Barakah Organic Shop - বারাকাহ অর্গানিক শপ

  • Home
  • Bangladesh
  • Tongi
  • Barakah Organic Shop - বারাকাহ অর্গানিক শপ

Barakah Organic Shop - বারাকাহ অর্গানিক শপ ক্রেতার হাতে খাঁটি পণ্য পৌছিয়ে দেয়া আমাদের অঙ্গীকার

02/09/2025
এখন থেকে বারাকাহ অর্গানিক শপ এ পাচ্ছেন কারকুমার নতুন পণ্যসমূহ।অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।
31/08/2025

এখন থেকে বারাকাহ অর্গানিক শপ এ পাচ্ছেন কারকুমার নতুন পণ্যসমূহ।

অর্ডার করতে ইনবক্স করুন।

21/08/2025

সতর্কতা জরুরি!!
সর্ব রোগের মহৌষধ কালোজিরা।
কিন্তু আপনি কি এই কালোজিরা খেয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছেন?

দুটো ছবির মধ্যে কি সম্পর্ক? কেউ জানলে কমেন্ট করতে পারেন
20/05/2025

দুটো ছবির মধ্যে কি সম্পর্ক?
কেউ জানলে কমেন্ট করতে পারেন

সরিষার তেলে চলছে ডাবল  অফার।৫ লি এর দাম এক লি এর তুলনায়  এমনিতেই কম।তার উপর  পাচ্ছেন  ফ্রীতে সারাদেশে ডেলিভারি। নতুন সরি...
22/02/2024

সরিষার তেলে চলছে ডাবল অফার।

৫ লি এর দাম এক লি এর তুলনায় এমনিতেই কম।

তার উপর পাচ্ছেন ফ্রীতে সারাদেশে ডেলিভারি।
নতুন সরিষার তেলের কালার,ঝাঝ ও স্বাদ তো......

থাক বললাম না।
খেলেই বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ

These six Gems were bought by a perfume user.Versace aceCool waterBarbaraJamjam premiumSulaiman pashaArmani code
10/02/2024

These six Gems were bought by a perfume user.

Versace ace
Cool water
Barbara
Jamjam premium
Sulaiman pasha
Armani code

এখনো কি হৃদয় বিগলিত হওয়ার সময় হয় নি?অন্ধকার একটা রাত। যে রাতের অন্ধকার দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় খারাপ কিছু ঘটত...
06/02/2024

এখনো কি হৃদয় বিগলিত হওয়ার সময় হয় নি?

অন্ধকার একটা রাত। যে রাতের অন্ধকার দেখলেই মন খারাপ হয়ে যায়। মনে হয় খারাপ কিছু ঘটতে যাচ্ছে। তেমনি এক রাতে রাস্তা দিয়ে একজন লোক হেঁটে যাচ্ছে।

লোকটা দুর্ধর্ষ এক ডাকাত। সে এতটাই ভীতিকর যে সবার মুখে মুখে তার নিষ্ঠুরতার কথা ছড়িয়ে পড়েছিলো। তার পাশ দিয়ে যাওয়াকে সবাই সাক্ষাৎ বিপদকে ডেকে আনা ভাবতো। তার আক্রমণ থেকে নিস্তার মিলতো না ধর্মপ্রাণ হজ্জযাত্রীদেরও।

তবে লোকটার আরো একটা পরিচয় ছিলো। একটা মেয়েকে প্রচণ্ড ভালোবাসতো সে, হৃদয় দিয়ে চাইতো। প্রায় রাতেই সে যেতো মেয়েটার সাথে মিলিত হতে। আমাদের আজকের গল্প তেমনি অন্ধকার এক রাত নিয়ে। যে রাতে লোকটা বের হয়েছিলো মেয়েটার সাথে মিলিত হতে। মেয়ের বাড়ির দেয়াল দিয়ে উঠতে যাওয়ার সময় সে শুনতে পেলো কেউ একজন তিলওয়াত করছে:

