দুস্টু মন্ত্রীর গল্পের শহর

দুস্টু মন্ত্রীর গল্পের শহর বিস্তারিত ইনবক্সে

ভালবাসার ঘুড়ি পাট ১ #গল্প
18/05/2026

ভালবাসার ঘুড়ি

পাট ১

#গল্প

গল্পের নাম: মিতার শেষ ঘুম​পাট১
01/05/2026

গল্পের নাম: মিতার শেষ ঘুম
​পাট১

"নজরুল ও বুলবুল: আসুন জেনে নিই, সত্যি কতটুকু?"সম্প্রতি ফেসবুকে ঘুরছে একটি আবেগঘন লেখা—কাজী নজরুল ইসলামের পুত্র বুলবুলের ...
21/05/2025

"নজরুল ও বুলবুল: আসুন জেনে নিই, সত্যি কতটুকু?"

সম্প্রতি ফেসবুকে ঘুরছে একটি আবেগঘন লেখা—কাজী নজরুল ইসলামের পুত্র বুলবুলের মৃত্যু ও সেই রাতে কবির দারিদ্র্যের করুণ গল্প।
কিন্তু ইতিহাস কী বলে?
চলুন জেনে নিই, সত্যি আর মিথ্যার পার্থক্য—

---

যা সত্যি:

✔️ নজরুলের পুত্র বুলবুল (পূর্ণ নাম: আরিন্দম খালেদ) মাত্র ৪ বছর বয়সে গুটিবসন্তে মারা যান।
✔️ পুত্রশোক নজরুলকে ভীষণভাবে আঘাত করেছিল। এই শোক তাঁর অনেক লেখায় প্রতিফলিত হয়েছে।
✔️ কবিতাটি —
"ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে
আমার গানের বুলবুলি
করুণ চোখে চেয়ে আছে
সাঁঝের ঝরা ফুলগুলি"
এই কবিতা বুলবুলের মৃত্যুর পর লেখা বলে ধারণা করা হয়।

---

যা মিথ্যা বা অপ্রমাণিত:

✖️ “সেই রাতে নজরুলের পকেটে এক কানাকড়িও ছিল না”—
→ এ দাবির কোনও ঐতিহাসিক প্রমাণ নেই। নজরুল জীবনে আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যেও সর্বদা নিঃস্ব ছিলেন না।

✖️ “DM লাইব্রেরি থেকে ৩৫ টাকা পাওয়া যায়”—
→ এই তথ্যটি কেবল ফেসবুক পোস্টে ছড়ানো হয়েছে, নির্ভরযোগ্য উৎসে নেই।

✖️ “প্রকাশকের কাছে গিয়ে কবিতা লিখে টাকা সংগ্রহ”—
→ এটি একটি চলতি গল্প মাত্র, এর সত্যতা ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণ হয়নি।
সন্তান হারানোর বেদনা নজরুলের জীবনে বাস্তব ঘটনা,
তবে সেটিকে ঘিরে প্রচলিত গল্পে অতিরঞ্জন ও রঙচঙে নাটকীয়তা মিশে গেছে।

তবে তাতে নজরুলের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা একটুও কমে না।
তিনি আমাদের বিদ্রোহী কবি, আবার এক শোকাহত পিতা—দুটো রূপই তাঁকে পূর্ণ করে।

---

#নজরুল_ইসলাম #বুলবুল #সত্য_মিথ্যার_বিচার #বাংলা_সাহিত্য #বেদনাবিধুর #বাংলার_গর্ব

01/06/2024

রাতে ঘুমানোর সময় আমার স্ত্রী যখন আমার বুকের উপর এসে শুয়ে পড়লো তখন আমি বেশ বিরক্তি নিয়ে ওকে বললাম।

সারাদিন কাজ করে রাতে তোমার জন্য একটু শান্তিতে ঘুমাতে ও পারি না।

-তুমি তো জানো আমি তোমার বুকে ছাড়া ঘুমাতে পারি না।

এমন নেকামো না করলেও তো পারো! তোমার জন্য কোনো কাজে শান্তি নেই আমার।

-ভালো তবুও আমি তোমার বুকেই ঘুমাবো৷

তুমি ম- রে গিয়েও তো আমাকে মুক্তি দিতে পারো? রোজ রোজ এমন অশান্তি আমার আর সহ্য হয় না৷ এমন একটা বস্তা গায়ের উপর থাকলে কি কেউ ঘুমাতে পারে?

