্তু তারা যখন কাছে গেল তখনই বুঝল— এটা কোনো পরিচিত প্রাণী নয়।

একজন পরে বলেছিল—
“ওটা যেন প্রাণী ছিল না… যেন কোনো মানুষের গভীর দুঃস্বপ্ন থেকে ছিঁড়ে আনা ছায়া।”

দেহটি ছিল পুরোপুরি বিকৃত।
লম্বা, আঁকাবাঁকা শরীর।
মুখের জায়গায় মাত্র এক চওড়া গর্ত—
তার ভেতর ধারালো দাঁত, যেন আলো দেখলে আরও গভীর হয়।
আর চোখ? চোখ কোথায় আছে কেউ বুঝতেই পারছিল না।

দেহটি ছিল উষ্ণ—
যদিও চারপাশ জমে ছিল বরফে।

ভয়ে ও বিস্ময়ে হতভম্ব কর্মীরা দেহটাকে মিলের কাঠের স্ট্যান্ডে ঝুলিয়ে রাখে, যেন বোঝা যায় কী হতে পারে এটি।
ছবিটি তোলা হয় সেই মুহূর্তে।

কিন্তু ছবির মানুষের মুখে খেয়াল করলে দেখা যায়—
তারা কেউই হাসছে না, কেউ ভয় পাচ্ছে না।
তাদের মুখে যেন এক ধরনের *পাথুরে নীরবতা*।
যেন তারা বুঝতে পেরেছিল বড় কোনো ভুল হয়ে গেছে।

সেদিন দুপুরে যখন তারা সিদ্ধান্ত নেয় দেহটি নিকটবর্তী শহরের গবেষণাগারে পাঠাবে—
তখনই অদ্ভুত কিছু ঘটতে থাকে।

দেহটির চারপাশের বরফ গলে কাদায় পরিণত হতে থাকে।
মিলের ভেতরে কোথাও বাতাস না থাকলেও কাঠগুলো কড় কড় করে উঠতে থাকে, যেন কেউ ভেতর থেকে ধাক্কা দিচ্ছে।
আর মাঠের পাশে কুয়াশার গভীর থেকে এলোমেলো মানুষের মতো শ্বাস নেওয়ার শব্দ আসছিল।

সন্ধ্যার আগেই তারা দেহটি ট্রাকে তুলে পাঠিয়ে দেয়।
কিন্তু ট্রাকটি শহরে পৌঁছানোর পর—
বাক্সটি ছিল খালি।
কোনো ভাঙন নেই।
কোনো ছিঁড়ে যাওয়ার দাগ নেই।
শুধু একটি কোণে কাদা লেগে ছিল—
যেন ভেজা হাতের ছাপ, যা মানুষের নয় আবার সম্পূর্ণ অমানবিকও নয়।

পরদিন মিলের পাঁচ কর্মীর মধ্যে তিনজন চাকরি ছেড়ে দেয়।
দুইজন হঠাৎ শহরেই হারিয়ে যায়—
আজ অবধি কেউ তাদের খুঁজে পায়নি।

আর মিলটি?
মিলটি এক মাসের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়।
কেউ কাছে যেতে চাইত না।
লোকেরা বলত—

ওটা প্রাণী ছিল না।
ওটা অপেক্ষা ছিল।

কার অপেক্ষা—
কেউ জানত না।

শুধু ছবিটা রয়ে গেছে।
আর পাঁচজন মানুষের সেই অস্বস্তিকর, নীরব মুখ—
যেন তারা বুঝেছিল যাকে তারা ঝুলিয়েছে…
সে মারা যায়নি।
সে ফিরে যাবে তার জায়গায়—
ঠিক যেমন সব ভুলে যাওয়া জিনিস ফেরত যায়।
-
😱😱😱

Address

351 Mirhajirbag Jatrabari Dhaka
Jatrabari
1232

Telephone

+8801976602836

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ST Collection's posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ST Collection's:

Share