“যারা বিশ্বাসী, তাদের জন্য কি আল্লাহর স্মরণে ও যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তার কারণে হৃদয় বিগলিত হবার সময় আসেনি? তারা তাদের মতো যেন না হয়, যাদেরকে পূর্বে কিতাব দেওয়া হয়েছিল। তাদের উপর সুদীর্ঘকাল অতিক্রান্ত হয়েছে, অতঃপর তাদের অন্তঃকরণ কঠিন হয়ে গেছে। তাদের অধিকাংশই পাপাচারী।” [সূরা হাদীদ ৫৭:১৬]

এই আয়াতটি তার হৃদয়ে বজ্রাঘাত করলো প্রবলভাবে। তার হৃদয়কে নাড়া দিলো। নাড়িয়ে দিলো তার জীবনের তরী। বদলে দিলো বেঁচে থাকার মানেটা। কেন সে এই পৃথিবীতে এসেছে?

সে এই আয়াতটি নিয়ে ভাবতে লাগলো। তার এই বাড়িতে আসার প্রধান উদ্দেশ্যই ভুলে গেলো! তার জিহ্বাতে কেবল একটিমাত্র বাক্যই উচ্চারিত হচ্ছিলো ক্রমাগতভাবে “বালা ইয়া রাব্বি আল আন”—হে আমার রব! হ্যাঁ, সেই সময় সত্যিই এসে গেছে।

হ্যাঁ! সত্যিই এসে গিয়েছিলো সে সময়। চরিত্রহীন সেই দুর্ধর্ষ ডাকাত নিজেকে স্রষ্টার কাছে সঁপে দিলেন। পরিণত হলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন মানুষে। তাঁর নাম ফুদাইল ইবন ইয়াদ (রহিমাহুল্লাহ)। যার বিভিন্ন ঘটনা ও শিক্ষা আজো লাখো মুসলিমের চলার পথের প্রেরণা। ধূসর অতীতের কিছু মানুষ মাঝে মাঝে সোনালী ভবিষ্যতের সৃষ্টি করে আল্লাহর ইচ্ছায়। ফুদাইল ইবনে ইয়াদ (রহিমাহুল্লাহ) ছিলেন তেমনই একজন।

তিনি সে বাড়ি থেকে ফিরে এলেন এবং একটা মুসাফির দলের মাঝে আশ্রয় নিলেন। দলের সবাই তখন খুবই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় ব্যস্ত ছিলো। তিনি শুনতে পেলেন দুইজন লোক কথা বলছে:

– “চলুন আজ রাতেই রওনা দিয়ে দিই।”– “না, সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করি। আমার ধারণা ফুদাইল কোথাও না কোথাও ঘাপটি মেরে আছে আমাদের ডাকাতি করার জন্য।”

আল ফুদাইল সব শুনে ভাবলেন, “আমি প্রতি রাতেই খারাপ কাজ করি আর কিছু মুসলিম এখানে রয়ে যায়। তারা আমাকে ভয় পায়। ঘৃণা করে। মনে হয় আল্লাহ আমাকে এখানে এনেছেন যাতে আমি নিজেকে এদের দেখে শোধরাতে পারি। হে আল্লাহ! সত্যিই আমি তোমার কাছে তওবা করছি।”

পরের গল্পটুকু রূপকথার মতো। ইসলাম কীভাবে একজন মানুষকে রাতারাতি বদলে দিতে পারে সেটার গল্প। তিনি মক্কায় ফিরে এলেন এবং তাঁর লেখনী দ্বারা শত শত মানুষের জীবন পরিবর্তন করে দিলেন। ফুদাইল ইবন ইয়াদ (রহিমাহুল্লাহ) এরপর থেকে যাদের তিনি ক্ষতি করেছিলেন তাদের বাড়ি-বাড়ি যেতেন এবং তাদের ক্ষতিপূরণ করে দিতেন। যখন তার কাছে দেওয়ার কিছু থাকতো না, তখন তিনি ক্ষমা প্রার্থনা করতেন।