-আমি তো শুধু রাতের বেলাতেই বুকে ঘুমাই আর তো কখনো জ্বালাতন করি না।

তোমার মতো নির্লজ্জ মেয়ে আমি আর একটাও দেখিনি।

-আমার মাথা ব্যাথা করছে একটু হাত বুলিয়ে দেও।

কথাটা বলে আমার হাতটা নিয়ে ওর কপালের উপর রাখলো। হাজারবার বলার পরও এমনকি গায়ে হাত তুলেও ওর এই স্বভাব পরিবর্তন করতে পারিনি৷ আপনারা নিশ্চয়ই ভাবছেন স্ত্রী বুকের উপর ঘুমালে আমি এতো বিরক্ত কেন হই! আসলে ওকে আমার এখন আর ভালো লাগে না। আমার অন্য একটা মেয়ের সাথে রিলেশন আছে। কিন্তু কিছুতেই মিতাকে বলতে পারি না। মিতা আমার স্ত্রী এর নাম। এমন বেহায়া মেয়ে আমি খুব কম দেখেছি। ওর জন্য রাতে কনিকার সাথে তেমন কথা বলতে পারি না। ঘুমাতে এলেই আমাকে ধরে রাখে।

গায়ের সাথে মনে হয় খুব গরম কিছু লেগে আছে মনে হচ্ছে। মিতার কপালে হাত রেখে বুঝতে পারলাম ওর গা অস্বাভাবিক ভাবে গরম হয়তো জ্বর এসেছে। শীতের রাতে গরম কিছু কার না ভালো লাগে। আমি হাতটা ওর কপালের সাথে চেপে ধরে রাখলাম।ওর কিছুটা কষ্ট কমবে এই জন্য নয় বরং এতো সময় কম্বলের বাইরে রাখা হাতটা নিমেষেই গরম হবে সেই আশায়।

সকাল আটটায় ঘুম ভেঙে দেখলাম মিতা আমার বুকের ওপরই ঘুমিয়ে আছে। গায়ে হাত দিয়ে বুঝলাম গা রাতের থেকে অনেক বেশি গরম হয়ে আছে। কয়েকবার ডাক দিলাম কিন্তু কোনো সাড়া দিলো না। ওকে বুকের ওপর থেকে সরাতে গেলে খেয়াল করলাম আমায় বেশ শক্ত করেই ধরে আছে৷ তবুও ফ্রেশ হতে চলে গেলাম৷ কিন্তু মিতার অবস্থা ক্রমশ খারাপ হচ্ছে তাই ওকে নিয়ে হাসপাতালে গেলাম।

ডাক্তার বললোঃ- ওর অবস্থা অনেক বেশি খারাপ এখনই আইসিইউতে ভর্তি করতে হবে। কিন্তু আমি ওর জন্য এতো টাকা নষ্ট করতে পারবো না তাই সাধারণ মহিলা ওয়াডে ভর্তি করে দিয়ে এলাম৷
অফিসে এসে কনিকার সাথে গল্প জুড়ে দিলাম। মেয়েটা আমাকে ছাড়া কিছু বুঝতে চায় না৷ কনিকা আমার অফিসের কলিগ। ওর হাসি মুখটা যে কোনো পুরুষকে নিজের কাছে টানতে বাধ্য। তাই আমিও ওর কাছে চলে এসেছি।
সারাদিন বেশ ভালো কেটে গেলো। সন্ধ্যা বেলা বাড়ি এসে ফ্রেশ হয়ে খাবার টেবিলে গেলাম। না আজ আর এই টেবিলে আমার পছন্দের কিছু রান্না করা নেই। মিতা রোজ সন্ধ্যা হলে আমার পছন্দের হালকা খাবার বানিয়ে দিতো। তারপর নিজের হাতে খাইয়েও দিতো। কনিকার সাথে রিলেশনে যাওয়ার পর একদিন বলেছিলাম তোমার আমাকে খাইয়ে দিতে হবেনা। নাকি বি- ষ মিশিয়ে এইভাবে খাওয়াতে আসো? তারপর থেকে আর কখনো খাইয়ে দিতে দেখিনি। রান্না করে টেবিলে গুছিয়ে রাখতো।
আজ মিতা নেই তাই কেউ কিছু বানিয়ে রাখেনি। খাটে গিয়ে শুয়ে কনিকার সাথে কথা বলতে লাগলাম। কিন্তু এখন ওর সাথে কথা বলতে ভালো লাগছে না। সারাদিন মিতার কোনো খোঁজ নেওয়া হয়নি। আচ্ছা ওর কি জ্ঞান ফিরেছে? নাকি ও আর নেই। না না আমি এইসব কি ভাবছি। আর ও ম- রে গেলেই তো আমার আর কনিকার জন্য ভালো হয়। কিন্তু মনকে কিছুতেই শান্ত করতে পারছি না। সাথে পেটও বুঝিয়ে দিচ্ছে তার খাবার চাই। কিন্তু এখন বাইরে যেতে ইচ্ছা করছে না। আনমনে বলে উঠলাম

