Spectra Gem Lab -SGL

Spectra Gem Lab -SGL রত্ন পাথর এবং ডায়মন্ডের প্রাকৃতিক ক?

দেখতে এক, কিন্তু আসলে আলাদা!রত্নপাথরের ভেতরে আমরা যে 'সিল্ক' (Silk) বা রেশমি সুতার মতো দাগ দেখি, সেটা আসলে কী?এগুলো মূলত...
04/12/2025

দেখতে এক, কিন্তু আসলে আলাদা!
রত্নপাথরের ভেতরে আমরা যে 'সিল্ক' (Silk) বা রেশমি সুতার মতো দাগ দেখি, সেটা আসলে কী?
এগুলো মূলত অতি ক্ষুদ্র কিছু ক্রিস্টাল। পাথর যখন প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়, তখন এর ভেতরের উপাদানগুলো আলাদা হয়ে (Exsolution প্রক্রিয়ায়) এই সুক্ষ্ম দাগগুলো তৈরি করে।
মূল রত্নপাথরটির গঠন কেমন, তার ওপর নির্ভর করে এই সিল্কগুলো কীভাবে থাকবে। তাই একেক ধরণের পাথরে এরা একেক কোণে বা অ্যাঙ্গেলে একে অপরকে ছেদ করে।
ছবি ১: স্পেসারটাইন গার্নেট পাথরের ভেতরে থাকা রুটাইল নিডলগুলো ৭০° এবং ১১০° কোণে একে অপরকে ক্রস করেছে।
ছবি ২: অন্যদিকে, শ্রীলংকান আনহিটেড স্যাফায়ার (নীলা) পাথরে এই নিডলগুলো ৬০° এবং ১২০° কোণে দেখা যাচ্ছে।

ফিরোজা কেন রং বদলায়?গল্প আছে, ফিরোজা বা টারকোয়েজ (Turquoise) পাথর নাকি বিপদ আসার আগে রং বদলে সংকেত দেয়! 😱🔬 আসলে ঘটনা কী?...
03/12/2025

ফিরোজা কেন রং বদলায়?

গল্প আছে, ফিরোজা বা টারকোয়েজ (Turquoise) পাথর নাকি বিপদ আসার আগে রং বদলে সংকেত দেয়! 😱

🔬 আসলে ঘটনা কী?
ফিরোজা পাথরটি খুবই ছিদ্রযুক্ত (Porous)। এর ভেতরে অসংখ্য ছোট ছোট ছিদ্র থাকে। যখন এটি মানুষের শরীরে থাকে, তখন ঘাম, তেল বা কসমেটিকস এই ছিদ্র দিয়ে পাথরের ভেতরে ঢোকে। রাসায়নিক বিক্রিয়ায় এর রং আকাশী থেকে সবুজ বা কালচে হয়ে যেতে পারে। এটা কোনো জাদু নয়, পুরোটাই রসায়ন!
বাজারে এখন হাউলাইট (Howlite) নামক সাদা পাথরকে নীল রং করে ফিরোজা বলে বিক্রি করা হয়। আপনার পাথরটি আসল ফিরোজা তো? নিশ্চিত হতে আমাদের ল্যাবে আসুন।

মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার প্রিয় পাথর!​💙 নীল রঙের লাপিস লাজুলি (Lapis Lazuli)—প্রাচীনকাল থেকেই রাজাদের প্রিয়।​জানেন কি? হা...
02/12/2025

মিশরের রানি ক্লিওপেট্রার প্রিয় পাথর!

​💙 নীল রঙের লাপিস লাজুলি (Lapis Lazuli)—প্রাচীনকাল থেকেই রাজাদের প্রিয়।
​জানেন কি? হাজার বছর আগে যখন কৃত্রিম রং ছিল না, তখন শিল্পীরা এই দামী পাথর গুঁড়ো করেই ছবির জন্য গাঢ় নীল রং (Ultramarine Blue) তৈরি করতেন! এমনকী মিশরের রানিরা চোখের সাজসজ্জায় বা আইশ্যাডো হিসেবে এই পাথরের গুঁড়ো ব্যবহার করতেন।
​🔬 বিজ্ঞান কী বলে?
লাপিস লাজুলি কোনো একক মিনারেল নয়, এটি একটি শিলা (Rock)। এর নীল রং আসে 'ল্যাজুলাইট' থেকে, আর এর গায়ের সোনালী কুচিগুলো হলো 'পাইরাইট' বা ফুলস গোল্ড।
​অনেকে সাদা পাথরে নীল রং করে লাপিস হিসেবে বিক্রি করে। একটু অ্যাসিটোন দিলেই সেই রং উঠে যায়। তবে দামী পাথর নষ্ট না করে ল্যাবে টেস্ট করাই বুদ্ধিমানের কাজ।