তাঁর ভৃত্য ইবরাহিম ইবনে আল আস বলেন, “আমি ফুদাইল ইবন ইয়াদ ছাড়া আর কাউকে দেখিনি যার হৃদয়ে আল্লাহ তা’আলাই ছিলেন শ্রেষ্ঠ। যখন তাঁর সামনে আল্লাহ তা’আলার কথা উল্লেখ করা হতো কিংবা যখনই তিনি কুরআন শুনতেন, প্রচণ্ড দুঃখ ও ভয় তাঁকে পেয়ে বসতো। তাঁর চোখ পানিতে ভরে যেতো আর তিনি এতটাই কাঁদতেন যে, যারা তাঁর নিকটে বসে থাকতেন তাঁরাও তাঁকে দেখে কষ্ট পেতেন।”

একবার ইমাম আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক (রহিমাহুল্লাহ) তাঁকে একটা কবিতা চিঠি লিখে পাঠালেন যাতে লিখা ছিলো—

“হে দুই হারামের অধিবাসী,তুমি যদি আমাদের দেখতে তাহলে বুঝতে তুমি কেবল পরিহাসের ইবাদত করছ।কেঁদে কেঁদে (ইবাদত করে) যে তার গাল ভিজিয়ে ফেলে, তার জানা উচিৎআমাদের ঘাড় রক্ত দিয়ে ভিজে যাচ্ছে।”

চিঠি পড়ে ফুদাইল ইবনে ইয়াদ (রহিমাহুল্লাহ) কী করলেন? তিনি কি আল্লাহর ইবাদতকে পরিহাস করার জন্য আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক (রহিমাহুল্লাহ)-কে উপহাস করেছিলেন? আমাদের সময়ে হলে হয়তো তা-ই হতো।

কিন্তু গল্পটা তো আল্লাহর স্মরণে হৃদয় বিগলিত হয়েছে এমন এক মানুষের। তাই চিঠি পড়ে তাঁর হৃদয় এফোঁড়-ওফোঁড় হয়ে গেলো। চোখ পানিতে ভরে গেলো। তিনি প্রচুর কাঁদলেন এবং বললেন, “আবু আব্দুর রহমান (আব্দুল্লাহ ইবন মুবারক) আমাকে একটি আন্তরিক উপদেশ দিয়েছেন।” অথচ একই কবিতা হাজার বার পড়লেও আমাদের হৃদয়ে কোনো আঁচড় পড়ে না।

তাঁর করা কিছু অসাধারণ উক্তি:

“যদি কেউ একাকীত্বে কষ্ট পায় আর লোকজন পাশে থাকলে শান্তি পায়, তবে সে রিয়া থেকে নিরাপদ নয়।”

“যদি কেউ আল্লাহকে ভয় করে, তবে কেউ তার ক্ষতি করতে পারবে না। আর যদি কেউ আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে, তবে তাকে কেউই সাহায্য করতে পারবে না।”

“যদি কেউ তোমাকে জিজ্ঞেস করে, ‘তুমি কি আল্লাহকে ভালবাসো?’ তবে চুপ থেকো। কারণ যদি তুমি না বলো, তাহলে তুমি একজন অবিশ্বাসী। কিন্ত তুমি যদি হ্যাঁ বলো, তাহলে তো তোমার কাজের সাথে তোমার কথা মিলে না।”

“যতক্ষণ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকঠাক চলে, মানুষের আসল চরিত্র গোপন থাকে। কিন্ত যখন কোনো বিপদ আপতিত হয়, তখন তাদের প্রকৃত চরিত্র প্রকাশ হয়ে পড়ে। কারণ তখন মুমিনরা তাদের বিশ্বাসের দিকে ফিরে যায় আর মুনাফিকরা তাদের ভণ্ডামির নিকট ফিরে যায়।”

আবু আল রাজি বলেন, “আমি ফুদাইল ইবন ইয়াদের কাছে ত্রিশ বছর ছিলাম। যেদিন তাঁর ছেলে আলী মারা গিয়েছিলো, সেদিন ছাড়া আমি তাঁকে কখনোই হাসতে দেখিনি। আমি (অবাক হয়ে) তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ‘যদি আল্লাহ এতে সন্তুষ্ট থাকেন, তবে আমি কীভাবে এতে অসন্তুষ্ট থাকি?’”