মিতা আজ কি রাতে না খাইয়ে রাখবে নাকি? তুমি আসলেই কোনো কাজের না। দুপুরের টিফিনটাও দেও নি আজ।

হঠাৎ খেয়াল আসলো মিতা হাসপাতালে ভর্তি। মেয়েটার আর কোনো খোঁজ কেন নিলাম না। সকালে একবার যেতে হবে হাসপাতালে দেখি কেমন আছে! এখন ঘুমিয়ে পড়ি।
কিন্তু শুয়ে কোনো শান্তি পাচ্ছি না। কিছুতেই ঘুম আসছে না। আজ মিতা নেই বলে কি এমন হচ্ছে। হয়তো বুকের ওপর কেউ না থাকলে ঘুম আসবে না। অভ্যাসটা খারাপ হয়ে গেছে। রাত যতো বাড়ছে মিতার কথা ততো বেশি মনে পড়ছে সাথে ক্ষুধাটাও বেড়ে চলছে। কিছু সময় এপাশ ওপাশ করলাম কিন্তু ঘুমাতে পারলাম না। উঠে গিয়ে ফ্রিজ খুলে খাবার আছে কিনা দেখতে গেলাম। গিয়ে দেখলাম দুইটা চিংড়ি মাছ আর কাল রাতের তরকারি রাখা সাথে ভাতও আছে৷ খাবার গুলো নিয়ে টেবিলে খেতে বসলাম। হঠাৎ মনে হলো মিতা কাল রাতে খাইনি। আমি ওকে চারটা মাছ রান্না করতে দেখেছিলাম। ভালোই হয়েছে এখন আমি খেতে পারবো। কিন্তু গলা দিয়ে নামছে না। আগে চিংড়ি মাছ রান্না হলে মিতা আমার পাশে এসে বসে থাকতো আর ম্যাও ম্যাও করে ডাকতো। মানে তাকে খাইয়ে দিতে হবে। চিংড়ি মাছ ওর সব থেকে পছন্দের খাবার৷
খাবারগুলো রেখে ঘরে চলে এলাম৷ হঠাৎ মনে হলো কেউ আমার বুকের উপর এসে শুয়ে পড়ছে৷ কিন্তু না কেউ নেই। মিতাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে। ফোনটা বের করলাম কিন্তু এতে মিতার কোনো ছবি নেই। কনিকা সব ডিলেট করে দিয়ে ছিলো।
কিছু ভালো লাগছে না বাইক নিয়ে হাসপাতালের দিকে রওনা দিলাম। ওকে দেখে আসবো বলে৷ কিন্তু হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারলাম এতো রাতে মহিলা ওয়াডে কোনো ছেলেকে ঢুকতে দিবে না। কিছু করার নেই বলে ডাক্তারের কাছে ওর খোঁজ নিতে গেলাম।

সকালে যে মেয়েটাকে ভর্তি করানো হয়ে ছিলো তার কি অবস্থা?