আকাশের রংধনু পাথরের ভেতর! (The Magic of Opal)​🌈 আপনি কি কখনো পাথরের গায়ে রংধনু দেখেছেন?​অপল (Opal) পাথরটি হাতে নিয়ে নাড়া...
01/12/2025

আকাশের রংধনু পাথরের ভেতর! (The Magic of Opal)
​🌈 আপনি কি কখনো পাথরের গায়ে রংধনু দেখেছেন?
​অপল (Opal) পাথরটি হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করলে মনে হয় এর ভেতর আগুন জ্বলছে অথবা রংধনু খেলছে। একে বলা হয় ‘Play of Color’।
​🔬 বিজ্ঞান কী বলে?
অপল আসলে কোনো ক্রিস্টাল নয়, এটি সিলিকা (Silica) এবং পানির মিশ্রণ। মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখলে দেখা যায়, এর ভেতরে ছোট ছোট লক্ষ লক্ষ সিলিকা বল সাজানো আছে। আলো যখন এই বলগুলোর ফাঁক দিয়ে যায়, তখন তা ভেঙে সাত রঙে ছড়িয়ে পড়ে।
​⚠️ সতর্কতা: আজকাল ল্যাবে তৈরি সিন্থেটিক অপল দেখতে অবিকল আসলের মতোই, কিন্তু দাম অনেক কম। আপনি কি প্রাকৃতিক অপল কিনলেন নাকি প্লাস্টিক? নিশ্চিত হতে আমাদের ল্যাবে পরীক্ষা করিয়ে নিন।

রং বদলানো জাদুকরী পাথর!​🌈 এমন কোনো পাথর আছে যা দিনে এক রং আর রাতে অন্য রং দেখায়?হ্যাঁ, আছে! এর নাম আলেকজান্ড্রাইট (Alexa...
30/11/2025

রং বদলানো জাদুকরী পাথর!
​🌈 এমন কোনো পাথর আছে যা দিনে এক রং আর রাতে অন্য রং দেখায়?
হ্যাঁ, আছে! এর নাম আলেকজান্ড্রাইট (Alexandrite)।
​১৮৩০ সালে রাশিয়ার উরাল পর্বতমালায় এটি প্রথম পাওয়া যায়।
☀️ দিনের প্রাকৃতিক আলোতে একে সবুজ বা নীলচে দেখায়।
💡 রাতের কৃত্রিম আলোতে বা মোমবাতির আলোতে এটি লালচে বা বেগুনি হয়ে যায়।
​একে বলা হয়— "Emerald by day, Ruby by night."
​এটি পৃথিবীর অন্যতম দুর্লভ পাথর। সস্তায় কেউ রং বদলানো পাথর দিলে সাবধান! ওটা কালার-চেঞ্জিং গ্লাসও হতে পারে। সঠিক পাথর চিনতে প্রযুক্তির সাহায্য নিন।

রুবি এবং নীলা—দুজনে আসলে ভাই-বোন!​🔴 রুবি (চুনি) এবং 🔵 নীলা (সাফায়ার)—দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা, তাই না?কিন্তু মজার ব্যাপার হল...
29/11/2025

রুবি এবং নীলা—দুজনে আসলে ভাই-বোন!

​🔴 রুবি (চুনি) এবং 🔵 নীলা (সাফায়ার)—দেখতে সম্পূর্ণ আলাদা, তাই না?

কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, খনিজ বিজ্ঞানের (Mineralogy) দৃষ্টিতে এরা হুবহু একই পাথর!