সত্যিই যাদের হৃদয়ে আল্লাহ তা’আলাই শ্রেষ্ঠ, তারা কীভাবে তাঁর ফয়সালায় অসন্তুষ্ট হতে পারে? তাদের জীবন-মরণ তো কেবল আল্লাহর জন্যই। তাদের সকল দুঃখ-কষ্ট তো কেবল তারা আল্লাহর নিকটেই জানায়। কারণ, তাদের হৃদয় বহু পূর্বেই আল্লাহর স্মরণে বিগলিত হয়েছে।

ফুদাইল ইবনে ইয়াদ (রহিমাহুল্লাহ)-এর হৃদয় বিগলিত হয়েছিলো অন্তরটা পুরোপুরি মরে যাবার আগেই।

আমাদের হৃদয় বিগলিত হবার সময় কি আসেনি?

এখনো কি হৃদয় বিগলিত হওয়ার সময় হয় নি?
By Shihab Ahmed Tuhin

13/12/2023

কুয়েট সেন্ট্রাল মসজিদের খতিব মাগরিবের নামাযে সূরা ফাতিহা পড়ার সময় আটকে গেলেন। “مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ” বলার পর আর আগাতে পারছেন না। তার কান্নার দমক থামছে না।
হঠাৎ সুফিয়ান আস সাওরী (রহঃ) এর কথা মনে পড়ল। তাঁর ও একই অবস্থা হয়েছিল। কোন এক মাগরিবের নামাযে তিনি إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ বলার পর আর আগাতে পারছিলেন না। “আমরা কেবল তোমার ইবাদত করি, আর তোমার সাহায্য প্রার্থনা করি”- নামাযে বলা এই লাইনটার সাথে তিনি তাঁর বাস্তব জীবনকে মিলাতে পারছিলেন না। আমি কোন আম-জনতার কথা বলছি না। বলছি সুফিয়ান আস সাওরী (রহঃ) এর কথা ! যিনি যদি কারো সামনে হক্ক কথা বলতে না পারতেন, তবে তার যন্ত্রণায় রক্ত-প্রসাব করতেন।
সূরা ফাতিহা তো আমিও পড়ি। কম করে হলেও দিনে ১৭ বার। ২২ বছর হয়ে গেল। কই কোনদিন তো চোখে পানি আসেনি, কান্নার দমকে থমকে যাইনি। প্রথমে ভাবতাম আরবী না জানার কারণে হয়তো এমনটা হয়েছে। এখন তো ছোট ছোট সূরার আরবী বললে সরাসরি বুঝতে পারি। তাও তো সেই আগের মতই অবস্থা!
কে জানি বলল “পড়ো” বইটাতে খুব সুন্দর করে সূরা ফাতিহার অর্থ বুঝানো হয়েছে। মন দিয়ে পড়লাম। কিন্তু অবস্থার উন্নতি নেই। অথচ আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কুর’আনে বলে দিয়েছেন,
“যদি আমি এই কোরআন পাহাড়ের উপর অবতীর্ণ করতাম, তবে তুমি দেখতে যে, পাহাড় বিনীত হয়ে আল্লাহ তা’আলার ভয়ে বিদীর্ণ হয়ে গেছে।”[৫৯;২১]
যে কুর’আনের ভয়ে পাহাড় বিদীর্ণ হয়ে যেত, সেই একই কুর’আন আমাদের হৃদয়কে একটুও নাড়া দেয় না। একটিবারের জন্যও থমকে যাই না। অন্তরটা কি পাহাড়ের চেয়েও শক্ত হয়ে গেছে?
কিন্তু কেন?
উত্তরটা দিয়েছেন ইমাম ইবনুল কায়্যিম আল জাওযিয়্যাহ (রহঃ), তাঁর বিখ্যাত পত্র “আল জওয়াব আল-কাফি” তে। আর আমার ধারণা একটু চিন্তা করলে আমরা নিজেরাও এর উত্তর পাব। জানেন এটা কিসের ফলাফল?
এটা আমাদের পাপের ফলাফল।
“ বরং তাদের অন্তরের (পাপ ও কুকর্মের কারণে আস্তরণ) পড়েছে তাদের কৃতকর্মের ফলস্বরূপ”। [৮৩;১৪]