-ওনার অবস্থা খুব খারাপ। শরীর কোনো রেসপন্স করছে না। স্যালাইনও টানতে পারছে না শরীর। আইসিইউতে না রাখলে যে কোনো সময়ে খারাপ কিছু হতে পারে।

তাহলে আইসিইউতে রাখার ব্যবস্হা করুন।

-সরি স্যার এখন আইসিইউতে কোনো সিট খালি নেই৷ আপনাকে অন্য কোথাও দেখতে হবে৷ একটা সিট খালি ছিলো যা বিকালে বুক হয়ে গেছে।

ডাক্তারকে কিছু না বলে চলে এলাম সেখান থেকে শহরের আর কোনো ভালো হাসপাতাল নেই৷ বাইরে নিতে গেলে এখন অনেক সময় লাগবে। আর অনেক টাকা খরচ হবে। বাড়ি ফিরে চলে এলাম।
কিন্তু বাড়ি ফিরলে মিতাকে বেশি মনে পড়তে থাকলো। কনিকার জন্মদিনের সময় আমার কাছে টাকা ছিলো না৷ অনেক চিন্তায় ছিলাম তখন মিতা ওর গলার চেন আর নগদ দশহাজার টাকা দিয়ে বলেছিলোঃ- আমার কাছে এতো টাকা নেই। তোমার তো বিশ হাজার টাকা লাগবে। এতে হয়তো হয়ে যাবে। তুমি চিন্তা করো না।

ওর দিকে এক পলক তাকিয়ে ছিলাম। ও মুচকি হেসে বলেছিলো তুমি চিন্তায় থাকলে আমার কষ্ট হয় অনেক আমার এইগুলো লাগবে না তুমি নিয়ে নেও। চেনটা ওর মায়ের দেওয়া বলে ওটা আর বিক্রি করিনি। কনিকাকে দিয়ে দিয়েছিলাম। চোখের কোণে মনে হলো পানি জমে যাচ্ছে। আজ অনেকদিন পর মিতার সাথে কাটানো সকল মুহুর্ত মনে পড়ছে। আমাদের ভালোবাসার তো কোনো কমতি ছিলো না। তাহলে কেন এতো দূরত্ব তৈরি হলো আমাদের ভিতর? মিতা আমাকে নিজের সবটা দিয়ে আগলে রেখেছিলো তাহলে আমি কেন মিতাকে কষ্ট দিলাম।
অফিস থেকে ফিরতে মিতা আমাকে রোজ জড়িয়ে ধরতো। একদিন ওকে বললাম ছেলেদের শরীর লাগলে ব্যবসা করো কিন্তু আমাকে এতো বিরক্ত করবে না। সেদিনের পর থেকে মিতা আর আমাকে জড়িয়ে ধরতো না। শুধু রাতে আমার বুকে ঘুমানোটাই পরিবর্তন করতে পারিনি কোনো কিছু বলে। ওর নাকি আমার বুকে না ঘুমালে ঘুম আসে না। আমিও ওকে একসময় বলতাম তুমি আমার বুকে না ঘুমালে আমার ঘুম আসে না। আজ বুঝতে পারছি কথাটা আমি মিথ্যা বলতাম না। রাত তিনটা বেজে গেলো এখনো আমি ঘুমাতে পারিনি।
সকাল হতেই হাসপাতালে চলে গেলাম। আজ মিতাকে আইসিইউতে রাখবো এখানে না হলেও অন্য কোথাও। মিতাকে ছাড়া আমি এক রাতও থাকতে পারি না। আমার সব করা কাজের জন্য মাফ চাইবো। আর কষ্ট দিবো না ওকে।
হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারলাম কাল রাতে একটা মেয়ে মা- রা গেছে। না এটা মিতা হতে পারে না। মিতা আমাকে কথা দিয়েছিলো আমাকে রেখে যাবে না। আমাকে ছাড়া ও থাকতে পারে না। মিতা নিশ্চয়ই ওর কথা রাখবে। কিন্তু আমাকে ভুল প্রমাণ করে দিলো মিতার প্রাণহীন দেহটা।
কেমন নিষ্পাপ ভাবে ঘুমিয়ে আছে৷ খুব শক্ত করে ওকে জড়িয়ে ধরলাম। শেষ কবে ওকে জড়িয়ে ধরেছি মনে নেই। ওর মুখের কাছে মুখ নিয়ে বলতে লাগলাম

