13/12/2025
এবার থেকে আর কাপড় আঁকা র কাজ তেমন করব না আর আপনারা ও আমার থেকে নতুন ধরনের কাজ দেখতে পাবেন না ।
কারণ আমরা যারা কাপড় আঁকি খুব মন দিয়ে কাজ টা করি আমরা কিন্তু কেউ আগে থেকে টাকা বা পারিশ্রমিক পায় না আবার কাজ শেষ করে ও যে পায় তাও নয় কেউ দুর্গা পুজোর শুরু তে দেয় তো কেউ শেষে , আর কেউ দেই ই না কিছু টাকা দিয়ে আর টাকা দিতে চায় না , কি করবো সেক্ষেত্রে , কিছু করার নেই।
তাই আর কাজ করার ইচ্ছা থাকছে না ,
এই বছর আমার বাবা র স্ট্রোক হয়ে প্যারালাইসিস হয়ে গেছে পুজোর আগেই সেই ক্রিটিক্যাল সময় এ শুধু মাত্র অনেক টাকার দরকার বাবা র চিকিৎসা তে সেই জন্য রাত জেগে জেগে কাজ করেছি , কিন্তু পেইমেন্ট এর সময় বলছে কমিটি টাকা দেয় নি তাই টাকা দিতে পারছে না আমাকে।
ঘটনাটি ঘটেছে এই বার এর 22 পল্লি দুর্গা মন্দিরে দুর্গার কাজ নিয়ে কাপড় আঁকা ও ব্যাকগ্রাউন্ড এবং সমস্ত মাল মেটেরিয়াল নিয়ে কন্টাক্ট হয় 17500 টাকা ।
কাজ শেষ হয়ে যাবার পর পেইমেন্ট সময় আমি টাকা পায়নি পুরো 3500 টাকা দেয় নি বলছে কমিটি টাকা দেয় নি , এটা বলছে প্রতিমা শিল্পী সৌরভ দাস , এবার আপনারা বলুন আমার কি করা দরকার ,
তাই ভাবছি কাজ ছেড়ে দেব করব না কি হবে কাজ করে খেটে টাকা যেখানে মার যায় সেখানে কাজ করার থেকে না করা ভালো, একটা দিন মজুর লেবার ও কাজ করে দিন শেষে তার প্রাপ্য পারিশ্রমিক পায়, কিন্তু আমরা আর্টিস্ট তথা কাপড় আঁকার লোকরা টাকা পায় না
প্রথম দুর্গার কাজ শেষ হলো
যে কাজ তিন দিন লাগে সেই কাজ 6 দিন লাগলো , পরিস্থিতি খুব খারাপ বাবা নার্সিং হোম এ ভর্তি , সব জায়গা ছুটে তারপর কাজ করে একটা কাজ উঠলো এখন ও দুটো কাজ বাঁকী