​🔬 গল্পটা কী?
দুটো পাথরই মূলত 'কোরান্ডাম' (Corundum) বা অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড।

​যখন এই পাথরে সামান্য ক্রোমিয়াম মেশে, তখন তা লাল হয়—আমরা বলি রুবি।

​আর যখন এতে টাইটানিয়াম বা আয়রন মেশে, তখন তা নীল হয়—আমরা বলি নীলা।

​প্রকৃতির কী অদ্ভুত খেলা, তাই না? তবে বাজারে অনেক সিন্থেটিক রুবি-নীলা পাওয়া যায় যা ল্যাব টেস্ট ছাড়া চেনা অসম্ভব। আপনার পাথরটি কি প্রাকৃতিক নাকি ল্যাবে তৈরি? জানতে আজই টেস্ট করান।

❤️ লাল রত্নের জাদুকরী দুনিয়া ❤️Red Stones সবসময়ই অন্যরকম আকর্ষণ রাখে। প্রেম, সাহস, শক্তি আর আভিজাত্যের প্রতীক এই লাল রত্...
03/10/2025

❤️ লাল রত্নের জাদুকরী দুনিয়া ❤️

Red Stones সবসময়ই অন্যরকম আকর্ষণ রাখে। প্রেম, সাহস, শক্তি আর আভিজাত্যের প্রতীক এই লাল রত্নগুলো। একেকটার পেছনে আছে আলাদা story, রহস্য আর জ্যোতিষশাস্ত্রের নিজস্ব ব্যাখ্যা। 🌸

👑 প্রধান জ্যোতিষ রত্ন (Main Astro Gems)
🔹 Ruby / মাণিক – রত্নরাজ বলা হয় একে। সূর্যের প্রতীক, সম্মান, খ্যাতি আর নেতৃত্ব বাড়ায়।
🔹 Coral / প্রবাল – মঙ্গলের রত্ন। সাহস, শক্তি আর mental peace দেয়।
🔹 Garnet / গার্নেট – লাল আভাযুক্ত, আবেগ, ভালোবাসা আর devotion বাড়ায়।

💖 সুন্দর ও জনপ্রিয় লাল রত্ন (Beautiful & Popular Reds)
✨ Spinel – একসময় Ruby ভেবে ভুল হতো। আশা আর নতুন উদ্যম আনে।
✨ Rubellite – হৃদয়ের সাথে সম্পর্কিত, ভালোবাসা ও compassion বাড়ায়।
✨ Sunstone – সূর্যের ঝিলিক, আনন্দ আর leadership দেয়।
✨ Carnelian – সাহস আর উদ্দীপনার প্রতীক, লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করে।
✨ Red Jasper – শক্তি, ধৈর্য আর stability আনে।

💎 দুর্লভ ও সংগ্রাহকের রত্ন (Rare & Collector’s Gems)
🔹 Red Diamond – পৃথিবীর সবচেয়ে rare আর দামি রত্ন।
🔹 Bixbite (Red Beryl) – Emerald-এর লাল ভাই, অতি দুর্লভ।
🔹 Crocoite – উজ্জ্বল লাল-কমলা, কিন্তু খুব নরম।

🌹 প্রতিটি লাল রত্ন শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং জীবনের আলাদা শক্তি ও জ্যোতিষীয় প্রভাব বহন করে।
কে জানে—হয়তো আপনার Lucky Gem এই লাল রত্নগুলোর মধ্যেই লুকানো আছে!

#রত্নপাথর #জ্যোতিষশাস্ত্র

আফ্রিকা মহাদেশের দেশ জাম্বিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না পাওয়া গেছে যার ওজন দেড় কেজিরও বেশি। ঐ পাথরটি আনকাট অবস্থায় পাওয়া...
22/09/2025

আফ্রিকা মহাদেশের দেশ জাম্বিয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় পান্না পাওয়া গেছে যার ওজন দেড় কেজিরও বেশি। ঐ পাথরটি আনকাট অবস্থায় পাওয়া গেছে। যার মানে পান্নাটি টুকরা করা নয়। ভারতীয় ভূতাত্ত্বিক মানস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রিচার্ড কাপেটা নেতৃত্বে
২০২১ সালে জাম্বিয়া কপারবেল্ট প্রদেশের কাজেম থেকে ঐ রত্নপাথর আবিষ্কার হয়।