তুমি বলতে না তুমি আমাকে ছাড় থাকতে পারো না তাহলে আজ থেকে কি করে থাকবে? জানো কাল রাতে আমি তোমাকে ছাড়া ঘুমাতে পারিনি গায়ের উপর এই বস্তাটা না থাকলে আমার ঘুম আসে না। কে আমাকে রোজ পছন্দের খাবার রান্না করে দিবে বলো? কে আমাকে এতোটা আগলে রাখবে? আমি তোমাকে আর কষ্ট দিবো না। এই দেখো তোমাকে জড়িয়ে ধরে কথা দিচ্ছে আমি আর কথার খেলাপ করবোনা৷ তুমি জানো কাল রাতে আমি তোনাকে ছাড়া কেমন ছিলাম। ভাতও খেতে পারিনি! তুমি আমাকে নিজের হাতে খাইয়ে দিবে না? এইবার আর বলবো না তুমি বি- ষ মিশিয়ে মেরে ফেলতে চাও। বলো না প্লিজ আমার খুব ক্ষুধা লেগেছে কাল রাতে খাইনি জানো। তোমার কলিজা না খেয়ে আছে আর তুমি নিশ্চিত ভাবে কি করে ঘুমিয়ে আছো?
আগে প্রতিরাতে আমার বুক ওর চোখের পানিতে ভিজে যেতো আমি কিছু বলতাম না। ওর চোখ মুছিয়ে দিতাম না। আজ আমার চোখের পানিতে ওর বুক ভিজে যাচ্ছে কিন্তু ও চুপ করে ঘুমিয়ে আছে। সত্যিই কি আমি ওকে আর ফিরে পাবো না।

@সেরা ফ্যান

27/05/2024

২ মিনিট সময় নিয়ে পড়বেন

আফ্রিকার কোন এক দেশের পুলিশের এসআই পদে নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা নিচ্ছেন এসপি সাহেব।

শেষ প্রার্থীকে কয়েকটি প্রশ্ন করার পর এসপি জিজ্ঞেস করলেন, ‘বলুন তো গীতাঞ্জলি কে লিখেছে?’


লোকটি উত্তর দেয়ার আগেই এসপির ফোন বেজে উঠল। তিনি ফোন ধরে ‌’স্যার স্যার’ বলে সম্বোধন করলেন। তারপর বললেন, ‘স্যার আমি এখনই অ্যাকশন নিচ্ছি।’

ফোন রেখে তাড়াহুড়ো করে বাইরে বেরিয়ে এসে সামনে পেলেন এক ওসিকে। তাকে বললেন, ‘আমার রুমে একজনকে রেখে এসেছি, ওকে জিজ্ঞেস করবে গীতাঞ্জলি কে লিখেছে এবং উত্তরটা আমাকে জানাবে।’

ওসি বলল, ‘স্যার কোনো চিন্তা করবেন না, আমি এক্ষুনি জেনে নিচ্ছি।’

দুইঘন্টা পর এসপি ফিরে এসে তার রুমের ভেতর থেকে কান্নাকাটি, চিৎকার-চেঁচামেচি শুনতে পেলেন। অবাক হয়ে রুমে ঢুকে দেখেন চাকরিপ্রার্থী হাত-পা বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছে, নাক-মুখ থেকে ঝরছে রক্ত।

এসপি বিস্মিত হয়ে ওসিকে বললেন, ‘আমি তোমাকে একটা প্রশ্নের উত্তর জানতে বলেছি, আর তুমি এর কী হাল করেছো!’
স্যার এইমাত্র ব্যাটা স্বীকার করছে যে, কোনো রবীন্দ্রনাথ না, ও নিজে গীতাঞ্জলি লিখেছে এবং ওর ছোটো ভাইও এর সাথে জড়িত ছিলো।😂😂

(কিছু বুজলেন?)🐸

14/05/2024

সবাই কে ধন্যবাদ আমাদের পেজে ফলো দেবার জন্য SH Al Mamun, RA Humaira Islam, Bayzid Bostame, Sonia Rahman, Tina Ghosh

12/05/2024

গত তিন মাস যাবত একজন SSC পরীক্ষার্থীকে টিউশনি করাতাম!