© শিহাব আহমেদ তুহিন

"আড়তে যে সোনালী মুরগীর দাম ৩১০ টাকা কেজি, টাউনহল বা কৃষিমার্কেটে তা ৩০০ টাকা কেজি৷ আমি অনেকদিন এই রহস্য উদঘাটন করতে পারি...
27/09/2022

"আড়তে যে সোনালী মুরগীর দাম ৩১০ টাকা কেজি, টাউনহল বা কৃষিমার্কেটে তা ৩০০ টাকা কেজি৷ আমি অনেকদিন এই রহস্য উদঘাটন করতে পারি নি। আড়তের চেয়ে খুচরা বাজারে জিনিসের দাম কম হয় কিভাবে?!? অনেক ঘুরে, অনেক ক্লোজ অবসারভেশনে এর সুলূক সন্ধান পেলাম। এরা আড়ত থেকে ৩১০ টাকায় কেনে ঠিকই কিন্তু ৩০০ টাকায় বেচার জন্য অনেক মেকানিজমের আশ্রয় নেয়। যেমনঃ তারা যে কাটা মেশিনটায় ওজন দেয়, সেটার রিডিং তারা ছাড়া আর কেউ ধরতে পারে না। জবাই দেয়ার পর ড্রামে রাখা মুরগী বদল করে আগে থেকে জবাই করা বা মৃত ছোট মুরগী বদল করে দেয়া হয়, আরও কত কিছু। আমি একদিন এক দাড়িওয়ালা ব্যবসায়ীকে আফসোস করে বললাম, ভাই অন্যরা করছে করুক, আপনিও এই কাজ করছেন। সে লোক বললো, কি করবো ভাই, এইসব না করলে আড়তের চেয়ে কম রেটে কিভাবে দিবো। সবাই করে, এখানে এসব না করে যদি নায্যদামে বেচি, অন্য বিক্রেতারা আমাকে তা করতে দিবে না, গ্রাহকও আসবে না, দাম বেশী বলে।"

বিজনেসের ভাষায় এটাকে বলে, 'রেড ওশান' বা 'রক্তাক্ত লাল সমুদ্র'। সবাই মিলে মারামারি করে দাম কমাতে কমাতে এমন একটা রক্তারক্তি অবস্থা যে, কেনা দামের চেয়ে কম দামে পণ্য বেচতে হচ্ছে। চিন্তা করে দেখুন পুরো ট্রেডটা হারামের উপর দাঁড়িয়ে আছে। ব্যবসা করে দুটো পয়সা করবে বৈধপথে, তা না করে মিথ্যা বলে দুই নম্বরী করে পণ্য বেচতে হচ্ছে সম্মিলিত এই মারামারির কারণে। অনলাইনে এর কিছু মিল কি পাচ্ছেন। প্রাইসিংটাকে আমরা কোনদিকে নিয়ে যাচ্ছি?!? ৮০০-৯০০ টাকা ঘি বিক্রি করছে পোলাপাইন কেজি। ৪০০০ টাকা মণের সরিষার তেল বিক্রি করছে ১৫০-২০০ টাকা লিটার। প্রাইসিং যেদিকে যাচ্ছে কিছুদিন পর তো ৫০০ টাকায় বাঘাবাড়ির আঠার ঘি বিক্রি করা ছাড়া উপায় থাকবে না। তাই হবে, হচ্ছে। মধুর ক্ষেত্রে হয়েছে, আমের ক্ষেত্রে হয়েছে, এগুলোতেও হচ্ছে না কে জানে?!?