তবে সাধারণ মানুষের বড়জোর ১০ থেকে ৩০ গ্রাম পান্না কেনার সামর্থ্য হয়ে থাকে। গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুসারে- আবিষ্কার হওয়া পাথরটির ওজন সাত হাজার ৫২৫ ক্যারেট বা ১ কেজি ৫০৫ গ্রাম। রত্নটির নাম দেওয়া হয়েছে চিপেমবেল, জাম্বিয়ার স্থানীয় আদিবাসী উপভাষায় যার অর্থ ‘গণ্ডার’। পান্নাটির আকৃতি অনেকটা গণ্ডারের মুখের মতো। গণ্ডারের শিঙের মতো উঁচু অংশও রয়েছে পাথরটিতে। তাই এ রকম নাম দেওয়া হয়েছে।

এই আবিষ্কারের আগে জাম্বিয়ার একই খনিতে আরো দুটি পান্না পাওয়া গিয়েছিল। ২০১০ সালে আবিষ্কার হওয়া এক কেজি ২৪৫ গ্রাম ওজনের পান্নাটির নাম ছিল ইনফোসু,যার অর্থ হাতি। অন্যদিকে ২০১৮ সালে এক কেজি ১৩১ গ্রাম ওজনের আরো একটি পান্না আবিষ্কার হয়,যার নাম দেওয়া হয়েছিল ইনকালামু। স্থানীয় আদিবাসীদের বাম্বা ভাষায় যার অর্থ সিংহ।

মানসের লিঙ্কড ইন প্রোফাইল থেকে জানা গেছে,তিনি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দুর্গাপুরের বাসিন্দা। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ছাত্র এখন আর কাজেম খনিতে কাজ করেন না। ২০২১ সালের জুলাই মাসে ওই রত্ন উদ্ধার করার পর তিনি আরো ছয় মাস কাজেমে ছিলেন। ডিসেম্বরের পর তিনি জিওরক কনসাল্টিং নামে এক সংস্থায় যোগ দেন। তবে এর আগে মধ্য আফ্রিকা এবং সৌদি আরবে খনি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন।

সূত্র: এনডিটিভি ✍️📷 ---------

31/08/2025

কাঁচা রত্নপাথরের তুলনায় কাটা ও পালিশ করা পাথরের মূল্য কেন বহুগুণ বেশি হয়?
রত্নপাথর কেনার সময় প্রায়শই একটি প্রশ্ন আসে: কেন খনি থেকে প্রাপ্ত কাঁচা পাথরের (Rough Gemstone) সাথে প্রস্তুতকৃত, অর্থাৎ কাটা ও পালিশ করা পাথরের দামের এত বিশাল পার্থক্য হয়? এর পেছনে একাধিক যৌক্তিক এবং ব্যবসায়িক কারণ রয়েছে। চলুন, বিষয়গুলো ধাপে ধাপে জেনে নেওয়া যাক।

১) কাটিং-এর সময় ওজন হ্রাস (Weight Loss during Cutting)
খনি থেকে প্রাপ্ত একটি কাঁচা রত্নপাথরকে যখন কাটিং ও ফেসেটিং (facetting) করা হয়, তখন এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হয়ে যায়। একজন ভাস্কর যেমন একটি বিশাল পাথর খোদাই করে মূর্তি তৈরির সময় অপ্রয়োজনীয় অংশ ফেলে দেন, ঠিক তেমনি রত্নের ভেতরের খুঁত, ফাটল ও অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে নিখুঁত আকার দিতে গিয়ে এর মূল ওজনের বড় একটি অংশ হারিয়ে যায়।
সাধারণত, একটি ১০০ ক্যারেট ওজনের কাঁচা পাথর কাটলে চূড়ান্তভাবে হয়তো মাত্র ৩০ থেকে ৪০ ক্যারেট ব্যবহারযোগ্য রত্ন হিসেবে টিকে থাকে।
এই যে বিপুল পরিমাণ ওজন হারিয়ে গেল, তার প্রাথমিক ক্রয়মূল্যটিও কিন্তু ওই টিকে থাকা অংশের দামের সাথেই সমন্বয় করা হয়।