এখন সে ফেইল করায় টাকা ফেরত চাচ্ছে!😟

10/05/2024

রাতেরবেলা শুয়ে শুয়ে গার্লফ্রেন্ডের সঙ্গে ফেসবুকে চ্যাটিং করছিলাম। সেই মুহুর্তে মরতে মর আব্বু আমার রুমে এসে হাজির।

আমিঃ কিছু বলবে আব্বু?

আব্বুঃ ইভান তোর ফোনে যে সবসময় দেখি পকিং পকিং আওয়াজ হয়, ওই আওয়াজ টা আমার খুব ভালো লাগে।

আমিঃ এ্যাহ।

আব্বুঃ কি এ্যাহ, আমার ফোনেও ওইটা করে দে না প্লিজ।

আমিঃ আব্বু ওইটা তো মেসেঞ্জারে মেসেজ আসার সাউন্ড।

আব্বুঃ যাইহোক না কেনো। আমাকেও ওমন করে দে, যাতে আমার ফোনেও সবসময় ওমন পকিং পকিং আওয়াজ হয়।

আমিঃ আব্বু ওটার জন্যে তো তোমার প্রথমে ফেসবুক একাউন্ট খুলতে হবে। তারপরে মেসেঞ্জারে লগইন করলে, তোমাকে কেউ মেসেজ দিলে ওমন সাউন্ড হবে।

আব্বুঃ তাহলে আগে কি মুখ বললি? ফেসমুখ ওইটাই খুলে দে।

আমিঃ আরে আব্বু ফেসমুখ নাহ ফেসবুক।

আব্বুঃ আরে একই হলো, খুলে দে তো বেশী কথা না বলে।

আমিঃ আচ্ছা আচ্ছা তোমার ফোন দাও।

অতঃপর আব্বুর জন্যে একটা ফেসবুক একাউন্ট খোলা শুরু করলাম।

আমিঃ আচ্ছা তোমার পুরো নামই দিবো নাকি ডাকনাম?

আব্বুঃ নাম দে - ডিজে কুল বয় মিঃ এমডি জাহিদ। ( একটু ভেবে)

আমিঃ হোয়াট? ( অবাক হয়ে)

আব্বুঃ আরে হাট বাজার দিবি কেনো, যা দিতে বললাম তাই দে।

অতঃপর আমি হাবলার মতো আব্বু যেমন যেমন বলে সেভাবেই একটা ফেসবুক একাউন্ট খুলে দিলাম।

আমিঃ আব্বু তোমার একাউন্ট খোলা শেষ। তোমার ডাকনাম কি দিবো? যেটা তোমার প্রোফাইলে শো করবে।

আব্বুঃ উমম ডাক নাম দিবি হলো - ৭৮ % ইনোসেন্ট, ৯৫ % সেক্সী, ৬৬ % কুল ডুড, ৪৪ % লাভার বয়...

আমিঃ আরে হয়েছে হয়েছে এতবড় নাম, নিকনেইমে দেওয়া যাবে না। অন্য কিছু বলো- তোমার নিজের নাম দিয়ে দেই?

আব্বুঃ হোপ ব্যাটা - ডাকনাম দে হার্ট হ্যাকার।

আমিঃ ওরে আল্লাহ এই বুড়ো বয়সে আব্বুর একি ভীমরতি ধরলো ( মনে মনে)

আব্বুঃ কিরে ইভান দেস না ক্যান।

আমিঃ আরে বাবা দিচ্ছি তো।

অবশেষে ফুল ফিল আব্বুর একটা ঝাকানাকা ফেসবুক একাউন্ট খুলে দিলাম, সাথে মেসেঞ্জারেও লগইন করে দিলাম। আর বুঝিয়ে দিলাম কিভাবে কিভাবে মেসেজ করতে হয়। বাপ তো আমার মহাখুশি। মনে হচ্ছিলো ফেসবুক কোম্পানিই তার নামে লিখে দিয়েছে এমন একটা ভাব। অতঃপর খুশী মনে ফোন নিয়ে তার রুমে চলে গেলো। আমিও আবার গার্লফ্রেন্ডের সাথে চ্যাটিংয়ে মনোযোগ দিলাম।

