20/05/2026
স্কুলে যাওয়ার সময় ৮ বছরের ছোট্ট রামিসা হঠাৎ নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাশের ফ্ল্যাটের বন্ধ দরজার সামনে তার একটা জুতো পাওয়া যায়। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় পুলিশ ডাকা হয়। পুলিশ দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে যা দেখে, তা কল্পনারও অতীত।
খাটের নিচে পড়ে ছিল রামিসার মাথাবিহীন দেহ, আর বাথরুমে পাওয়া যায় তার রক্তাক্ত কাটা মাথা। বাড়ির মালিক জাকির নামের এক রিকশা মেকানিক এই জঘন্য হত্যাকাণ্ড ঘটায়। নিজের বিকৃত লালসা ঢাকতে সে ও তার স্ত্রী স্বপ্না মিলে শিশুটির শরীর থেকে মাথা কেটে আলাদা করে। রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিলেন,স্বপ্না তখন তার স্বামীকে জানালা কেটে পালাতে সাহায্য করছিল।
জাকির একজন দাগী অপরাধী,যার নামে আগেও মামলা ছিল। রামিসার বাবা একজন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ,তাই হয়তো আজ কোনো দেশজুড়ে তোলপাড় নেই, কোনো রেড অ্যালার্ট নেই। কিন্তু একজন মায়ের কোল এভাবে খালি হওয়ার বিচার কি এভাবেই চাপা পড়ে থাকবে?
আজ রামিসার অসহায় বাবা মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে কাঁদছেন, আর মা মেয়ের ওই বীভৎস রূপ দেখে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। আমরা হয়তো কিছুদিন পর এই ঘটনা ভুলে যাব, কিন্তু এই মা-বাবার চোখের জল আর আজীবনের ক্ষত কোনোদিন শুকাবে না।
এই নরপিশাচ জাকির এবং তার সহযোগী স্ত্রীর দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানাই। আর কত নিষ্পাপ শিশুকে এভাবে বলি হতে হবে?
#শিশু_নির্যাতন_বন্ধ_হোক