২) অন্তর্নিহিত খরচসমূহ (Associated Costs)
একটি কাঁচা পাথরকে চূড়ান্ত রূপে ক্রেতার হাতে তুলে দেওয়ার পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে খরচ যুক্ত হয়। যেমন:
দক্ষ কারিগরের পারিশ্রমিক: যিনি পাথরটি কাটেন, তিনি একজন অত্যন্ত দক্ষ শিল্পী। তাঁর অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার জন্য উচ্চ পারিশ্রমিক দিতে হয়।
যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তির খরচ: রত্নপাথর কাটা ও পালিশ করার জন্য অত্যন্ত সূক্ষ্ম এবং দামী যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়, যার রক্ষণাবেক্ষণ খরচও রয়েছে।
বিজ্ঞাপন ও বিপণন: একটি রত্নকে ক্রেতার কাছে পরিচিত করানো এবং शोरूम বা দোকানের পরিচালনা বাবদ যে খরচ হয়, সেটিও পণ্যের মূল্যের সাথে যুক্ত থাকে।
দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ: মূল্যবান রত্নপাথর দ্রুত বিক্রয়যোগ্য পণ্য নয়। একজন ব্যবসায়ীকে একটিমাত্র পাথর বিক্রি করার জন্য অনেক সময় দীর্ঘকাল অপেক্ষা করতে হয়। এই সময় boyunca তাঁর অর্থ বিনিয়োগ হয়ে থাকে, যার খরচও এইভাবে পাথরের দামকে প্রভাবিত করে।

৩) একটি বাস্তবিক উদাহরণ
বিষয়টি সহজে বোঝার জন্য একটি উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে। ধরা যাক, ১২ ক্যারেটের একটি কাঁচা নীলা (Rough Sapphire) প্রতি ক্যারেট ৫,০০০ টাকা দরে কেনা হলো।
কাটিং ও পালিশের পর সব ধরনের খুঁত বাদ দিয়ে পাথরটি চূড়ান্তভাবে টিকল মাত্র ৫ ক্যারেট। অর্থাৎ, ৭ ক্যারেট ওজন হারিয়ে গেছে।
এখন এই ৫ ক্যারেট নীলার ক্রয়মূল্যের সাথে কারিগরের পারিশ্রমিক, পালিশের খরচ, শোরুমের খরচ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ যুক্ত হয়ে এর মোট উৎপাদন খরচই হয়তো দাঁড়ালো ৮০,০০০ টাকা।
ব্যবসায়ী যখন এটি বিক্রি করবেন, তখন নিজের লাভ্যাংশ যোগ করে এর বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করবেন প্রায় ১ লক্ষ টাকা।
এর ফলে, যে পাথরের কাঁচা অবস্থায় প্রতি ক্যারেটের মূল্য ছিল ৫,০০০ টাকা, চূড়ান্ত রূপে তার প্রতি ক্যারেটের বিক্রয়মূল্য দাঁড়ালো ২০,০০০ টাকা।

৪) পুনঃবিক্রয়ের ক্ষেত্রে মূল্য কম হওয়ার কারণ
উপরিউক্ত কারণগুলোর জন্যই, আপনি যখন নিজের কেনা কোনো রত্নপাথর পুনরায় বিক্রি করতে যান, তখন বিক্রেতা ক্রয়মূল্যের চেয়ে কম দাম প্রস্তাব করেন। সাধারণত, বাজারদর অপরিবর্তিত থাকলে ক্রয়মূল্যের ৪০% থেকে ৫০% পর্যন্ত মূল্য পাওয়া যেতে পারে। কারণ, বিক্রেতাকে সেই পাথরটি পুনরায় বিক্রির জন্য লাভ্যাংশ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচাদি বিবেচনা করতে হয়।
আশা করি, এই আলোচনা থেকে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে, খনি থেকে প্রাপ্ত একটি সাধারণ পাথর কেন বিভিন্ন ধাপ অতিক্রম করে একটি মূল্যবান রত্নে পরিণত হয় এবং এর মূল্যের পেছনে কী কী কারণ জড়িত থাকে। এটি কেবল একটি পণ্য নয়, এর সাথে শিল্প, দক্ষতা, সময় ও বিনিয়োগ নিবিড়ভাবে জড়িত।

Colour is the main feature of a gemstone which exudes beauty and rarity.
29/08/2025

Colour is the main feature of a gemstone which exudes beauty and rarity.

Address

Kazipara

Opening Hours

Monday 15:00 - 20:00
Tuesday 15:00 - 20:00
Wednesday 12:00 - 20:00
Thursday 12:00 - 20:00
Friday 12:00 - 20:00
Saturday 12:00 - 20:00

Telephone

+8801685419899

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Spectra Gem Lab -SGL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Spectra Gem Lab -SGL:

Share