এভাবে দেখতে দেখতে প্রায় ১ সপ্তাহ চলে গেলো। আব্বু সারাক্ষণ তার ফোন নিয়েই ব্যস্ত থাকে। রুম থেকেই বের হয়না বলতে গেলে। সারাদিনই দেখি আব্বুর ফোনে মেসেজের পকিং পকিং সাউন্ড হয়। আমি ভেবে পাইনা আব্বু কার সাথে এত মেসেজ করছে। আমি যদি দেখতে চাই আমাকে দেখায়ও নাহ। এভাবে আরো দুইদিন পেরিয়ে যায়।

ঘুমিয়ে আছি হঠাৎই দেখি রাত তিনটার দিকে "কথা" মানে আমার গার্লফ্রেন্ডের কল। এত রাতে কল দেওয়ার কারণ ঠিক বুঝে উঠতে পারলাম নাহ। অতঃপর আমি কলটা রিসিভ করলাম।

আমিঃ এত রাতে কল দিলে হঠাৎ?

কথাঃ ছিহ ইভান তোমার বাবা এমন আমি ভাবতেও পারিনি।

আমিঃ আমার বাবা আবার তোমাকে কি করলো? ( অবাক হয়ে)

কথাঃ সেটা তোমার বাবাকেই জিজ্ঞেস করে নিয়ো। এটা বলার জন্যেই কল দিয়েছি যে - তুমি আর জীবনে আমার সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করো না - ব্রেকআপ।

আমিঃ হ্যালো হ্যালো কথা শুনো।

কথা কিছু না বলেই লাইন কেটে দিলো। আমি বেশ অবাক হয়ে গেলাম, আব্বু কি এমন করলো যেটার জন্যে কথা আমার মুখের উপরে ব্রেকআপ বলে দিলো। সেদিন রাতে হাজার চেষ্টা করেও আর কথার সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারলাম নাহ। নাহ এখানে রহস্যের গন্ধ পাচ্ছি, এই রহস্য আমাকে সমাধান করতেই হবে। সেদিন রাতে আর চিন্তায় চিন্তায় ঘুমই আসলো নাহ।

-- অতঃপর পরের দিন সকালবেলা --

এখন প্রায় সকাল ছয়টা বাজে। আমি চুপিচুপি আব্বুর রুমে ঢুকে গেলাম। গিয়ে দেখতে পেলাম আব্বু বেহুসের মত ঘুমোচ্ছে। আমার মা নেই তাই আব্বু একাই ঘুমোয়। আমি আর সুযোগ হাত ছাড়া করলাম নাহ, আব্বুর ফোনটা নিয়েই এক দৌড়ে সোজা আমার রুমে চলে এলাম। এসেই প্রথমে আব্বুর মেসেঞ্জার ওপেন করলাম। আর মেসেঞ্জার ওপেন করেই চ্যাট লিস্টের প্রথমেই আমার গার্লফ্রেন্ডের আইডি দেখতে পেলাম। এটা দেখে আমার মাথা ঘুরতে লাগলো। দেখতে পেলাম আরো বেশ কয়েকজনের সাথে চ্যাট কনভারসেশন রয়েছে। অতঃপর কথার টা দিয়েই পড়া শুরু করলাম।

( কথার সঙ্গে চ্যাট)
আব্বুঃ Kaman acha? (কেমন আছো?)

কথাঃ ঠিক বুঝতে পারলাম না আঙ্কেল?

আব্বুঃ Tamar kaman ache ( তুমি কেমন আছো)

কথাঃ বেশী ভালোনা আঙ্কেল একটু জ্বর। ( হয়তো বুঝতে পেরেছে লেখাটা)

আব্বুঃ Ahade tamar bichi acha? ( তোমার জ্বর বেশী আছে)

কথাঃ ছি ছি আঙ্কেল কি বলেন এগুলো।

আব্বুঃ Balam tamar jar bichi kay digiri? ( বললাম তোমার জ্বর বেশী, কয় ডিগ্রী)

কথাঃ ছিহ আঙ্কেল আপনার কাছ থেকে এমন কথা কখনোই আশা করিনি।

আব্বুঃ Acha tamar mar kaman acha? ( আচ্ছা তোমার মা কেমন আছে)

কনভারসেশন শেষ : You can't reply to this conversation. ( আব্বুকে কথা ব্লক করে দিয়েছে )

( পাশের বাসার আন্টির সঙ্গে চ্যাট)

আন্টিঃ কেমন আছেন ভাইয়া?