FMCG মার্কেটের প্রাইসিং নিয়ে আমি বরাবরই ভোকাল। এদেশের FMCG মার্কেটে পণ্যের মূল্য এতো মার্জিনালি সেট করা কেউ স্বাভাবিক পন্থায় ব্যবসা করে সংসার, ব্যবসা টিকিয়ে রাখা সম্ভব না। একারণে সম্ভাব্য সকল দুই নম্বরি করা হয়, এবং বছরে একবার দুইবার সিন্ডিকেশন করে দাম বাড়িয়ে সারা বছরের ক্ষতি বা কম লাভ পুষিয়ে নেয়া হয়। আমার এলাকার এক বড় মুদি ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলছিলাম, সে বললো 'ভাই, আমাদের ব্যবসার যেকোন আইটেম আপনাকে বছরে একবার বা দুইবার টাকা এনে দিবেই, সারাবছর ব্যবসা না করলেও লস নাই।'

গরুর মাংস করতে যেয়ে বুঝেছি এখানে কত মেকানিজম। অসুস্থ, মৃতপ্রায় বা মৃত, খামারের বাতিল গরু কেনা, রক্ত প্রবাহিত না করে গলার নলি কেটে গরুকে স্ট্রোক করিয়ে মারা, মাংসে পানি দিয়ে ওজন বাড়ানো, ওয়েট মেশিনে কারসাজি, আরও কত কি?!? একটা দেশি ষাড় গরু গ্রামের হাটেই আস্ত কেনা পড়ে ৭০০/- টাকা কেজি, সেই জিনিস আপনি ঢাকায় বসে মেকানিজম ছাড়া একই দামে কিনে খান কিভাবে।

রেড ওশানে ব্যবসা করতে নামলে সবচেয়ে বিপদে পড়েন যারা সৎভাবে এই মেকানিজমগুলো ছাড়া ব্যবসা করতে চান। অসততার সর্বগ্রাসী স্রোতে এরা বেশিদিন টিকতে পারে না। এরা একদিকে স্বজাতির তোপের মুখে পড়ে, পিকে সিনেমার ভগবানের মূর্তি বিক্রেতার মতো আপনাকে এসে বলবে, 'ধান্দা বন করওয়াগে ক্যায়া', অপরদিকে কাস্টমাররাও আপনাকে বলবে আপনি গলা কাটেন, চড়া মূল্য রাখেন। লেইমম্যান কেউ হলে মানা যেতো, আমাদেরই পরিচিত, সচেতন, স্মার্ট ভাইবেরাদাররা দাম নিয়ে আমাদের খোঁচাতে বিন্দুমাত্র ছাড় দেন না।

রেড ওশানে সবচেয়ে ক্ষতি কার হয় জানেন?!? কাস্টমারের। একদিকে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন অপরদিকে মরা, মৃতপ্রায় রক্ত, পানিমিশ্রিত মুরগী, গরুর মাংস ও দুই নম্বর প্রোডাক্ট খেয়ে স্বাস্থ্যগত ক্ষতির মুখে পড়েন।

মন্দই যখন মেইনস্ট্রিম হয়, তখন ভালোর পথ ছেড়ে পালানো ছাড়া উপায় নেই।

-Sagor Hasnath ভাই

Address

Tongi
1711

Telephone

+8801821905834

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Barakah Organic Shop - বারাকাহ অর্গানিক শপ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Barakah Organic Shop - বারাকাহ অর্গানিক শপ:

Share