আব্বুঃ Ade bodoi karap, pachay karent nai. (আরে বড়ই খারাপ, বাসায় কারেন্ট নাই)

আন্টিঃ কি বলছেন এগুলো ওখানে কারেন্ট থাকবে কিভাবে?

আব্বুঃ Kano, apanar pachay ki karent acha? ( কেনো আপনার বাসায় কি কারেন্ট আছে)

কনভারসেশন শেষ (Block)

( এলাকার মুদির দোকানদারের সঙ্গে চ্যাট)

আব্বুঃ Bador Badare ki ekan valo magi acha ( বাবর, বাজারে কি এখন ভালো মাঝি আছে)

দোকানদারঃ নাহ ভাই মাঝিরা সকালে চলে গেছে। আপনার মাছ লাগবো?

আব্বুঃ Tala tak, ekn tui amar pachay ese choday deye ja ( তাহলে থাক, এখন তুই আমার বাসায় এসে সদাই দিয়ে যা)

আস্তাগফিরুল্লাহ, আমি যদি আর একমিনিট এই চ্যাট কন্টিনিউ করি - নির্ঘাত আমি হার্ট ফেইল করে মারা যাবো। কোন পাপে আমি আব্বুরে ফেসবুক খুলে দিতে গেলাম, আল্লাহ তুমি আমারে উঠাইয়া নাও। এইসব চ্যাট যদি কোনো নবজাতক শিশু দেখে, ও নির্ঘাত বাঁচার আশা ছেড়ে দিবে। অতঃপর আর এক মুহূর্তও দেরি করলাম নাহ, আব্বুর ফেসবুক একাউন্ট ডিলিট মাইরা দিলাম। না থাকবো ছালা আর না থাকবো আম।

পাপ করছি বহুত বড় পাপ করছি, আব্বুরে এই ফেসবুক একাউন্ট খুইলা দিয়া।
যার কারণে আমার এত সাধের গার্লফ্রেন্ড আমারে বিধবা বানাইয়া দিয়া চইলা গেলো। খোদা তুইলা নাও আমারে, আমার আর বাঁচার ইচ্ছা নাই ( সমাপ্ত)

#আব্বুর_ফেসবুক।

নিয়মিত মজার সব গল্প পড়তে পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন 🥰
©©

10/05/2024

সকালে আঙ্কেলের সাথে দেখা হয়েছে বাজারে। ভালো খাসির মাংস কিনলেন! আজকে বিরিয়ানি রান্না হবে!😋

আমাদের বাসায় কচুর লতি রান্না হয়েছে!😐

বিরিয়ানির ঘ্রাণ আসছে নাকে আর ভাত খেতে হবে লতি দিয়ে! মা কে কিছু বলাও যাবে না! কিছু বললে ভাত খাওয়াই বন্ধ করে দিতে পারে।

তারপর বুদ্ধি করে একটা বাটিতে করে কচুর লতি নিয়ে উপরতলার আন্টির বাসায় গেলাম। 😉

আন্টি আমাকে দেখে বলল," আরে রায়হান কেমন আছো? "

আমি: "ভালো। আপনি কেমন আছেন আন্টি?"

আন্টি: "ভালো আছি বাবা!"

আমি: "আন্টি মা আপনাকে বাটিটা দিতে বলল। আপনি নাকি লতি খুব পছন্দ করেন!"

আন্টি: "খুব ভালো করেছ বাবা। আস ভিতরে আস।"

একটু না যাওয়ার ভান করলাম। আন্টি জোর করে ঘরে ঢোকালেন।😌

আঙ্কেল আমাকে দেখে একটু হাসি দিয়ে বললেন: ''ভালো করেছ এসে! আস দুইজন একসাথে খেতে বসি"

দুই প্লেট বিরিয়ানি খেয়ে ফিরলাম! 😌😒

10/05/2024

মনে রাখতে হবে,গালি দেওয়া আবু জাহেলের কাজ আর গালি শুনে চুপ থাকা রাসূলের সুন্নাত!❤️😒

Address

Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দুস্টু মন্ত্রীর গল্পের শহর posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share